মনিরুল ইসলাম , সম্পাদক ও প্রকাশক ||
ফতুল্লায় দেওয়াল কে কেন্দ্র করে ইতালি প্রবাসী সহ ও স্ত্রীর উপর সন্ত্রাসী কায়দা হামলা : ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে: বিশেষ প্রতিনিধি, নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় বসতবাড়ির দেয়ালের আস্তর (প্লাস্টার) করাকে কেন্দ্র করে এক ইতালি প্রবাসী ও তার স্ত্রীর উপর নির্মম হামলার অভিযোগ উঠেছে ফতুল্লা থানা ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে । হামলায় গুরুতর আহত প্রবাসী খলিলুর রহমানের একটি চোখ সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। বর্তমানে পরিবার নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন ভুক্তভোগী পরিবারটি।অভিযুক্ত সাজ্জাত হোসেন সাজু ফতুল্লা থানা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং আসন্ন কমিটিতে সভাপতি পদপ্রার্থী হিসেবে নিজেকে দাবি করে আসছেন।স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীর পরিবারের সাথে কথা বলে জানা যায়, ফতুল্লার স্থানীয় বাসিন্দা প্রবাসী খলিলুর রহমান সম্প্রতি তার সীমানা প্রাচীর ও ভবনের দেয়ালের আস্তর করার কাজ শুরু করতে চাইলে । এতে বাধা দেন সাজ্জাত হোসেন সাজু তার ভাই সাব্বির হোসেন ইবনে মাহিদ ও তার মা অনুসারীরা।গত ২০/০৯/২০২৬ইং রোজ রবিবার দুপুর ১২: ০০ টায় দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে সাজু ও তার সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে প্রবাসী খলিলুর রহমান (৫৫) ও তার স্ত্রী সুইটি আক্তার (৩৭)ও তার প্রাপ্তবয়স্ক মেয়ে এর উপর অতর্কিত হামলা চালায়হামলাকারীরা খলিলুর রহমানকে লক্ষ্য করে উপর্যুপরি আঘাত করলে তার ডান চোখে গুরুতর আঘাত লাগে। স্বামীকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তার স্ত্রীকেও মেয়েকে বেধড়ক মারধর করা হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।উন্নত চিকিৎসার জন্য খলিলুর রহমানকে ঢাকার এক হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানান, চোখে মারাত্মক আঘাতের কারণে তার এক চোখের দৃষ্টিশক্তি চিরতরে হারিয়ে যাওয়ার তীব্র ঝুঁকি রয়েছে।আহত প্রবাসী খলিলুর রহমান বলেন, "নিজের কষ্টার্জিত টাকায় নিজের বাড়ীর কাজ করাটাই আমার অপরাধ হয়েছে। সাজু ও তার সন্ত্রাসীরা আমার চোখটা নষ্ট করে দিয়েছে। আমরা এখন পুরো পরিবার নিয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়ানোর উপক্রম হয়েছে , যেকোনো সময় তারা আমাদের ওপর আবার হামলা করতে পারে।"এদিকে ঘটনার পর থেকে এলাকা জুড়ে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। প্রবাসীর পরিবার এখন প্রাণভয়ে দিন কাটাচ্ছেন এবং বিষয়টি নিয়ে গত ২০ অক্টোবর বিকেলে ফতুল্লা থানা একটি অভিযোগ দায়ের করেন তাড়া।তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত সাজ্জাত হোসেন সাজুর সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি তার পিতা মহিউদ্দিন মোল্লাহ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন ।ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী, ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাহবুল আলম জানান ঘটনা সত্যতা সহ অভিযোগ পেয়েছি দ্রুত আইনানুগ প্রক্রিয়া দিন রয়েছে।