মুহা. সাইদুল ইসলাম সানাউল্লাহ - , স্টাফ রিপোর্টার ||
শ্রীপুরে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে মামলায় জড়ানোর অভিযোগনিজের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবিমুহা. সাইদুল ইসলাম সানাউল্লাহ - স্টাফ রিপোর্টার:- গাজীপুরের শ্রীপুরে সংবাদ প্রকাশের জেরে হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলেছেন দৈনিক আমার দেশ-এর শ্রীপুর প্রতিনিধি এস এম জহিরুল ইসলাম। তাঁর বিরুদ্ধে গাজীপুরের আদালতে দায়ের করা একটি ফৌজদারি মামলায় তাঁকে প্রধান আসামি করা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। মামলাটিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে এর নিরপেক্ষ তদন্ত, হয়রানি বন্ধ এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।জহিরুল ইসলামের দেওয়া লিখিত বক্তব্য অনুযায়ী, ২৫১২/২৬ নম্বর মামলাটি শাহনাজ নামের এক ব্যক্তি দায়ের করেছেন। এতে তাঁকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। তবে মামলায় উল্লিখিত ঘটনার সঙ্গে নিজের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেছেন তিনি। একই সঙ্গে হুমায়ূন রশিদ, জসিম উদ্দিন ও ইসমাইল হোসেনকেও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মামলায় আসামি করা হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁর।জহিরুল ইসলাম জানান, এর আগে শ্রীপুরের তালতলী এলাকায় জমিসংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে তিনি একটি সংবাদ প্রকাশ করেন। তাঁর অভিযোগ, ওই সংবাদ প্রকাশের পর আইন উদ্দিন ও তাঁর ছেলে আলমাছ উদ্দিন তাঁকে হয়রানির হুমকি দেন। এ ঘটনায় তিনি শ্রীপুর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরবর্তী সময়ে আইন উদ্দিনের মেয়ে শাহনাজের দায়ের করা মামলায় তাঁকে আসামি করা হয়েছে বলে জানান তিনি।তাঁর আরও দাবি, মামলায় উল্লিখিত কথিত ঘটনার বিষয়ে আগে শ্রীপুর থানায় কোনো অভিযোগ করা হয়নি বলে পুলিশ তাঁকে জানিয়েছিল। তবে এ বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য এবং মামলার নথি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।লিখিত বক্তব্যে জহিরুল ইসলাম বলেন, সংবাদ প্রকাশের কারণে কোনো সাংবাদিককে হয়রানির শিকার হতে হলে তা স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশের জন্য উদ্বেগজনক। একই সঙ্গে তিনি বলেন, অভিযোগের সত্যতা যাচাই না করে কাউকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা সমীচীন নয়। এ ক্ষেত্রে মামলার নথিপত্র, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ পর্যালোচনার মাধ্যমে নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।নিজের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় নিরপেক্ষ তদন্তের পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তা তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে যাচাই করার দাবি জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে হুমকি ও হয়রানির যে অভিযোগ রয়েছে, সেটিও তদন্তের আওতায় আনার আহ্বান জানান। তদন্তে কোনো অভিযোগ মিথ্যা বা ভিত্তিহীন প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানান তিনি।এ ছাড়া গাজীপুর ও শ্রীপুরে কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন জহিরুল ইসলাম।