মোঃ আবুল হোসেন, সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি ||
যমুনা সার কারখানা পরিদর্শনে বিসিআইসির চেয়ারম্যান বাবুল মিঞাসরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি:- বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) চেয়ারম্যান মো. বাবুল মিঞা জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে অবস্থিত যমুনা সার কারখানা (জেএফসিএল) পরিদর্শন করেছেন।বৃহস্পতিবার(১৫ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে চারটায় তিনি কারখানার অতিথি ভবনে উপস্থিত হন। এ সময় জে এফসিএল এর কর্মকর্তা কর্মচারীদের পক্ষ থেকে ফুলের শুভেচ্ছা জানানো হয়। পরে কারখানার বাল্ক স্টোর, সারের গুদাম, কন্ট্রোল রুম সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ঘুরে দেখেন। পরিদর্শন শেষে সন্ধ্যা ছয়টায় জেএফসিএল সম্মেলন কক্ষে কারখানার কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) চেয়ারম্যান মো. বাবুল মিঞা বক্তব্য রাখেন।এতে যমুনা সার কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফাজ উদ্দিন সভাপতিত্ব করেন। , বক্তব্য রাখেন, সারকারখানার উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) দেলোয়ার হোসেন, জিএম (কমার্শিয়াল) আব্দুল হামিদ, অ্যামোনিয়া ও ইউটিলিটি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ফজলুল হক, জেএফসিএল শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি শফিকুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আলম তালুকদারসহ কারখানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।বিসিআইসির নির্ধারিত সফরসূচি অনুযায়ী, চেয়ারম্যানের এই সফরে কারখানার সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন, সংশ্লিষ্ট সারকারখানা অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের কর্মসূচি করেন।উল্লেখ্য,যে দীর্ঘ সাত মাস ১৫ দিন বন্ধ থাকার পর গ্যাস সংযোগ পেয়ে ৫ অক্টোবর বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনে ফিরলেও গত ৮ অক্টোবর ভোরে সার কারখানার বয়লারে লিকেজ হওয়ায় বর্তমানে সার উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। এ যমুনা সার কারখানাটি দেশের অন্যতম বৃহৎ ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী শিল্পপ্রতিষ্ঠান। এ কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম দেশের কৃষি খাতে সার সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।কারখানা সূত্রে জানা যায়, ১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত যমুনা সার কারখানায় ১৯৯১ সালে বাণিজ্যিকভাবে ইউরিয়া সার উৎপাদন শুরু হয়। কারখানাটির দৈনিক ইউরিয়া উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ১ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন এবং অ্যামোনিয়া উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ১ হাজার ৭৮ মেট্রিক টন। উৎপাদিত ইউরিয়া জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, রাজবাড়ীসহ উত্তরাঞ্চলের ২১ জেলায় সার সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।