মিলন বৈদ্য শুভ, রাউজান (চট্টগ্রাম): ||
রাউজান পশ্চিম গুজরায় শ্রীশ্রী রক্ষাকালী মন্দির পাঠাগারের উদ্যোগে শিক্ষা সহায়তা বৃত্তি ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিতমিলন বৈদ্য শুভ, রাউজান (চট্টগ্রাম): চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলা উপজেলার পশ্চিম গুজরা কেরানীহাটস্থ শ্রীশ্রী রক্ষাকালী মন্দির পাঠাগার-এর উদ্যোগে “বাৎসরিক শিক্ষা সহায়তা বৃত্তি বিতরণ ও পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান–২০২৬” উৎসবমুখর ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।গত ৮ মে শুক্রবার আয়োজিত দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের সূচনা হয় শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা পাঠের মাধ্যমে। পরে মায়ের পূজা, রাজভোগ নিবেদন, ধর্মীয় সংগীতানুষ্ঠান, নৃত্যানুষ্ঠান, শিক্ষা সহায়তা বৃত্তি প্রদান এবং কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান ধর্মীয় বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন সনাতনী বাগ্মী সুদর্শন চক্রবর্তী। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন উচ্চপদস্থ সাবেক সোনালী ব্যাংক কর্মকর্তা ও শ্রীশ্রী রক্ষাকালী মন্দির পাঠাগারের উপদেষ্টা স্বপন চৌধুরী, নূপূর বিশ্বাস, কাজল বৈদ্য এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা সুবল বিশ্বাস।শ্রীশ্রী রক্ষাকালী মন্দির পাঠাগারের পরিচালক, জাতিসংঘের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, স্বপ্নদ্রষ্টা ও পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা চন্দন বৈদ্য। এসময় উপস্থিত ছিলেন শ্রীশ্রী রক্ষাকালী মন্দির পাঠাগারের পরিচালক বৃন্দ অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সিদুল কান্তি ধর, রবীন্দ্র লাল বণিক, সঞ্জীব ঘোষ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক রাউজান শাখার সিনিয়র অফিসার জনি বল, আশা লতা সংঘের সভাপতি নেপাল কর এবং শ্রীশ্রী রক্ষাকালী মন্দির পরিচালনা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অসীম পারিয়াল।অভিভাবকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সঞ্জিতা বিশ্বাস। শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনুভূতি ব্যক্ত করেন পূজা দে, তুষ্টি মহাজন ও অর্পিতা চৌধুরী।বক্তারা বলেন, “পাঠাগার হচ্ছে জ্ঞানের আলোকঘর এবং বই মানুষের প্রকৃত বন্ধু। মেধার যত চর্চা হবে, জ্ঞানের পরিধিও তত বৃদ্ধি পাবে। আসুন সবাই পাঠাগরমুখী হই, বইকে করি নিত্যদিনের সঙ্গী এবং জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করি আমাদের জীবন।”অনুষ্ঠানে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবক ও সুধীজনের উপস্থিতিতে পুরো আয়োজন প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।