ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পীরগাছায় কিশোরীকে উত্ত্যক্তের ঘটনায় অভিযুক্ত দুলাল গ্রেপ্তার

পীরগাছায় কিশোরীকে উত্ত্যক্তের ঘটনায় অভিযুক্ত দুলাল গ্রেপ্তার

ঠাকুরগাঁও- শুন্য ১ আসন নির্বাচন উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ঠাকুরগাঁও- শুন্য ১ আসন নির্বাচন উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

তিস্তায় অবৈধ পাথর উত্তোলন বিরোধী টাস্কফোর্স অভিযানে মেশিন জব্দ, ট্রাক আটক

তিস্তায় অবৈধ পাথর উত্তোলন বিরোধী টাস্কফোর্স অভিযানে মেশিন জব্দ, ট্রাক আটক

​ইসলামপুর আব্দুস সামাদ পারভেজ মহিলা কলেজে শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

​ইসলামপুর আব্দুস সামাদ পারভেজ মহিলা কলেজে শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

ধুনটে ইমামদের ১২ দিনব্যাপী ফ্রি কুরআন শিক্ষা প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ধুনটে ইমামদের ১২ দিনব্যাপী ফ্রি কুরআন শিক্ষা প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

শান্তিগঞ্জের বগুলারকাড়া গ্রামের আলমপুর সরকারী পাথমিক বিদ্যালয় মাঠে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হলো দাওয়াতী উৎসব কাবাডি খেলা

শান্তিগঞ্জের বগুলারকাড়া গ্রামের আলমপুর সরকারী পাথমিক বিদ্যালয় মাঠে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হলো দাওয়াতী উৎসব কাবাডি খেলা

জঙ্গল সলিমপুরের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের লক্ষ্যে সভা অনুষ্ঠিত

জঙ্গল সলিমপুরের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের লক্ষ্যে সভা অনুষ্ঠিত

দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা নিশ্চিতের নির্দেশ দিলেন নাদিয়া পাঠান পাপন

দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা নিশ্চিতের নির্দেশ দিলেন নাদিয়া পাঠান পাপন

নেত্রকোণা সরকারি কলেজের প্রভাষকের নিয়োগ নিয়ে অভিযোগ

নেত্রকোণা সরকারি কলেজের প্রভাষকের নিয়োগ নিয়ে অভিযোগ

নেত্রকোণা সরকারি কলেজের প্রভাষকের নিয়োগ নিয়ে অভিযোগ

মোঃ রাসেল আহমেদ নেত্রকোণা প্রতিনিধি:- নেত্রকোণা সরকারি কলেজের দর্শন বিভাগের প্রভাষক মোহাম্মদ আবু সায়েমের নিয়োগের বৈধতা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। তাঁর বেসরকারি পর্যায়ের নিয়োগ এবং পরবর্তী সময়ে আত্তীকরণের মাধ্যমে সরকারি চাকরিতে নিয়োগের প্রক্রিয়া বিধিসম্মত ছিল কি না, তা তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে গত ১১ সেপ্টেম্বর লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। বুধবার নেত্রকোণার জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অভিযোগকারী লিখিত অভিযোগে নিজের পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক বলে উল্লেখ করেছেন। তবে পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তিনি একজন প্রভাষক।

অভিযোগ ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্রে বলা হয়েছে, মোহাম্মদ আবু সায়েম ২০০৭ সালে নেত্রকোণার মদন উপজেলার হাজী আব্দুল আজিজ খান ডিগ্রি কলেজে দর্শন বিভাগের প্রভাষক পদে বেসরকারিভাবে নিয়োগ পান। অভিযোগকারীর দাবি, ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দর্শন বিভাগে লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হয়নি এবং মৌখিক পরীক্ষায় একজন প্রার্থীই অংশ নেন। পরে তাঁকেই নিয়োগ দেওয়া হয়।

অভিযোগকারীর আরও দাবি, একটি পদের বিপরীতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক প্রার্থী না থাকলে বাছাই প্রক্রিয়া প্রতিযোগিতামূলক হয় না। ফলে ওই নিয়োগের ক্ষেত্রে বিধি অনুসরণ করা হয়েছিল কি না, তা যাচাই করা প্রয়োজন। পরবর্তী সময়ে ২০১৩ সালে কলেজটি জাতীয়করণ হলে আত্তীকরণের মাধ্যমে আবু সায়েম সরকারি চাকরিতে নিয়োগ পান। অভিযোগকারীর দাবি, বেসরকারি নিয়োগে কোনো বিধিগত ত্রুটি থেকে থাকলে পরবর্তী আত্তীকরণের বৈধতাও প্রশ্নের মুখে পড়ে।

অভিযোগে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই করে তাঁর বেসরকারি নিয়োগ ও পরবর্তী সরকারি চাকরিতে আত্তীকরণের বৈধতা নির্ধারণ এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

তবে অভিযোগের সঙ্গে একমত নন সরকারি হাজী আব্দুল আজিজ খান ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আব্দুল হক। তিনি বলেন, ২০০৭ সালে মোহাম্মদ আবু সায়েমসহ দুজন প্রভাষক নিয়োগ দেওয়া হয়। তিনি ওই নিয়োগ বোর্ডের সদস্য ছিলেন এবং তৎকালীন নেত্রকোণা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মহাপরিচালকের প্রতিনিধি হিসেবে বোর্ডে ছিলেন। তাঁর দাবি, প্রত্যেক পদের বিপরীতে নির্দিষ্ট সংখ্যক প্রার্থী উপস্থিত ছিলেন এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর তাঁদের নিয়োগ দেওয়া হয়। ফলে নিয়োগে কোনো নিয়মের ব্যত্যয় ঘটেনি।

এ বিষয়ে প্রভাষক মোহাম্মদ আবু সায়েম বলেন, দুটি পদের বিপরীতে ১৩ জন প্রার্থী আবেদন করেছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১১ জন লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেননি। ফলে দুটি পদের বিপরীতে তিনি ও অপর একজন প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেন। তাঁর ভাষ্য, প্রতি পদের বিপরীতে তিনজন প্রার্থী থাকার বিধান থাকলেও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের অনুমোদন নেওয়ার পর তাঁদের নিয়োগ দেওয়া হয়। তাই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম হয়নি।

অভিযোগটি প্রতিহিংসামূলক দাবি করে আবু সায়েম বলেন, “পরিচিত একজন ব্যক্তি প্রতিহিংসা থেকে এ অভিযোগ করেছেন। অভিযোগটি পুরোপুরি মিথ্যা।”

জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান বলেন, “অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করা হবে। দ্রুতই অভিযোগটি তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে বলা হবে।”

তদন্তের পর সংশ্লিষ্ট নথিপত্র ও নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রকৃত অবস্থা স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


নেত্রকোণা সরকারি কলেজের প্রভাষকের নিয়োগ নিয়ে অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

নেত্রকোণা সরকারি কলেজের প্রভাষকের নিয়োগ নিয়ে অভিযোগ

মোঃ রাসেল আহমেদ নেত্রকোণা প্রতিনিধি:- নেত্রকোণা সরকারি কলেজের দর্শন বিভাগের প্রভাষক মোহাম্মদ আবু সায়েমের নিয়োগের বৈধতা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। তাঁর বেসরকারি পর্যায়ের নিয়োগ এবং পরবর্তী সময়ে আত্তীকরণের মাধ্যমে সরকারি চাকরিতে নিয়োগের প্রক্রিয়া বিধিসম্মত ছিল কি না, তা তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে গত ১১ সেপ্টেম্বর লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। বুধবার নেত্রকোণার জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অভিযোগকারী লিখিত অভিযোগে নিজের পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক বলে উল্লেখ করেছেন। তবে পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তিনি একজন প্রভাষক।

অভিযোগ ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্রে বলা হয়েছে, মোহাম্মদ আবু সায়েম ২০০৭ সালে নেত্রকোণার মদন উপজেলার হাজী আব্দুল আজিজ খান ডিগ্রি কলেজে দর্শন বিভাগের প্রভাষক পদে বেসরকারিভাবে নিয়োগ পান। অভিযোগকারীর দাবি, ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দর্শন বিভাগে লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হয়নি এবং মৌখিক পরীক্ষায় একজন প্রার্থীই অংশ নেন। পরে তাঁকেই নিয়োগ দেওয়া হয়।

অভিযোগকারীর আরও দাবি, একটি পদের বিপরীতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক প্রার্থী না থাকলে বাছাই প্রক্রিয়া প্রতিযোগিতামূলক হয় না। ফলে ওই নিয়োগের ক্ষেত্রে বিধি অনুসরণ করা হয়েছিল কি না, তা যাচাই করা প্রয়োজন। পরবর্তী সময়ে ২০১৩ সালে কলেজটি জাতীয়করণ হলে আত্তীকরণের মাধ্যমে আবু সায়েম সরকারি চাকরিতে নিয়োগ পান। অভিযোগকারীর দাবি, বেসরকারি নিয়োগে কোনো বিধিগত ত্রুটি থেকে থাকলে পরবর্তী আত্তীকরণের বৈধতাও প্রশ্নের মুখে পড়ে।

অভিযোগে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই করে তাঁর বেসরকারি নিয়োগ ও পরবর্তী সরকারি চাকরিতে আত্তীকরণের বৈধতা নির্ধারণ এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

তবে অভিযোগের সঙ্গে একমত নন সরকারি হাজী আব্দুল আজিজ খান ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আব্দুল হক। তিনি বলেন, ২০০৭ সালে মোহাম্মদ আবু সায়েমসহ দুজন প্রভাষক নিয়োগ দেওয়া হয়। তিনি ওই নিয়োগ বোর্ডের সদস্য ছিলেন এবং তৎকালীন নেত্রকোণা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মহাপরিচালকের প্রতিনিধি হিসেবে বোর্ডে ছিলেন। তাঁর দাবি, প্রত্যেক পদের বিপরীতে নির্দিষ্ট সংখ্যক প্রার্থী উপস্থিত ছিলেন এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর তাঁদের নিয়োগ দেওয়া হয়। ফলে নিয়োগে কোনো নিয়মের ব্যত্যয় ঘটেনি।

এ বিষয়ে প্রভাষক মোহাম্মদ আবু সায়েম বলেন, দুটি পদের বিপরীতে ১৩ জন প্রার্থী আবেদন করেছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১১ জন লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেননি। ফলে দুটি পদের বিপরীতে তিনি ও অপর একজন প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেন। তাঁর ভাষ্য, প্রতি পদের বিপরীতে তিনজন প্রার্থী থাকার বিধান থাকলেও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের অনুমোদন নেওয়ার পর তাঁদের নিয়োগ দেওয়া হয়। তাই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম হয়নি।

অভিযোগটি প্রতিহিংসামূলক দাবি করে আবু সায়েম বলেন, “পরিচিত একজন ব্যক্তি প্রতিহিংসা থেকে এ অভিযোগ করেছেন। অভিযোগটি পুরোপুরি মিথ্যা।”

জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান বলেন, “অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করা হবে। দ্রুতই অভিযোগটি তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে বলা হবে।”

তদন্তের পর সংশ্লিষ্ট নথিপত্র ও নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রকৃত অবস্থা স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ