কামরুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধি টেকনাফ কক্সবাজার ||
শালবাগান রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পৃথক ঘটনায় দুইজনের কারাদণ্ডপারিবারিক বিরোধে ছুরিকাঘাত, মাদকসেবনের অভিযোগে পৃথক সাজাবিশেষ প্রতিনিধি কামরুল ইসলাম টেকনাফ কক্সবাজার:- কক্সবাজারের টেকনাফের শালবাগান রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পৃথক ঘটনায় মারামারি ও ছুরিকাঘাতের মাধ্যমে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং মাদকসেবনের অভিযোগে দুই রোহিঙ্গাকে আটক করেছে ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাঁদের একজনকে এক মাস এবং অন্যজনকে ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে উখিয়া-টেকনাফের ক্যাম্প-২৬-এর পৃথক দুটি ব্লকে এসব ঘটনা ঘটে। পরে আটক ব্যক্তিদের ক্যাম্প-২৪-এর ক্যাম্প-ইনচার্জ (সিআইসি) কার্যালয়ে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়।এপিবিএন সূত্রে জানা গেছে, সকাল ৯টার দিকে ক্যাম্প-২৬-এর ব্লক-বি/৭ এলাকায় পারিবারিক কলহের জেরে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে নূর ইসলাম (২৪) নামের এক ব্যক্তি তাঁর শাশুড়ি মইওরা ও মা সমোদাকে ছুরি দিয়ে আঘাত করেন। এতে তাঁরা আহত হন। পরে তাঁদের ক্যাম্প-২৬-এর ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।ঘটনার খবর পেয়ে শালবাগান এপিবিএন ক্যাম্পের দিবাকালীন টহল দল অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত নূর ইসলামকে আটক করে। পরে তাঁকে ক্যাম্প-২৪-এর সিআইসি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। সেখানে সিআইসি জনাব খানজাদা শাহরিয়ার বিন মান্নানের পরিচালনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ১৮৮ ধারা লঙ্ঘনের দায়ে তাঁকে এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেন বলে এপিবিএন সূত্রে জানানো হয়েছে।অন্যদিকে, একই দিন সকাল ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে ক্যাম্প-২৬-এর ব্লক-এ/১ এলাকায় টহল দেওয়ার সময় সৈয়দ হোসেন (২৬) নামের আরেক ব্যক্তিকে মাদকসেবনরত অবস্থায় দেখতে পান এপিবিএন সদস্যরা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে তাঁকে আটক করা হয়।পরে সৈয়দ হোসেনকে ক্যাম্প-২৪-এর সিআইসি কার্যালয়ে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়। আদালত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৪২(১) ধারা লঙ্ঘনের দায়ে তাঁকে ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেন।এপিবিএন জানায়, পৃথক দুই ঘটনায় আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা দেওয়া হয়েছে। ঘটনাগুলো শালবাগান এপিবিএন ক্যাম্পের সাধারণ ডায়েরিতে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।