মোঃ আবুল কালাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর উপজেলা প্রতিনিধি ||
নবীনগরের আহমেদ পুরে বাড়ির ময়লা পানি নেমে জলাবদ্ধতা, ফসল ফলাতে পারছেন না প্রবাস ফেরত যুবক। মোঃ আবুল কালাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর উপজেলা প্রতিনিধি:- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার লাউর ফতেহপুর ইউনিয়নের আহমেদপুর গ্রামে বাড়ির ময়লা-আবর্জনা ও পানির কারণে জমিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে। এতে ফসল ফলাতে পারছেন না বলে অভিযোগ করেছেন প্রবাস ফেরত যুবক পারভেজ আহমেদ।ভুক্তভোগী পারভেজ আহমেদ জানান, একই এলাকার জহিরুল ইসলামের বাড়ির পানি, গরুর গোবর ও ময়লা-আবর্জনা সরাসরি তার জমিতে এসে পড়ে। ফলে সারা বছর জমিতে পানি জমে থাকে। তিনি বলেন, জমিতে কোনো ফসল করতে পারছি না। নালিয়া পাট চাষ করেছিলাম, তাও নষ্ট হয়ে গেছে। জমি জহিরুল ইসলামের কাছে পত্তন না দেওয়ায় তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার জমিতে পানি ফেলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করছেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রতিবাদ করতে গেলে দা-লাঠি নিয়ে হামলা ও মামলার হুমকি দেওয়া হয়। ফলে আমি নিজ জমিতে যেতেও ভয় পাচ্ছি। প্রবাস থেকে ফিরে ওই জমিতে চাষাবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করার পরিকল্পনা ছিলো। এ বিষয়ে জহিরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী জানান, জমির দুই পাশে বাড়ি ও মাঝখানে ওই জমি থাকায় বাড়ির ও সড়কের পানি নেমে স্বাভাবিকভাবেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। এতে তাদের কোনো হাত নেই। উল্টো পারভেজ তার পুকুরের পাড় কেটে দেওয়ায় পুকুরের সব মাছ বের হয়ে গেছে বলে দাবি করেন তিনি।তিনি বলেন, এ নিয়ে তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে পারভেজ আমাকে মারাত্মকভাবে আহত করে। প্রথমে নবীনগর থানায় অভিযোগ করি। সালিশে জরিমানা করা হলে তারা তা না মেনে চলে আসে। পরে আমি বাদী হয়ে গত ৩০/০৮/২০২৬ তারিখে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি সি.আর মামলা করি, যার নং- ৯৯৭/২৬। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।স্থানীয়রা জানান, এ জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কয়েকবার হাতাহাতি ও সালিশ বৈঠক হয়েছে, তবে কোনো সমাধান হয়নি। সচেতন মহলের মতে, দুই পক্ষকে নিয়ে বসে সুষ্ঠু সমাধান করা না হলে বিরোধ আরও বড় আকার ধারণ করতে পারে।এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই কামালের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তিনি বদলি হয়ে গেছেন। বর্তমান দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাকে ফোনে না পাওয়ায় বিস্তারিত জানা যায়নি।