ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে তুরাগে হিন্দু সম্প্রদায়ের মাঝে হাজী চান মিয়া বেপারীর উপহার বিতরণ

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে তুরাগে হিন্দু সম্প্রদায়ের মাঝে হাজী চান মিয়া বেপারীর উপহার বিতরণ

​রাজশাহীতে জমি কিনে বিপাকে ক্রেতারা, কাজ বন্ধে সন্ত্রাসী হামলা ও প্রশাসনিক জটিলতার অভিযোগ

​রাজশাহীতে জমি কিনে বিপাকে ক্রেতারা, কাজ বন্ধে সন্ত্রাসী হামলা ও প্রশাসনিক জটিলতার অভিযোগ

শিশু বিবাহ আর নয়, কন্যা করবে বিশ্বজয়

শিশু বিবাহ আর নয়, কন্যা করবে বিশ্বজয়

ইসলামপুরে পৃর্বনির্ধারিত জায়গায় ভবন নির্মান কাজের উদ্বোধনের দাবীতে মানববন্ধন

ইসলামপুরে পৃর্বনির্ধারিত জায়গায় ভবন নির্মান কাজের উদ্বোধনের দাবীতে মানববন্ধন

রংপুর রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ জেলা নির্বাচিত নীলফামারী, সম্মাননা পেলেন পুলিশ সুপার

রংপুর রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ জেলা নির্বাচিত নীলফামারী, সম্মাননা পেলেন পুলিশ সুপার

হ্নীলায় ‘কবি ও কবিতার সংসার: মাস্টার শাহ আলম’ বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠান সম্পন্ন

হ্নীলায় ‘কবি ও কবিতার সংসার: মাস্টার শাহ আলম’ বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠান সম্পন্ন

মদনে প্রেমের সম্পর্কের জেরে কিশোরীর আত্মহত্যা

মদনে প্রেমের সম্পর্কের জেরে কিশোরীর আত্মহত্যা

পদ্মার চরে বিশ্ব দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত: নদী রক্ষা ও জলবায়ু ন্যায্যতার দাবিতে মানববন্ধন।

পদ্মার চরে বিশ্ব দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত: নদী রক্ষা ও জলবায়ু ন্যায্যতার দাবিতে মানববন্ধন।

পঞ্চগড়ের বাঁশ যাচ্ছে সারা দেশে, বাণিজ্যিক চাষে বাড়ছে কৃষকের আগ্রহ.

পঞ্চগড়ের বাঁশ যাচ্ছে সারা দেশে, বাণিজ্যিক চাষে বাড়ছে কৃষকের আগ্রহ.

পঞ্চগড়ের বাঁশ যাচ্ছে সারা দেশে, বাণিজ্যিক চাষে বাড়ছে কৃষকের আগ্রহ.

উত্তরের সীমান্তঘেঁষা জেলা পঞ্চগড়ের গ্রামীণ জনপদে একসময় বাড়ির আঙিনা, জমির আইল কিংবা রাস্তার ধারে প্রয়োজনের তাগিদে গড়ে উঠত বাঁশঝাড়। এখন সেই বাঁশঝাড়ই অনেক পরিবারের বাড়তি আয়ের উৎস হয়ে উঠছে। জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে বাঁশ সংগ্রহ করে ট্রাকে করে পাঠানো হচ্ছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে এসব বাঁশ যাচ্ছে ঢাকা, চট্টগ্রাম, বরিশাল, রাজশাহীসহ বিভিন্ন জেলার বাজারে। এতে বাড়ছে বাঁশের বাণিজ্যিক গুরুত্ব এবং চাষে আগ্রহী হচ্ছেন কৃষকেরা।

পঞ্চগড়ের বিভিন্ন গ্রামে বাড়ির আঙিনা, জমির আইল, পতিত জমি ও রাস্তার পাশের জায়গায় গড়ে উঠেছে ছোট-বড় বাঁশঝাড়। কৃষকদের ভাষ্য, অন্যান্য অনেক ফসলের মতো বাঁশ চাষে প্রতিবছর নতুন করে জমি প্রস্তুত করতে হয় না। একবার ঝাড় তৈরি হলে পুরোনো বাঁশের গোড়া থেকেই নতুন কঞ্চি বের হতে থাকে। নিয়মিত পরিচর্যা ও আগাছা পরিষ্কারের মাধ্যমে কয়েক বছর পর বাঁশ বিক্রির উপযোগী হয়।

স্থানীয় বাজারে বাঁশের দাম নির্ধারণে এর আকার, জাত, বয়স ও মান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আকার ও মানভেদে প্রতিটি বাঁশ প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে বলে স্থানীয়ভাবে জানা গেছে। কৃষকের কাছ থেকে ব্যবসায়ীরা বাঁশ সংগ্রহের পর সেগুলো বাছাই করেন। এরপর ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনে করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠানো হয়।

কৃষকদের কাছে বাঁশ চাষের অন্যতম আকর্ষণ হলো তুলনামূলক কম পরিচর্যায় দীর্ঘদিন উৎপাদন পাওয়া। একটি ঝাড় থেকে পর্যায়ক্রমে বাঁশ সংগ্রহ করা যায়। ফলে বাড়ির আশপাশের অব্যবহৃত জায়গা কিংবা জমির আইল থেকেও অতিরিক্ত আয় করার সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

তবে কাঁচা বাঁশ বিক্রির মধ্যেই এ খাতের সম্ভাবনা সীমাবদ্ধ রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বাঁশ দিয়ে ঘরবাড়ি ও বেড়া নির্মাণের পাশাপাশি কৃষিকাজে মাচা, অস্থায়ী স্থাপনা, গৃহস্থালি সামগ্রীসহ বিভিন্ন পণ্য তৈরি করা হয়। স্থানীয়ভাবে বাঁশ প্রক্রিয়াজাত করে এসব পণ্য উৎপাদন করা গেলে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা আরও বেশি মূল্য সংযোজনের সুযোগ পেতে পারেন।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, পঞ্চগড়ের বাঁশের চাহিদা বিভিন্ন অঞ্চলে থাকায় নিয়মিতভাবে ট্রাকে করে বাঁশ পাঠানো হচ্ছে। এতে বাঁশ সংগ্রহ, পরিবহন ও বাজারজাতকরণের সঙ্গে যুক্ত মানুষেরও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, বাঁশ চাষকে পরিকল্পিতভাবে সম্প্রসারণের পাশাপাশি উৎপাদন, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া গেলে পঞ্চগড়ের গ্রামীণ অর্থনীতিতে বাঁশ একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক খাত হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে বাঁশজাত পণ্য তৈরির স্থানীয় শিল্প গড়ে উঠলে কাঁচামাল বিক্রির পরিবর্তে কৃষক ও উদ্যোক্তাদের আয় আরও বাড়ার সুযোগ তৈরি হবে।



আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬


পঞ্চগড়ের বাঁশ যাচ্ছে সারা দেশে, বাণিজ্যিক চাষে বাড়ছে কৃষকের আগ্রহ.

প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

পঞ্চগড়ের বাঁশ যাচ্ছে সারা দেশে, বাণিজ্যিক চাষে বাড়ছে কৃষকের আগ্রহ.

উত্তরের সীমান্তঘেঁষা জেলা পঞ্চগড়ের গ্রামীণ জনপদে একসময় বাড়ির আঙিনা, জমির আইল কিংবা রাস্তার ধারে প্রয়োজনের তাগিদে গড়ে উঠত বাঁশঝাড়। এখন সেই বাঁশঝাড়ই অনেক পরিবারের বাড়তি আয়ের উৎস হয়ে উঠছে। জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে বাঁশ সংগ্রহ করে ট্রাকে করে পাঠানো হচ্ছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে এসব বাঁশ যাচ্ছে ঢাকা, চট্টগ্রাম, বরিশাল, রাজশাহীসহ বিভিন্ন জেলার বাজারে। এতে বাড়ছে বাঁশের বাণিজ্যিক গুরুত্ব এবং চাষে আগ্রহী হচ্ছেন কৃষকেরা।

পঞ্চগড়ের বিভিন্ন গ্রামে বাড়ির আঙিনা, জমির আইল, পতিত জমি ও রাস্তার পাশের জায়গায় গড়ে উঠেছে ছোট-বড় বাঁশঝাড়। কৃষকদের ভাষ্য, অন্যান্য অনেক ফসলের মতো বাঁশ চাষে প্রতিবছর নতুন করে জমি প্রস্তুত করতে হয় না। একবার ঝাড় তৈরি হলে পুরোনো বাঁশের গোড়া থেকেই নতুন কঞ্চি বের হতে থাকে। নিয়মিত পরিচর্যা ও আগাছা পরিষ্কারের মাধ্যমে কয়েক বছর পর বাঁশ বিক্রির উপযোগী হয়।

স্থানীয় বাজারে বাঁশের দাম নির্ধারণে এর আকার, জাত, বয়স ও মান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আকার ও মানভেদে প্রতিটি বাঁশ প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে বলে স্থানীয়ভাবে জানা গেছে। কৃষকের কাছ থেকে ব্যবসায়ীরা বাঁশ সংগ্রহের পর সেগুলো বাছাই করেন। এরপর ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনে করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠানো হয়।

কৃষকদের কাছে বাঁশ চাষের অন্যতম আকর্ষণ হলো তুলনামূলক কম পরিচর্যায় দীর্ঘদিন উৎপাদন পাওয়া। একটি ঝাড় থেকে পর্যায়ক্রমে বাঁশ সংগ্রহ করা যায়। ফলে বাড়ির আশপাশের অব্যবহৃত জায়গা কিংবা জমির আইল থেকেও অতিরিক্ত আয় করার সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

তবে কাঁচা বাঁশ বিক্রির মধ্যেই এ খাতের সম্ভাবনা সীমাবদ্ধ রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বাঁশ দিয়ে ঘরবাড়ি ও বেড়া নির্মাণের পাশাপাশি কৃষিকাজে মাচা, অস্থায়ী স্থাপনা, গৃহস্থালি সামগ্রীসহ বিভিন্ন পণ্য তৈরি করা হয়। স্থানীয়ভাবে বাঁশ প্রক্রিয়াজাত করে এসব পণ্য উৎপাদন করা গেলে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা আরও বেশি মূল্য সংযোজনের সুযোগ পেতে পারেন।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, পঞ্চগড়ের বাঁশের চাহিদা বিভিন্ন অঞ্চলে থাকায় নিয়মিতভাবে ট্রাকে করে বাঁশ পাঠানো হচ্ছে। এতে বাঁশ সংগ্রহ, পরিবহন ও বাজারজাতকরণের সঙ্গে যুক্ত মানুষেরও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, বাঁশ চাষকে পরিকল্পিতভাবে সম্প্রসারণের পাশাপাশি উৎপাদন, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া গেলে পঞ্চগড়ের গ্রামীণ অর্থনীতিতে বাঁশ একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক খাত হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে বাঁশজাত পণ্য তৈরির স্থানীয় শিল্প গড়ে উঠলে কাঁচামাল বিক্রির পরিবর্তে কৃষক ও উদ্যোক্তাদের আয় আরও বাড়ার সুযোগ তৈরি হবে।




ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ