মো. আরফান আলী : ||
ঠাকূরগাঁও কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে কৃষকদের ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধন।মো. আরফান আলী : ঠাকূরগাঁও জেলার কালবৈশাখী ঝড়ের সঙ্গে প্রবল দমকা হাওয়া ও ভারী বর্ষণ ফলে বিভিন্ন এলাকায় বোরো ধান, ভুট্টা ও শাক-সব্জি ফসল ক্ষেত্র মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ২৫ এপ্রিল রাতে অনেক জমিতে পাকা ধান,ভূট্রা মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে, ফলে উৎপাদন নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। ক্ষকের ঘাম ঝড়ানো কষ্ট, ঋণ ভারে জর্জরিত। ২৬ এপ্রিল রবিবার বারটার সময় হঠাৎ দমকা ঝড়ো হাওয়া জীবন নাভিশ্বাস। বেশীর ভাগ ক্ষুদ্র কৃষক গণ ক্ষতি শিকার, গত ১২-১৩ মার্চ একই বর্ষণে কৃষকের দূর্দশা চোখে ভেসে উঠে, যা এখনো কৃষক রাষ্ট্রীয় ভাবে কোন প্রণোদনা বা ক্ষতিপূরণ পায়-নি। কৃষকের কাছে আবহাওয়া পূর্বাভাস পৌছানো সম্ভব হচ্ছে না, মানুষের হাতের মুঠোয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ছোঁয়ায় তা কাজে লাগাতে পারছে। এই ব্যাপারী জানতে চাইলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস) মো. আলমগীর কবীর জানান, পারিবারিক কারণে এড়িয়ে যান। তাছাড়া কিছু স্থানে গাছপাল উপরে যায়।