নীলফামারী জলঢাকায় উপজেলায় জমে উঠেছে পশুর হাট
আশীষ বিশ্বাস নীলফামারী র্প্রতিনিধি:-নীলফামারীতে আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে জলঢাকা উপজেলায় জমে উঠতে শুরু করেছে কোরবানির পশুর হাটগুলো। আজ শনিবার (২২ মে) নির্ধারিত হাটবারে সকাল থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে খামারি ও সাধারণ বিক্রেতারা তাদের লালিত-পালিত পশু নিয়ে হাটে আসতে শুরু করেন। দুপুরের আগেই পুরো হাট প্রাঙ্গণ দেশীয় জাতের গরুর ব্যাপক আমদানিতে মুখর হয়ে ওঠে।
সরেজমিনে জলঢাকার পশুর হাট ঘুরে দেখা যায়, ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মিলনমেলায় চারদিকে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। মাঠের চারিদিকে শুধু ক্রেতা-বিক্রেতাই নন, বাহারি পশুর সমাহার দেখতে উপচেপড়া দর্শনার্থীদের ভিড়ও ছিল চোখে পড়ার মতো। হাটে আসা লাল, কালো ও সাদা রঙের ছোট-বড় বিভিন্ন সাইজের আকর্ষণীয় সব গরু দেখতে এবং দরদাম করতে ক্রেতাদের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে উৎসুক মনে ঘুরে বেড়াতে দেখা গেছে।
জলঢাকার পশুর হাটের ইজারাদার মো. রোকনুজ্জামান বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে জানান, "হাটে গরুর আমদানি অত্যন্ত সন্তোষজনক এবং বাজার পশুতে ভরপুর। তবে সেই তুলনায় বেচা-কেনা এখনো পুরোপুরি জমে ওঠেনি। অনেক ক্রেতাই এখন বাজার যাচাই করছেন। আশা করছি, আগামী হাটবারগুলোতে বেচাকেনা আরও কয়েক গুণ বৃদ্ধি পাবে এবং খামারিরা কাঙ্ক্ষিত দাম পাবেন।"
এদিকে পশুর হাটে বড় অঙ্কের আর্থিক লেনদেন হওয়ায় জালিয়াতি চক্রের তৎপরতা রোধে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সুবিধার্থে এবং জাল নোট শনাক্তকরণের জন্য সোনালী ব্যাংকের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ বুথ স্থাপন করা হয়েছে। এর ফলে ব্যবসায়ী ও সাধারণ ক্রেতারা নিরাপদে তাদের আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন করতে পারছেন।
পাশাপাশি হাটের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা বা পকেটমার ও অজ্ঞান পার্টির দৌরাত্ম্য রুখতে উপজেলা পুলিশের নেতৃত্বে একটি চৌকস দল পুরো মাঠ জুড়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। পুলিশের এই তৎপরতার কারণে হাটে আগত সাধারণ মানুষ স্বস্তির সাথে পশু কেনাবেচা করতে পারছেন।

রোববার, ২৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
নীলফামারী জলঢাকায় উপজেলায় জমে উঠেছে পশুর হাট
আশীষ বিশ্বাস নীলফামারী র্প্রতিনিধি:-নীলফামারীতে আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে জলঢাকা উপজেলায় জমে উঠতে শুরু করেছে কোরবানির পশুর হাটগুলো। আজ শনিবার (২২ মে) নির্ধারিত হাটবারে সকাল থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে খামারি ও সাধারণ বিক্রেতারা তাদের লালিত-পালিত পশু নিয়ে হাটে আসতে শুরু করেন। দুপুরের আগেই পুরো হাট প্রাঙ্গণ দেশীয় জাতের গরুর ব্যাপক আমদানিতে মুখর হয়ে ওঠে।
সরেজমিনে জলঢাকার পশুর হাট ঘুরে দেখা যায়, ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মিলনমেলায় চারদিকে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। মাঠের চারিদিকে শুধু ক্রেতা-বিক্রেতাই নন, বাহারি পশুর সমাহার দেখতে উপচেপড়া দর্শনার্থীদের ভিড়ও ছিল চোখে পড়ার মতো। হাটে আসা লাল, কালো ও সাদা রঙের ছোট-বড় বিভিন্ন সাইজের আকর্ষণীয় সব গরু দেখতে এবং দরদাম করতে ক্রেতাদের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে উৎসুক মনে ঘুরে বেড়াতে দেখা গেছে।
জলঢাকার পশুর হাটের ইজারাদার মো. রোকনুজ্জামান বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে জানান, "হাটে গরুর আমদানি অত্যন্ত সন্তোষজনক এবং বাজার পশুতে ভরপুর। তবে সেই তুলনায় বেচা-কেনা এখনো পুরোপুরি জমে ওঠেনি। অনেক ক্রেতাই এখন বাজার যাচাই করছেন। আশা করছি, আগামী হাটবারগুলোতে বেচাকেনা আরও কয়েক গুণ বৃদ্ধি পাবে এবং খামারিরা কাঙ্ক্ষিত দাম পাবেন।"
এদিকে পশুর হাটে বড় অঙ্কের আর্থিক লেনদেন হওয়ায় জালিয়াতি চক্রের তৎপরতা রোধে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সুবিধার্থে এবং জাল নোট শনাক্তকরণের জন্য সোনালী ব্যাংকের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ বুথ স্থাপন করা হয়েছে। এর ফলে ব্যবসায়ী ও সাধারণ ক্রেতারা নিরাপদে তাদের আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন করতে পারছেন।
পাশাপাশি হাটের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা বা পকেটমার ও অজ্ঞান পার্টির দৌরাত্ম্য রুখতে উপজেলা পুলিশের নেতৃত্বে একটি চৌকস দল পুরো মাঠ জুড়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। পুলিশের এই তৎপরতার কারণে হাটে আগত সাধারণ মানুষ স্বস্তির সাথে পশু কেনাবেচা করতে পারছেন।

আপনার মতামত লিখুন