মোঃ রেজাদুল ইসলাম রেজা স্টাফ রিপোর্টার গাইবান্ধা :- ||
পলাশবাড়ীতে গাছ কাটার তথ্য সংগ্রহে গিয়ে বিএনপির নেতার হামলার শিকার ৭১ টিভির সাংবাদিক, গ্রেফতারের দাবিমোঃ রেজাদুল ইসলাম রেজা স্টাফ রিপোর্টার গাইবান্ধা :- গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার কিশোরগাড়ী ইউনিয়নে সরকারি রাস্তার কোটি টাকা মূল্যের গাছ কাটার (সোমবার ১১ মে) তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন ৭১ টিভির প্রতিনিধি ও পলাশবাড়ী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক পাপুল সরকার। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন জেলার গণমাধ্যমকর্মীরা।জানা গেছে, কিশোরগাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু বক্কর সিদ্দিক ও ইউপি সচিব আনোয়ারুল ইসলামের যোগসাজশে ভুয়া সমবায় সমিতির নামে ইউপি রাস্তার গাছ কর্তনের অভিযোগ ওঠে। এ বিষয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের জন্য তথ্য সংগ্রহকালে গত সোমবার, ১১ মে ইউনিয়ন পরিষদের সামনে সাংবাদিক পাপুল সরকারের পথরোধ করে হামলা চালানো হয়।অভিযোগে বলা হয়, পরিষদের নারী ইউপি সদস্যের স্বামী ও বিএনপি নেতা আতিয়ার রহমান তার সহযোগীদের নিয়ে পরিকল্পিতভাবে সাংবাদিক পাপুল সরকারের উপর হামলা, মারধর ও লাঞ্ছিত করেন। এসময় তার ব্যবহৃত ক্যামেরা ও মোবাইল ফোন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।ঘটনার পর সাংবাদিক পাপুল সরকার বাদী হয়ে আতিয়ার রহমানসহ ৫ থেকে ৭ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে পলাশবাড়ী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।সাংবাদিক পাপুল সরকার বলেন, “পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সংবাদ সংক্রান্ত তথ্য ও বক্তব্য সংগ্রহের সময় পরিকল্পিতভাবে চেয়ারম্যানের পক্ষ নিয়ে আমার উপর হামলা করা হয়েছে। আমি থানায় অভিযোগ দিয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানাচ্ছি।”এ ঘটনায় অভিযুক্ত আতিয়ার রহমানের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ইউপি চেয়ারম্যান আবু বক্কর সিদ্দিকের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।পলাশবাড়ী থানার ওসি সরোয়ার আলম খান জানান, “অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”সাংবাদিকের উপর হামলার ঘটনায় গাইবান্ধা প্রেসক্লাব, পলাশবাড়ী প্রেসক্লাবসহ জেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তারা অবিলম্বে হামলাকারীদের সনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।গাইবান্ধা প্রেসক্লাবের সভাপতি বলেন, “সাংবাদিকদের উপর হামলা মানে মুক্ত সাংবাদিকতার উপর হামলা। প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আমরা বৃহত্তর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব।