কক্সবাজার থেকে আলআমিন জেলা প্রতিনিধি ||
অভিভাবকহীন কক্সবাজারকক্সবাজার থেকে আলআমিন জেলা প্রতিনিধি:- কক্সবাজার শহর আয়তনে ছোট হলেও পর্যটন এরিয়া হওয়ার কারণে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এর গুরুত্ব অনস্বীকার্য। কিন্তু আজ এই শহরটাই যেন অভিভাবকহীন!বৈধ-অবৈধ টমটম ও অটোরিকশা শহরের মানুষকে জিম্মি করে রেখেছে। তার সাথে যোগ হয়েছে ব্যাটারি চালিত ভ্যান গাড়ি ও ভাসমান হকারদের দৌরাত্ম্য। ফুটপাতের অধিকাংশ জায়গা পানের দোকান, ফলের দোকান এবং ভাসমান ব্যবসায়ীরা দখল করে রাখায় পায়ে হেঁটে চলাও অসম্ভব হয়ে পড়েছে।এই তীব্র যানজটের সুযোগ নিয়ে ছিনতাইকারীরা অবাধে ছিনতাই করে যাচ্ছে। হাসপাতাল কেন্দ্রিক দালাল চক্র গ্রামের সহজ-সরল মানুষকে ভুল বুঝিয়ে টাকা ও চিকিৎসা দুটোই হাতিয়ে নিচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দুর্বলতার সুযোগে প্রতিনিয়ত খুন-খারাবির ঘটনা ঘটছে।অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে কক্সবাজার শহর যেন বসবাসের অনুপযোগী হয়ে উঠছে।প্রশ্ন হলো, এ অবস্থা থেকে শহরবাসীকে মুক্তি ও স্বস্তি দেয়ার দায়িত্ব কার কক্সবাজারের গর্ব মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী? কক্সবাজারের দায়িত্বপ্রাপ্ত মাননীয় মন্ত্রী?মাননীয় সংসদ সদস্য, কক্সবাজার? নাকি জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন?নাকি কক্সবাজার পৌর কর্তৃপক্ষ?হ্যাঁ, মাঝে মধ্যে পৌর কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করে। কিন্তু সকালে ফুটপাত দখলমুক্ত করলে বিকালে আবার দখল হয়ে যায়। লোক দেখানো এই অভিযানে লাভ কী?তাহলে এই অবস্থার জন্য মন্ত্রী-এমপিদের সমন্বয়হীনতাই কি দায়ী? জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারের কাজ কি শুধু অফিসে বসে থাকা? বিরোধী দলেরও কি কোনো দায়-দায়িত্ব নেই? বিরোধী দল কি কোনোদিন এই জনগুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে কোনো কর্মসূচি পালন করেছে?দুর্ভাগ্য কক্সবাজারবাসীর! সত্যিই আজ কক্সবাজার অভিভাবকহীন!