ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে তুরাগে হিন্দু সম্প্রদায়ের মাঝে হাজী চান মিয়া বেপারীর উপহার বিতরণ

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে তুরাগে হিন্দু সম্প্রদায়ের মাঝে হাজী চান মিয়া বেপারীর উপহার বিতরণ

​রাজশাহীতে জমি কিনে বিপাকে ক্রেতারা, কাজ বন্ধে সন্ত্রাসী হামলা ও প্রশাসনিক জটিলতার অভিযোগ

​রাজশাহীতে জমি কিনে বিপাকে ক্রেতারা, কাজ বন্ধে সন্ত্রাসী হামলা ও প্রশাসনিক জটিলতার অভিযোগ

শিশু বিবাহ আর নয়, কন্যা করবে বিশ্বজয়

শিশু বিবাহ আর নয়, কন্যা করবে বিশ্বজয়

ইসলামপুরে পৃর্বনির্ধারিত জায়গায় ভবন নির্মান কাজের উদ্বোধনের দাবীতে মানববন্ধন

ইসলামপুরে পৃর্বনির্ধারিত জায়গায় ভবন নির্মান কাজের উদ্বোধনের দাবীতে মানববন্ধন

রংপুর রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ জেলা নির্বাচিত নীলফামারী, সম্মাননা পেলেন পুলিশ সুপার

রংপুর রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ জেলা নির্বাচিত নীলফামারী, সম্মাননা পেলেন পুলিশ সুপার

হ্নীলায় ‘কবি ও কবিতার সংসার: মাস্টার শাহ আলম’ বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠান সম্পন্ন

হ্নীলায় ‘কবি ও কবিতার সংসার: মাস্টার শাহ আলম’ বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠান সম্পন্ন

মদনে প্রেমের সম্পর্কের জেরে কিশোরীর আত্মহত্যা

মদনে প্রেমের সম্পর্কের জেরে কিশোরীর আত্মহত্যা

পদ্মার চরে বিশ্ব দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত: নদী রক্ষা ও জলবায়ু ন্যায্যতার দাবিতে মানববন্ধন।

পদ্মার চরে বিশ্ব দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত: নদী রক্ষা ও জলবায়ু ন্যায্যতার দাবিতে মানববন্ধন।

সরিষাবাড়ীতে প্রধান শিক্ষককে মারধরের অভিযোগ, পাঠদান বর্জন শিক্ষক-শিক্ষার্থীদে

সরিষাবাড়ীতে প্রধান শিক্ষককে মারধরের অভিযোগ, পাঠদান বর্জন শিক্ষক-শিক্ষার্থীদে

সরিষাবাড়ীতে প্রধান শিক্ষককে মারধরের অভিযোগ, পাঠদান বর্জন শিক্ষক-শিক্ষার্থীদে

সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি:- জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে রুদ্র বয়ড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছাইফুর রহমান বাছেদকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন অজ্ঞাত যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার প্রতিবাদে হামলাকারীদের শনাক্ত ও বিচারের দাবিতে বিদ্যালয়ের ৩০ জন শিক্ষক-কর্মচারী ও প্রায় ৬৫০ জন শিক্ষার্থী পাঠদান বর্জন কর্মসূচি পালন করেছেন। এতে বিদ্যালয়ের নিয়মিত পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হয়। এ ঘটনায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।

গতকাল সকালে উপজেলার পোগলদিঘা ইউনিয়নের রুদ্র বয়ড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উত্তর পাশে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী প্রধান শিক্ষক। তাঁর দাবি, সকাল ৯টা ১৫ মিনিটের দিকে মোটরসাইকেলযোগে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে ৪-৫ জন অজ্ঞাত যুবক তাঁর মোটরসাইকেলের গতিরোধ করেন। একপর্যায়ে তাঁকে ধাক্কা দিয়ে মোটরসাইকেলসহ সড়কে ফেলে দেওয়া হয়। পরে তাঁকে টেনে-হিঁচড়ে মারধর করা হয়।

প্রধান শিক্ষক ছাইফুর রহমান বাছেদের দাবি, তাঁকে একটি অ্যাম্বুলেন্সে তোলার চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে তিনি তাতে উঠতে পারেননি। পরে তাঁকে রুদ্র বয়ড়া জামে মসজিদের পেছনে নিয়ে আবারও মারধর করা হয়। ঘটনাস্থলে থাকা অ্যাম্বুলেন্সটির নম্বর ঢাকা মেট্রো-ছ-৭১-৩৭৩০ বলে তিনি জানান। প্রধান শিক্ষক একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে তার পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।

এদিকে বিদ্যালয়ের সিসিটিভি ফুটেজে প্রধান শিক্ষককে মোটরসাইকেল থেকে ফেলে দেওয়ার দৃশ্য রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। এছাড়া একটি অ্যাম্বুলেন্স বিদ্যালয়ের সামনে দিয়ে যাওয়ার এবং প্রায় ৫-৬ মিনিট পর সেটি আবার ফিরে এসে রুদ্র বয়ড়া জামে মসজিদের মাঠে এবং কয়েকজন যুবকের অবস্থান নেওয়াকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও সংশয় দেখা দিয়েছে। তবে অ্যাম্বুলেন্সটি কী উদ্দেশ্যে সেখানে গিয়েছিল জানতে  ড্রাইভার কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি ঘুম পাড়ার জন্য অবস্থান নিয়েছিলেন বলে স্থানীয়দের জানিয়েছেন।

প্রধান শিক্ষক জানান, রুদ্র বয়ড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাইনুল ইসলাম ঘটনাটি দেখতে পেয়ে বিষয়টি রুদ্র বয়ড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জানাতে বলেন। খবর পেয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষক আলম, জাকির, তানিয়া ও বিউটিসহ স্থানীয় জহুরুল হক বাদশা, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে যান। এ সময় লোকজন জড়ো হতে দেখে হামলাকারীরা পালিয়ে যায় বলে দাবি করেন তিনি।

পরে ছেঁড়া পাঞ্জাবি ও গেঞ্জি এবং শরীরে আঘাতের চিহ্নসহ প্রধান শিক্ষককে উদ্ধার করে একটি বাড়িতে নেওয়া হয়। এ সময় ঘটনাস্থলে পড়ে থাকা একটি মোটরসাইকেল শিক্ষার্থীরা ভাঙচুর করেছে বলে জানা গেছে।

প্রধান শিক্ষক ছাইফুর রহমান বাছেদ বলেন, “আমাকে প্রথমে মোটরসাইকেলসহ সড়কে ফেলে দেওয়া হয়। পরে টেনে-হিঁচড়ে অ্যাম্বুলেন্সে তোলার চেষ্টা করা হয়। সেখানে নিতে না পেরে মসজিদের পেছনে নিয়ে মারধর করা হয়েছে। আমার আশঙ্কা, আমাকে অপহরণ করে গুম করার উদ্দেশ্যেও এ ঘটনা ঘটানো হয়ে থাকতে পারে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাই।

পোগলদিঘা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মামুনুর রশিদ ফকির বলেন, “প্রধান শিক্ষক ছাইফুর রহমানকে কিছু অপরিচিত যুবক মারধর করেছে বলে জেনেছি। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

রুদ্র বয়ড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নুরুল আমীন শামীমের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

সরিষাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন বলেন, “ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর কবীর বলেন, “বিষয়টি আমরা জেনেছি। তবে প্রধান শিক্ষক আমাদের লিখিতভাবে অবগত করেননি। লিখিত অভিযোগ পেলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা আফসানার সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ না করায় তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬


সরিষাবাড়ীতে প্রধান শিক্ষককে মারধরের অভিযোগ, পাঠদান বর্জন শিক্ষক-শিক্ষার্থীদে

প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

সরিষাবাড়ীতে প্রধান শিক্ষককে মারধরের অভিযোগ, পাঠদান বর্জন শিক্ষক-শিক্ষার্থীদে

সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি:- জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে রুদ্র বয়ড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছাইফুর রহমান বাছেদকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন অজ্ঞাত যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার প্রতিবাদে হামলাকারীদের শনাক্ত ও বিচারের দাবিতে বিদ্যালয়ের ৩০ জন শিক্ষক-কর্মচারী ও প্রায় ৬৫০ জন শিক্ষার্থী পাঠদান বর্জন কর্মসূচি পালন করেছেন। এতে বিদ্যালয়ের নিয়মিত পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হয়। এ ঘটনায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।

গতকাল সকালে উপজেলার পোগলদিঘা ইউনিয়নের রুদ্র বয়ড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উত্তর পাশে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী প্রধান শিক্ষক। তাঁর দাবি, সকাল ৯টা ১৫ মিনিটের দিকে মোটরসাইকেলযোগে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে ৪-৫ জন অজ্ঞাত যুবক তাঁর মোটরসাইকেলের গতিরোধ করেন। একপর্যায়ে তাঁকে ধাক্কা দিয়ে মোটরসাইকেলসহ সড়কে ফেলে দেওয়া হয়। পরে তাঁকে টেনে-হিঁচড়ে মারধর করা হয়।

প্রধান শিক্ষক ছাইফুর রহমান বাছেদের দাবি, তাঁকে একটি অ্যাম্বুলেন্সে তোলার চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে তিনি তাতে উঠতে পারেননি। পরে তাঁকে রুদ্র বয়ড়া জামে মসজিদের পেছনে নিয়ে আবারও মারধর করা হয়। ঘটনাস্থলে থাকা অ্যাম্বুলেন্সটির নম্বর ঢাকা মেট্রো-ছ-৭১-৩৭৩০ বলে তিনি জানান। প্রধান শিক্ষক একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে তার পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।

এদিকে বিদ্যালয়ের সিসিটিভি ফুটেজে প্রধান শিক্ষককে মোটরসাইকেল থেকে ফেলে দেওয়ার দৃশ্য রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। এছাড়া একটি অ্যাম্বুলেন্স বিদ্যালয়ের সামনে দিয়ে যাওয়ার এবং প্রায় ৫-৬ মিনিট পর সেটি আবার ফিরে এসে রুদ্র বয়ড়া জামে মসজিদের মাঠে এবং কয়েকজন যুবকের অবস্থান নেওয়াকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও সংশয় দেখা দিয়েছে। তবে অ্যাম্বুলেন্সটি কী উদ্দেশ্যে সেখানে গিয়েছিল জানতে  ড্রাইভার কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি ঘুম পাড়ার জন্য অবস্থান নিয়েছিলেন বলে স্থানীয়দের জানিয়েছেন।

প্রধান শিক্ষক জানান, রুদ্র বয়ড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাইনুল ইসলাম ঘটনাটি দেখতে পেয়ে বিষয়টি রুদ্র বয়ড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জানাতে বলেন। খবর পেয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষক আলম, জাকির, তানিয়া ও বিউটিসহ স্থানীয় জহুরুল হক বাদশা, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে যান। এ সময় লোকজন জড়ো হতে দেখে হামলাকারীরা পালিয়ে যায় বলে দাবি করেন তিনি।

পরে ছেঁড়া পাঞ্জাবি ও গেঞ্জি এবং শরীরে আঘাতের চিহ্নসহ প্রধান শিক্ষককে উদ্ধার করে একটি বাড়িতে নেওয়া হয়। এ সময় ঘটনাস্থলে পড়ে থাকা একটি মোটরসাইকেল শিক্ষার্থীরা ভাঙচুর করেছে বলে জানা গেছে।

প্রধান শিক্ষক ছাইফুর রহমান বাছেদ বলেন, “আমাকে প্রথমে মোটরসাইকেলসহ সড়কে ফেলে দেওয়া হয়। পরে টেনে-হিঁচড়ে অ্যাম্বুলেন্সে তোলার চেষ্টা করা হয়। সেখানে নিতে না পেরে মসজিদের পেছনে নিয়ে মারধর করা হয়েছে। আমার আশঙ্কা, আমাকে অপহরণ করে গুম করার উদ্দেশ্যেও এ ঘটনা ঘটানো হয়ে থাকতে পারে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাই।

পোগলদিঘা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মামুনুর রশিদ ফকির বলেন, “প্রধান শিক্ষক ছাইফুর রহমানকে কিছু অপরিচিত যুবক মারধর করেছে বলে জেনেছি। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

রুদ্র বয়ড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নুরুল আমীন শামীমের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

সরিষাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন বলেন, “ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর কবীর বলেন, “বিষয়টি আমরা জেনেছি। তবে প্রধান শিক্ষক আমাদের লিখিতভাবে অবগত করেননি। লিখিত অভিযোগ পেলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা আফসানার সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ না করায় তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ