ডিমলা উপজেলা প্রতিনিধি (নীলফামারী) ||
ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের ব্যারেজে জনদুর্ভোগ: যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কাডিমলা উপজেলা প্রতিনিধি (নীলফামারী) নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কুটিরডাঙ্গা এলাকায় অবস্থিত একটি কাঠের ব্যারেজ এখন এলাকাবাসীর জন্য মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে জরাজীর্ণ হয়ে পড়া এই ব্যারেজটি বর্তমানে চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে, যা যেকোনো সময় ধসে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি করেছে। প্রতিদিন অন্তত ৩ হাজারেরও বেশি মানুষ এই পথ দিয়ে যাতায়াত করেন।শিক্ষার্থীদের ঝুঁকি: স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অন্তত ৫০০ শিক্ষার্থী নিয়মিত এই নড়বড়ে ব্যারেজ পার হয়ে বিদ্যালয়ে যায়।একমাত্র সংযোগপথ: মোটরসাইকেল, অটোরিকশা, ভ্যান ও রিকশার চলাচলের জন্য এটিই অত্র এলাকার একমাত্র মাধ্যম। দুর্ঘটনা ও বর্তমান পরিস্থিতি স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ব্যারেজটি এতটাই জরাজীর্ণ যে ইতিপূর্বে এক গর্ভবতী নারীসহ বেশ কয়েকজন যাত্রী ওপর থেকে নিচে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে ব্যারেজের নিচে বিপুল পরিমাণ কচুরিপানা জমে থাকায় পানির স্রোতে কাঠামোর ওপর চাপ আরও বেড়েছে। সম্প্রতি দেখা গেছে, স্থানীয় লোকজন ও শিক্ষার্থীরা মিলে স্বেচ্ছাশ্রমে সেই কচুরিপানা অপসারণ করছেন, যাতে পানির প্রবাহ ঠিক থাকে এবং ব্যারেজটি টিকে থাকে।উদ্বেগে অভিভাবক ও সচেতন মহল ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠিয়ে অভিভাবকরা সবসময় আতঙ্কে থাকেন। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে মেরামতের অভাবে কাঠের তক্তাগুলো পচে আলগা হয়ে গেছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে এটি সংস্কার বা নতুন করে সেতু নির্মাণ করা না হলে এলাকাটি মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা ব্যারেজটির এমন করুণ দশায় জনদুর্ভোগ লাঘবে ডিমলা উপজেলা প্রশাসন এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য প্রিন্সিপাল আবদুস সাত্তার এমপির জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। শিক্ষার্থীদের নিরাপদ যাতায়াত ও সাধারণ মানুষের জীবন রক্ষায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি এখন সারা এলাকার মানুষের।