শরিফ মিয়া ইসলাম পুর জামাল পুর ||
ইসলামপুরে চরাঞ্চলের মানুষের ভরসা শেখ ওয়াদুদ জনপ্রিয়তায় শীর্ষে প্যানেল চেয়ারম্যানশরিফ মিয়া ইসলাম পুর জামাল পুর,,,, জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার যমুনা নদীবেষ্টিত দুর্গম চরাঞ্চল সাপধরী ইউনিয়নে জনপ্রিয়তার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন বর্তমান প্যানেল চেয়ারম্যান শেখ মো.আব্দুল ওয়াদুদ। দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন, এলাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা এবং সাধারণ মানুষের পাশে থাকার কারণে স্থানীয়দের মধ্যে তার গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।মৃত মো.মুজিবুর রহমান শেখের ছেলে শেখ মো. আব্দুল ওয়াদুদ ২০১৭ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত সাপধরী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাশারী ডোবা গ্রামের নির্বাচিত ইউপি সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি নিজ ওয়ার্ডের সড়ক যোগাযোগ ও বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখেন। পরবর্তীতে পুনরায় নির্বাচিত হয়ে প্যানেল চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পান। এরপর থেকে ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রয়েছেন তিনি।স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী,দুর্গম চরাঞ্চল ও নদীভাঙন প্রবণ সাপধরী ইউনিয়নের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে তিনি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সমন্বয় করে বিভিন্ন রাস্তা,ব্রিজ ও কালভার্ট নির্মাণে ভূমিকা রেখেছেন। পাশাপাশি সরকারি বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা ও উন্নয়ন প্রকল্পের সুবিধা সাধারণ মানুষের মধ্যে বিতরণে দায়িত্ব পালন করেছেন।এলাকাবাসী আরও জানান,সরকারি সহায়তার পাশাপাশি ব্যক্তিগত উদ্যোগেও তিনি স্থানীয় মসজিদ,মাদ্রাসা,এতিমখানা ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আর্থিক সহযোগিতা করে আসছেন। নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ও অসহায় মানুষের বিভিন্ন প্রয়োজনে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার কারণেও স্থানীয়দের মধ্যে তার পরিচিতি রয়েছে।কাশারী ডোবা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল রহিম,আসাদুজ্জামান বলেন,দিন কিংবা রাত- যেকোনো বিপদে আমরা ওয়াদুদ ভাইকে পাশে পাই। সাধারণ মানুষের সঙ্গে তার যোগাযোগ রয়েছে। আমরা তাকে আগামী দিনে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই।প্রজাপতি গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দা,শহিজল আকন্দ,আইয়ুব মন্ডল জানান, দীর্ঘদিন জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করলেও শেখ মো. আব্দুল ওয়াদুদের বিরুদ্ধে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ তাদের জানা নেই। মন্ডলপাড়ার মতিউর ইসলাম,আনিস ও চেঙ্গানিয়া গ্রামের তাজু সরকার বলেন, তিনি দল-মত নির্বিশেষে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেন। নদীভাঙন ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যে বসবাস করা মানুষের জন্য তিনি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন।স্থানীয়দের মতে,বাল্যবিয়ে,মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে শেখ মো.আব্দুল ওয়াদুদের অবস্থানও তাকে এলাকায় আলাদা পরিচিতি এনে দিয়েছে। এসব কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি জনসেবায় সক্রিয় থাকার কারণে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তাকে চেয়ারম্যান পদে দেখতে আগ্রহী অনেক ভোটার।প্রায় ১৪ হাজার ভোটারের সাপধরী ইউনিয়নটি যমুনা নদীর ভাঙন ও দুর্গম যোগাযোগব্যবস্থার কারণে দীর্ঘদিন ধরে নানা সমস্যার মুখোমুখি। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতে যে জনপ্রতিনিধিই দায়িত্ব নেন,তিনি যেন ইউনিয়নের যোগাযোগব্যবস্থা,শিক্ষা,স্বাস্থ্য,নদীভাঙন প্রতিরোধ এবং সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখেন। আর এ দৌড়ে স্থানীয়দের একাংশের পছন্দের তালিকায় রয়েছেন বর্তমান প্যানেল চেয়ারম্যান শেখ মো. আব্দুল ওয়াদুদ।