মোঃ খাইরুল ইসলাম , নিজস্ব প্রতিবেদক গাজীপুর ||
৭৪৫ জন কবির মধ্যে ৫ম স্থান অর্জন, ‘শূন্যায়ন’ বইয়ে প্রকাশিত বিরহ কবি মোঃ খাইরুল ইসলামের কবিতামোঃ খাইরুল ইসলাম নিজস্ব প্রতিবেদক গাজীপুর:- সাহিত্যের প্রতি গভীর ভালোবাসা, হৃদয়ের আবেগ আর বিরহের অনুভূতিকে শব্দের মাধ্যমে তুলে ধরে পাঠকের হৃদয়ে জায়গা করে নিতে চান তরুণ কবি বিরহ কবি মোঃ খাইরুল ইসলাম। কবিতার প্রতি ভালোবাসা ও লেখালেখির একাগ্রতা নিয়ে এগিয়ে চলা এই কবির অর্জনের খাতায় যুক্ত হয়েছে নতুন এক সাফল্য। ৭৪৫ জন কবির মধ্যে তিনি পঞ্চম স্থান অর্জন করেছেন বলে তাঁর জানান গেছে এবং তার উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর লেখা কবিতাও প্রকাশিত হয়েছে ‘শূন্যায়ন’ নামের একটি বইয়ে।কবিতা শুধু কয়েকটি শব্দের সমষ্টি নয়, বরং মনের গভীরে জমে থাকা সুখ-দুঃখ, ভালোবাসা, বিচ্ছেদ ও না-বলা কথার এক আবেগময় প্রকাশ। সেই অনুভূতিগুলোই নিজের লেখায় তুলে ধরতে চান বিরহ কবি মোঃ খাইরুল ইসলাম। তাঁর লেখায় ভালোবাসার স্মৃতি, প্রিয় মানুষকে হারানোর বেদনা এবং জীবনের নানা আবেগকে কবিতার ভাষায় প্রকাশ করার চেষ্টা ফুটে ওঠে।কবির স্বপ্ন, মানুষের কাছে নিজের লেখার মাধ্যমে পরিচিত হয়ে ওঠা। তিনি চান, পাঠক তাঁকে শুধু নাম দিয়ে নয়, বরং তাঁর কবিতার অনুভূতি দিয়ে চিনুক। তাঁর কবিতার প্রতিটি পঙ্ক্তি যেন পৌঁছে যায় সেইসব মানুষের হৃদয়ে, যাঁরা ভালোবাসেন, স্বপ্ন দেখেন কিংবা নীরবে বিরহের কষ্ট বয়ে বেড়ান।‘শূন্যায়ন’ বইয়ে তাঁর কবিতা প্রকাশিত হওয়াকে তিনি সাহিত্যচর্চার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাপ্তি হিসেবে তুলে ধরেছেন। এই অর্জনকে সামনে রেখে ভবিষ্যতে আরও ভালো কবিতা লিখে পাঠকের ভালোবাসা অর্জন করতে চান তিনি।বিরহ কবি মোঃ খাইরুল ইসলামের প্রত্যাশা, সবার দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা নিয়ে তিনি সাহিত্যের পথে আরও বহুদূর এগিয়ে যাবেন। তাঁর বিশ্বাস, মানুষের আন্তরিক ভালোবাসা ও উৎসাহ একজন লেখকের স্বপ্নকে আরও শক্তিশালী করে তোলে।তিনি মানুষের কাছে ‘বিরহ কবি’ নামেই পরিচিত হতে চান। তাঁর লেখা যদি একজন মানুষের মনেও ভালোবাসার অনুভূতি জাগিয়ে তোলে, কিংবা বিরহে কাতর কোনো হৃদয়কে নিজের অনুভূতি প্রকাশের ভাষা খুঁজে পেতে সাহায্য করে, তাহলেই তাঁর সাহিত্যচর্চা সার্থক হবে।বিরহ কবি মোঃ খাইরুল ইসলামের জন্য রইল শুভকামনা। তাঁর কলম এগিয়ে যাক, কবিতায় বেঁচে থাকুক ভালোবাসা, আর সাহিত্যের পথে তাঁর স্বপ্নগুলো একদিন সাফল্যের আলোয় আলোকিত হোক।“কবিতা মানে শুধু শব্দ নয়,এটা হৃদয়ের গভীর অনুভূতি।”