কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি ||
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ কোটি টাকার সম্পদের মালিক’ সংবাদটি মিথ্যা ও মানহানিকর- নাইমুল ইসলামকুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:- কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ নাইমুল ইসলামকে নিয়ে অনলাইন পত্রিকায় প্রকাশিত ‘শিক্ষকতার আড়ালে কোটি টাকার সম্পদের মালিক নাইমুল মাস্টার’ শিরোনামের সংবাদকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর দাবি করে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন নাইমুল ইসলাম মাস্টার।রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাতে দেওয়া এক প্রতিবাদলিপিতে নাইমুল ইসলাম বলেন,আমি দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে শিক্ষকতার পাশাপাশি স্টোক বিজনেস করে আসছি।যা সমাজের কাছের প্রমানিত।সৎ উপার্জন ব্যতিত অসৎ উদ্দেশ কখনও ছিল না ভবিষত এড়িয়ে চলার চেষ্টা করবো।তবে প্রকাশিত প্রতিবেদনে আমার বিরুদ্ধে সীমান্তপথে অবৈধ পণ্য প্রবেশে কমিশন আদায়, বিজিবির সোর্স হিসেবে কাজ করা এবং অবৈধভাবে কোটি কোটি টাকার সম্পদের মালিক হওয়ার যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তার কোনোটিই সত্য নয়।এ বিষয়ে বিজিবি'র পক্ষ থেকেও সুস্পষ্ট বক্তব্য না নিয়ে মনগড়া তথ্য প্রকাশ করায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বলে তিনি।তিনি আরো বলেন,যথাযথ তথ্য-প্রমাণ ও সংশ্লিষ্ট তথ্য যাচাই না করেই একজন সম্মানিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এসব গুরুতর অভিযোগ তুলে সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে। যা রাষ্ট্রের ৪র্থ স্তম্ভ তথা বস্তু নিষ্ঠ সংবাদ মাধ্যমকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে।এতে গণ মাধ্যমের উপর মানুষের আস্থা কমে যায়।সেই সাথে বক্তব্য খণ্ডিত ও ভিন্ন প্রেক্ষাপটে ব্যক্তিস্বার্থ আদায়ের উদ্দেশে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।নাইমুল ইসলাম প্রতিবাদলিপিতে বলেন,আমি দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত।পাশা পাশি মৌসুমি শস্য পাট ইত্যাদির স্টোক বিজনেস করে আসছি। আমার বিরুদ্ধে অবৈধ কর্মকাণ্ড বা অবৈধ সম্পদ অর্জনের কোনো অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যথাযথ তদন্ত করা যেতে পারে। তবে তদন্ত ও তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের আগেই এসব অভিযোগ সংবাদ আকারে প্রকাশ করায় আমার ও আমার পরিবারের সামাজিক ও পেশাগত মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে।প্রতিবাদলিপিতে তিনি আরও বলেন, প্রকাশিত প্রতিবেদনে তার পরিবার ও স্বজনদের নিয়েও বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। এতে তার পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের সামাজিক মর্যাদাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।নাইমুল ইসলাম প্রকাশিত সংবাদটির যথাযথ প্রতিবাদ ও সংশোধনী গণ মাধ্যম দুটিতে সঠিক তথ্য উপস্থাপন করে বস্তু নিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে মিথ্যা ও মানহানিকর তথ্য প্রকাশের ঘটনায় রাষ্ট্রের প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার সংরক্ষণ করেছেন বলেও প্রতিবাদলিপিতে উল্লেখ করেন।