মোঃ রাসেল আহমেদ , মদন নেত্রকোনা প্রতিনিধি ||
মদনে বাসায় হামলা-ভাঙচুর, স্বর্ণ-টাকা লুটের অভিযোগে ৩ নারী গ্রেপ্তারমো. রাসেল আহমেদ, মদন (নেত্রকোনা) নেত্রকোনার মদনে একটি বাসায় হামলা, ভাঙচুর, মারধর এবং স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুটের অভিযোগে দুই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকাসহ তিন নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মদন পৌরসভার পচিকা মহিম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা আফরোজা আক্তার স্মৃতি (৩৬), পশ্চিম জাহাঙ্গীরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা লায়লা আক্তার লাবনী (৩২) এবং তাঁর মা মিলন আক্তার (৬০)।পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, মদন পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসসংলগ্ন সাবেক পুলিশ সদস্য হাবিলদার গিয়াস উদ্দিন তালুকদারের (৭০) বাসায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গত ৫ অক্টোবর রাতে সরকারি হাজী আব্দুল আজিজ খান ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক গিয়াস মাহমুদ রুবেল (৪৫) বাদী হয়ে মদন থানায় মামলা করেন। মামলায় আফরোজা আক্তার স্মৃতিকে প্রধান আসামি করে ছয়জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, গত ৪ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টার দিকে আফরোজা আক্তার স্মৃতি, তাঁর ছোট বোন লায়লা আক্তার লাবনী, তাঁদের মা মিলন আক্তারসহ ৫-৬ জন ওই বাসায় গিয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। এ সময় বাসার ভাড়াটিয়া আখাশ্রী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা হাফছাকে মারধর করা হয়। তাঁর গলায় থাকা আট আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন নিয়ে নেওয়া হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।পরে গিয়াস মাহমুদ রুবেলের মোবাইল ফোন ভেঙে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এরপর বাসার শোকেস ও আলমারি ভেঙে ১১ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ৭০ হাজার টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে।এ সময় গিয়াস মাহমুদ রুবেলের শাশুড়ি বাধা দিলে তাঁকেও মারধর করে দেয়ালের সঙ্গে ফেলে দেওয়া হয়। এতে তাঁর হাত ভেঙে যায় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালাহ উদ্দিন করিম বলেন, প্রভাষক গিয়াস মাহমুদ রুবেলের দায়ের করা মামলায় দুই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকাসহ তিন নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতের মাধ্যমে নেত্রকোনা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।তবে মামলায় অভিযুক্ত অন্য ব্যক্তিদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এবং তাঁদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।