ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

হরিশ চ্যাটার্জী স্ট্রিটে মমতা ব্যানার্জির বাড়িতে- সিআইডি তল্লাশি

হরিশ চ্যাটার্জী স্ট্রিটে মমতা ব্যানার্জির বাড়িতে- সিআইডি তল্লাশি

হরিশ চ্যাটার্জী স্ট্রিটে মমতা ব্যানার্জির বাড়িতে- সিআইডি তল্লাশি 

আজ ৯ই জুন মঙ্গলবার, কালীঘাটের ৩২বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে মমতা ব্যানার্জির বাড়িতে দুপুর পৌনে বারোটা নাগাদ সিআইডি তল্লাশি করতে উপস্থিত হন। এবং সিআইডি অফিসাররা  বাধা প্রাপ্ত হন। প্রথমে তাহাদেরকে ঢুকতে দেওয়া হয় না। বাইরেই অপেক্ষা করতে থাকেন। 

যানাযায় বিধানসভায় বিধায়কদের সই জাল কান্ড কে কেন্দ্র করেই  , সমস্ত নথি হাতে নিয়ে প্রায় 18 থেকে 20 জন সিআইডি অফিসার সর্বভারতীয় তৃণমূলের কার্যালয় এবং মমতা ব্যানার্জির বাড়িতে তল্লাশিতে আসেন।

কিন্তু আজ মাননীয়া মমতা ব্যানার্জি ও অভিষেক ব্যানার্জি দিল্লিতে থাকায়, হাজির হতে পারেননি, এদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কে সিআইডি ভবানী ভবনে তলব করেন, তিনি উপস্থিত হতে না পারায় একটি চিঠি মারফত জানিয়ে দেন, সিআইডিদের তরফ থেকে জানানো হয় তিন তিনবার কে পাঠানো হয়েছিল একবার উপস্থিত হননি। 

এই তল্লাশি অভিযানে কিছুক্ষণ বাদে উপস্থিত হন, পশ্চিম বেহালার বিধায়ক শুভাশিস চক্রবর্তী, কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র এবং বেলেঘাটার বিধায়ক কুনাল ঘোষ ও  কল্যাণ ব্যানার্জি। 

সিআইডি অফিসাররা ঘন্টাখানেক অপেক্ষা করার পর 8 থেকে 10 জনের প্রতিনিধি দলকে ভেতরে প্রবেশ করান, তারা ভেতরে প্রবেশ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি ও ভেতরে অফিস তল্লাশি করেন, বাইরে উপস্থিত ছিলেন প্রায় ১৫ থেকে ১৬ জন সিআইডি অফিসার মহিলা ও পুরুষ মিলে। 

কেন্দ্র বাহিনী ও  কালীঘাটের অফিসেররাও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন এবং এলাকার ঘিরে রাখেন, তবে অনেকের দাবি মালিক না থাকায় আমরা এই তল্লাশি মানবো না।  অন্যদিকে কল্যান মুখ ব্যানার্জি বলেন মিডিয়ার সামনে, ভেতরে সব বিজেপির লোক, তারাই ওখানে তদন্তে যুক্ত রয়েছেন। cid অফিসাররা কয়েক ঘণ্টা ধরে তল্লাশি করতে থাকেন। 

কুনাল ঘোষ বলেন আমি কাজে বেরিয়েছিলাম এবং এখানেও আমার আশা ছিল কিন্তু হঠাৎ জানতে পারি সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জির বাড়িতে সিআইডি এসেছে। তাই আমি তড়িঘড়ি এখানে চলে আসি। তবে সিআইডি অফিসাররা কল্যাণ ব্যানার্জীর ছাড়া কাউকেই ভেতরে প্রবেশের অনুমতি দেননি। সিআইডি অফিসারদের ধারণা, মূল কার্যালয় ও মমতা ব্যানার্জির বাড়িতে তদন্তের স্বার্থে কিছু নথি পাওয়া যেতে পারে, তাই তাহাদের অভিযান ও তল্লাশি। 

এই হরিশ চ্যাটার্জি রোডের রাস্তায় অর্থাৎ মমতা ব্যানার্জির বাড়ির সামনে মানুষ চলাচল করতে পারত না নিশেধাজ্ঞা জারি থাকতো, আজ সাধারণ মানুষ অনা আসে বাড়ির সামনে দিয়ে চলাফেরা করতে পারছেন। সাধারণ মানুষ সন্তুষ্ট। 



আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬


হরিশ চ্যাটার্জী স্ট্রিটে মমতা ব্যানার্জির বাড়িতে- সিআইডি তল্লাশি

প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬

featured Image

হরিশ চ্যাটার্জী স্ট্রিটে মমতা ব্যানার্জির বাড়িতে- সিআইডি তল্লাশি 

আজ ৯ই জুন মঙ্গলবার, কালীঘাটের ৩২বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে মমতা ব্যানার্জির বাড়িতে দুপুর পৌনে বারোটা নাগাদ সিআইডি তল্লাশি করতে উপস্থিত হন। এবং সিআইডি অফিসাররা  বাধা প্রাপ্ত হন। প্রথমে তাহাদেরকে ঢুকতে দেওয়া হয় না। বাইরেই অপেক্ষা করতে থাকেন। 

যানাযায় বিধানসভায় বিধায়কদের সই জাল কান্ড কে কেন্দ্র করেই  , সমস্ত নথি হাতে নিয়ে প্রায় 18 থেকে 20 জন সিআইডি অফিসার সর্বভারতীয় তৃণমূলের কার্যালয় এবং মমতা ব্যানার্জির বাড়িতে তল্লাশিতে আসেন।

কিন্তু আজ মাননীয়া মমতা ব্যানার্জি ও অভিষেক ব্যানার্জি দিল্লিতে থাকায়, হাজির হতে পারেননি, এদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কে সিআইডি ভবানী ভবনে তলব করেন, তিনি উপস্থিত হতে না পারায় একটি চিঠি মারফত জানিয়ে দেন, সিআইডিদের তরফ থেকে জানানো হয় তিন তিনবার কে পাঠানো হয়েছিল একবার উপস্থিত হননি। 

এই তল্লাশি অভিযানে কিছুক্ষণ বাদে উপস্থিত হন, পশ্চিম বেহালার বিধায়ক শুভাশিস চক্রবর্তী, কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র এবং বেলেঘাটার বিধায়ক কুনাল ঘোষ ও  কল্যাণ ব্যানার্জি। 

সিআইডি অফিসাররা ঘন্টাখানেক অপেক্ষা করার পর 8 থেকে 10 জনের প্রতিনিধি দলকে ভেতরে প্রবেশ করান, তারা ভেতরে প্রবেশ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি ও ভেতরে অফিস তল্লাশি করেন, বাইরে উপস্থিত ছিলেন প্রায় ১৫ থেকে ১৬ জন সিআইডি অফিসার মহিলা ও পুরুষ মিলে। 

কেন্দ্র বাহিনী ও  কালীঘাটের অফিসেররাও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন এবং এলাকার ঘিরে রাখেন, তবে অনেকের দাবি মালিক না থাকায় আমরা এই তল্লাশি মানবো না।  অন্যদিকে কল্যান মুখ ব্যানার্জি বলেন মিডিয়ার সামনে, ভেতরে সব বিজেপির লোক, তারাই ওখানে তদন্তে যুক্ত রয়েছেন। cid অফিসাররা কয়েক ঘণ্টা ধরে তল্লাশি করতে থাকেন। 

কুনাল ঘোষ বলেন আমি কাজে বেরিয়েছিলাম এবং এখানেও আমার আশা ছিল কিন্তু হঠাৎ জানতে পারি সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জির বাড়িতে সিআইডি এসেছে। তাই আমি তড়িঘড়ি এখানে চলে আসি। তবে সিআইডি অফিসাররা কল্যাণ ব্যানার্জীর ছাড়া কাউকেই ভেতরে প্রবেশের অনুমতি দেননি। সিআইডি অফিসারদের ধারণা, মূল কার্যালয় ও মমতা ব্যানার্জির বাড়িতে তদন্তের স্বার্থে কিছু নথি পাওয়া যেতে পারে, তাই তাহাদের অভিযান ও তল্লাশি। 

এই হরিশ চ্যাটার্জি রোডের রাস্তায় অর্থাৎ মমতা ব্যানার্জির বাড়ির সামনে মানুষ চলাচল করতে পারত না নিশেধাজ্ঞা জারি থাকতো, আজ সাধারণ মানুষ অনা আসে বাড়ির সামনে দিয়ে চলাফেরা করতে পারছেন। সাধারণ মানুষ সন্তুষ্ট। 




ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ