প্রিন্ট এর তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬
তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঝগড়া, চাঁদা না পাওয়ায় বিএনপি নেতা থানায় গড়ালেন মামলা
পঞ্চগড় প্রতিনিধি :- ||
তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঝগড়া, চাঁদা না পাওয়ায় বিএনপি নেতা থানায় গড়ালেন মামলাপঞ্চগড় প্রতিনিধি :- পঞ্চগড়ের সদর উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঝগড়াঝাটি ও পরে বিষয়টি মিমাংসা করতে বিএনপি নেতাকে চাঁদা না দেওয়ায় মামলা দায়ের ও হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে সাবুল হোসেন নামে এক বিএনপি নেতা ও তারই স্বজন মখলেছ, রুপালিদের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার ধাক্কামারা ইউনিয়নের টেংগনমারী এলাকায় সংবাদ সম্মেলন করে এই অভিযোগ করেন ভূক্তভোগী পরিবারের সদস্য ও মামলার প্রধান আসামীর দ্বিতীয় ছেলে মাহমুদুর রহমান।এসময় স্থানীয় মানুষজন উপস্থিত হয়ে বক্তব্য রাখেন। ভূক্তভোগী পরিবারের সদস্য ও মামলার প্রধান আসামীর দ্বিতীয় ছেলে মাহমুদুর রহমান বলেন, গত ৩০ মার্চ বিকেলে আমার ভাতিজা মখলেছদের বাড়ির গলিতে সুপারি পেয়ে তা কুড়িয়ে নিয়ে বাসায় আসে। পরে এনিয়ে মখলেছ, রুপালিদের সাথে আমার বাবা মায়ের ঝগড়াঝাঁটি করে৷ এক পর্যায়ে রুপালি আমার বাবার হাতে কামড়ে নেয়। পরে সবাই মিলে তাকে ছুটিয়ে দিলেও সে ছাড়তে চায়নি। পরে সে বাসা গেলেও আবার আমাদের বাসায় এসে নিজে নিজে পাঁকা মাটিতে মাথা আছড়ে দেয়। পরে স্থানীয় মহিলা সদস্য সহ এক অবসরপ্রাপ্ত আর্মি প্রতিবেশি রুপালিকে বাসায় দিয়ে আমে। যদিও কোন মারামারি হয়নি আমাদের মধ্যে পরে তারা হাসপাতালে গিয়ে ভর্তি হয়। এনিয়ে বিচার বসতে চাইলে তারা বিএনপির নেতা সাবুল ও মাসুমের দারস্থ হয়ে আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত চাঁদা দাবি করে না দিলে মামলা করে। বিষয়টি স্থানীয় বিএনপি নেতা মানিক ও ইউনিয়ন সভাপতি আওরঙ্গজেব জানেন। তারা তাদেরও সিদ্ধান্ত মানে নি। আমরা মিথ্যা মামলায় আসামি হলাম। হয়রানি হচ্ছি। আমরা সরকারের কাছে এর সুষ্ঠু বিচার চাই।সদর উপজেলার ধাক্কামারা ইউনিয়নের ৪,৫,৬ নম্বর ওয়ার্ডের নারী সদস্য মালেকা বেগম বলেন, আমি ঘটনার দিন জানতে পারি। রুপালি আক্তার, মখলেছদের সাথে প্রতিবেশী রফিকুল ও মেরি বেগমের ঝগড়াঝাঁটি হয়। এক সময় রুপালি মেরিদের বাড়িতে গিয়ে নিজে নিজে পাঁকা দেয়ালে মাথায় আঘাত করতে থাকে। যদিও তার কিছু হয়নি। পরে আমি সহ কয়েকজন মিলে তাকে মেরিদের বাসা থেকে নিজ বাসাতে রেখে আসি। পরে উল্টো আমাকেই আসামী করা হয়েছে। একটা মিথ্যা ঘটনায় কেন মামলা করলো আবার আমাকেও আসামী করলো। আমি এর সঠিক বিচার চাই।বিএনপি নেতা সাবুল বলেন, দুইটা পরিবারই আমার কাছের। আমি চেয়েছিলাম বিষয়টি আপোস হোক। টাকা দাবির বিষয়টি মূলত ভিকটিম হাসপাতালে ছিল, আমরা বিষয়টি নিয়ে বসছিলাম তখন ভিকটিমের সঙ্গে কথা বলে জানানো হয়েছিল চিকিৎসা বাবদ ৩০-৪০ হাজার টাকার কথা। আর আমি কোন চাঁদা চাইনি।পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম বলেন, মামলাটি আদালতে বিচারাধীন। তবে অপরপক্ষ মামলা দিলে সেটিও খতিয়ে দেখা হবে।
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ