তানভীর ভুইয়া ব্রাক্ষণবাড়িয়া প্রতিনিধি ||
মেধার স্বীকৃতিতে বিজয়নগরে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে ২০২৬ সালের এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত এবং কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। মেধাবী শিক্ষার্থীদের সাফল্যের স্বীকৃতি ও ভবিষ্যৎ পথচলায় উৎসাহিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিজয়নগর উপজেলা শাখা এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় চম্পকনগর কলেজের হলরুমে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে আসা কৃতি শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক ও আমন্ত্রিত অতিথিরা অংশ নেন।অনুষ্ঠানে বিজয়নগর উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি হাফেজ রাশেদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং অফিস সম্পাদক আবু সালেহ সরকারের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় ফাউন্ডেশন সম্পাদক আব্দুল মুহাইমিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংগঠনের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সভাপতি জুলফিকার হায়দার রাফি। এ ছাড়া সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিজয়নগর উপজেলা আমির মাওলানা আবু সাঈদ সরকার।অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মাওলানা হারুন অর রশিদ আল-আযহারী, সাংবাদিক মো. সাদেকুল ইসলাম ভূঁইয়া, আদহাম মাইনুদ্দিন ও রেদুয়ান ভূঁইয়া।বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা ও মননের যথাযথ বিকাশের মাধ্যমেই একটি সমৃদ্ধ, সুশৃঙ্খল ও নৈতিক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জন গৌরবের বিষয় হলেও এর পাশাপাশি নৈতিক মূল্যবোধ, মানবিকতা, দায়িত্ববোধ ও দেশপ্রেমের চর্চা জরুরি।তারা আরও বলেন, আজকের মেধাবী শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনে রাষ্ট্র ও সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দেবে। তাই নিজেদের মেধা, যোগ্যতা ও সৃজনশীলতাকে জনকল্যাণে কাজে লাগাতে হবে। প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে অধ্যবসায়, শৃঙ্খলা ও সততার বিকল্প নেই।অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবক, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, সাংবাদিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ এবং ছাত্রশিবিরের স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে ২০২৬ সালের এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত এবং কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা স্মারক ও উপহারসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।