ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

আগামীকাল অষ্টধারে আসছেন এমপি আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ: কৃষি প্রকল্প উদ্বোধন ঘিরে উৎসবের আমেজ এ​এইচএম মাজহারুল আজাদ বুলবুল

আগামীকাল অষ্টধারে আসছেন এমপি আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ: কৃষি প্রকল্প উদ্বোধন ঘিরে উৎসবের আমেজ এ​এইচএম মাজহারুল আজাদ বুলবুল

মদনে বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক ইয়ার আহম্মদের শেষ বিদায়, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন

মদনে বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক ইয়ার আহম্মদের শেষ বিদায়, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন

বীর মুক্তিযোদ্ধা  সাবেক চেয়ারম্যান মোঃসাইদুর রহমান আর নেই।

বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক চেয়ারম্যান মোঃসাইদুর রহমান আর নেই।

উৎসবমুখর আয়োজনে নেত্রকোণায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

উৎসবমুখর আয়োজনে নেত্রকোণায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

এশিয়াপোস্ট-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন সংবাদপত্রের হারানো আস্থা ফিরিয়ে আনার আহ্বান ড. আসিফ মিজানের

এশিয়াপোস্ট-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন সংবাদপত্রের হারানো আস্থা ফিরিয়ে আনার আহ্বান ড. আসিফ মিজানের

মাদারীপুরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় পথচারী নিহত

মাদারীপুরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় পথচারী নিহত

পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে ঐতিহাসিক বারআউলিয়ার মাজার শরীফ পরিদর্শনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার

পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে ঐতিহাসিক বারআউলিয়ার মাজার শরীফ পরিদর্শনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার

নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ,নবান্নে গান অফ স্যালুট দিয়ে সম্বর্ধনা জানালেন।

নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ,নবান্নে গান অফ স্যালুট দিয়ে সম্বর্ধনা জানালেন।

কুড়িগ্রাম জেলা রেজিষ্ট্রার অফিসে দুঃসাহসিক চুরি: একাধিক কক্ষে ভাঙচুর, নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় প্রশ্ন

কুড়িগ্রাম জেলা রেজিষ্ট্রার অফিসে দুঃসাহসিক চুরি: একাধিক কক্ষে ভাঙচুর, নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় প্রশ্ন

কুড়িগ্রাম জেলা রেজিষ্ট্রার অফিসে দুঃসাহসিক চুরি: একাধিক কক্ষে ভাঙচুর, নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় প্রশ্ন

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:  কুড়িগ্রাম জেলা রেজিস্ট্রি অফিসে গভীর রাতে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টার দিকে সংঘটিত এ ঘটনায় নিচতলা থেকে শুরু করে দোতলা ও তিনতলার একাধিক কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার  সকালে অফিস খোলার পর একে একে সামনে আসে ভাঙচুরের ভয়াবহ চিত্র।

অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. জাকেরুল হকের কক্ষের ড্রয়ারসহ তিনটি আলমারি ভেঙে তছনছ করা হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে কোনো গুরুত্বপূর্ণ নথি বা ফাইল খোয়া যাওয়ার তথ্য পাওয়া যায়নি।

টিসি সহকারী ইউনুস আলী জানান, তার কক্ষেও একইভাবে ভাঙচুর চালিয়ে ড্রয়ার ভেঙে ফেলা হয়েছে এবং কাগজপত্র এলোমেলো অবস্থায় ছড়িয়ে রাখা হয়েছে।

চুরির ঘটনাটি প্রথম দেখতে পান দপ্তর সহায়ক আবুল হোসেন, যিনি নৈশ প্রহরীর দায়িত্বেও ছিলেন। তিনি জানান, সন্ধ্যায় অফিসের লাইট জ্বালিয়ে খাবারের জন্য বাসায় যান। পরে ফিরে এসে দেখেন অফিসের গ্রিল ও তালা ভাঙা অবস্থায় পড়ে আছে।

সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো—ঘটনার পরপরই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অবহিত করা হলেও রাতে কোনো দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ঘটনাস্থলে উপস্থিত হননি। এমনকি এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত থানায় কোনো সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়নি বলেও জানা গেছে।

আরও বিস্ময়ের বিষয়, অফিসে স্থাপিত সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ থাকা সত্ত্বেও তা পর্যালোচনায় ব্যর্থ হয়েছেন কর্তৃপক্ষ। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, কীভাবে ফুটেজ বের করতে হয় সে বিষয়ে তাদের ধারণা নেই—যা নিরাপত্তা ব্যবস্থার চরম দুর্বলতাকে স্পষ্ট করে।

এদিকে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ ও ভুক্তভোগীরা বলছেন, রেজিস্ট্রি অফিস একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠান, যেখানে সংরক্ষিত থাকে জমি ও সম্পত্তি সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ দলিল। এসব নথি ক্ষতিগ্রস্ত বা চুরি হলে নাগরিকদের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় স্বার্থও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তারা দ্রুত ও স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

জেলা রেজিস্ট্রার মো. রুহুল কুদ্দুছ বলেন, “দুর্বৃত্তরা একাধিক কক্ষে প্রবেশ করলেও কোনো নথি, কম্পিউটার বা ল্যাপটপ নিয়ে যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, টাকার খোঁজেই তারা প্রবেশ করেছিল। তবে অফিসে নগদ অর্থ না থাকায় বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি।”

তবে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানে এমন নিরাপত্তাহীনতা, ঘটনার পর তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণে গাফিলতি এবং প্রযুক্তিগত অদক্ষতা—সব মিলিয়ে পুরো ঘটনাটি ঘিরে জনমনে তৈরি হয়েছে তীব্র উদ্বেগ ও প্রশ্ন। সংশ্লিষ্টদের মতে, সিসিটিভি ফুটেজ দ্রুত বিশ্লেষণ এবং আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে প্রকৃত রহস্য আড়ালেই থেকে যেতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬


কুড়িগ্রাম জেলা রেজিষ্ট্রার অফিসে দুঃসাহসিক চুরি: একাধিক কক্ষে ভাঙচুর, নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় প্রশ্ন

প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬

featured Image

কুড়িগ্রাম জেলা রেজিষ্ট্রার অফিসে দুঃসাহসিক চুরি: একাধিক কক্ষে ভাঙচুর, নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় প্রশ্ন

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:  কুড়িগ্রাম জেলা রেজিস্ট্রি অফিসে গভীর রাতে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টার দিকে সংঘটিত এ ঘটনায় নিচতলা থেকে শুরু করে দোতলা ও তিনতলার একাধিক কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার  সকালে অফিস খোলার পর একে একে সামনে আসে ভাঙচুরের ভয়াবহ চিত্র।

অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. জাকেরুল হকের কক্ষের ড্রয়ারসহ তিনটি আলমারি ভেঙে তছনছ করা হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে কোনো গুরুত্বপূর্ণ নথি বা ফাইল খোয়া যাওয়ার তথ্য পাওয়া যায়নি।

টিসি সহকারী ইউনুস আলী জানান, তার কক্ষেও একইভাবে ভাঙচুর চালিয়ে ড্রয়ার ভেঙে ফেলা হয়েছে এবং কাগজপত্র এলোমেলো অবস্থায় ছড়িয়ে রাখা হয়েছে।

চুরির ঘটনাটি প্রথম দেখতে পান দপ্তর সহায়ক আবুল হোসেন, যিনি নৈশ প্রহরীর দায়িত্বেও ছিলেন। তিনি জানান, সন্ধ্যায় অফিসের লাইট জ্বালিয়ে খাবারের জন্য বাসায় যান। পরে ফিরে এসে দেখেন অফিসের গ্রিল ও তালা ভাঙা অবস্থায় পড়ে আছে।

সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো—ঘটনার পরপরই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অবহিত করা হলেও রাতে কোনো দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ঘটনাস্থলে উপস্থিত হননি। এমনকি এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত থানায় কোনো সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়নি বলেও জানা গেছে।

আরও বিস্ময়ের বিষয়, অফিসে স্থাপিত সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ থাকা সত্ত্বেও তা পর্যালোচনায় ব্যর্থ হয়েছেন কর্তৃপক্ষ। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, কীভাবে ফুটেজ বের করতে হয় সে বিষয়ে তাদের ধারণা নেই—যা নিরাপত্তা ব্যবস্থার চরম দুর্বলতাকে স্পষ্ট করে।

এদিকে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ ও ভুক্তভোগীরা বলছেন, রেজিস্ট্রি অফিস একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠান, যেখানে সংরক্ষিত থাকে জমি ও সম্পত্তি সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ দলিল। এসব নথি ক্ষতিগ্রস্ত বা চুরি হলে নাগরিকদের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় স্বার্থও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তারা দ্রুত ও স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

জেলা রেজিস্ট্রার মো. রুহুল কুদ্দুছ বলেন, “দুর্বৃত্তরা একাধিক কক্ষে প্রবেশ করলেও কোনো নথি, কম্পিউটার বা ল্যাপটপ নিয়ে যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, টাকার খোঁজেই তারা প্রবেশ করেছিল। তবে অফিসে নগদ অর্থ না থাকায় বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি।”

তবে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানে এমন নিরাপত্তাহীনতা, ঘটনার পর তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণে গাফিলতি এবং প্রযুক্তিগত অদক্ষতা—সব মিলিয়ে পুরো ঘটনাটি ঘিরে জনমনে তৈরি হয়েছে তীব্র উদ্বেগ ও প্রশ্ন। সংশ্লিষ্টদের মতে, সিসিটিভি ফুটেজ দ্রুত বিশ্লেষণ এবং আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে প্রকৃত রহস্য আড়ালেই থেকে যেতে পারে।




ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ