জাহাঙ্গীর আলম জেলা প্রতিনিধি ব্রাহ্মণবাড়িয়া :- ||
ত্যাগীদের কোনঠাসা করলে অপশক্তিই রাজপথ দখল করবে-গতকাল দেশের বিভিন্ন জেলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী ছাত্রলীগের প্রকাশ্য মিছিল।জাহাঙ্গীর আলম জেলা প্রতিনিধি ব্রাহ্মণবাড়িয়া :- দেখে সাধারণ মানুষের মনে একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। রাজপথ কি তবে আবারও অপশক্তির দখলে যেতে বসেছে? যে সংগঠন অতীতে সন্ত্রাস, দখলবাজি, হামলা-মামলা ও সাধারণ মানুষের উপর নির্যাতনের কারণে বারবার সমালোচিত হয়েছে, সেই সংগঠনের নেতাকর্মীরা কিভাবে প্রকাশ্যে মিছিল করার সাহস পেল? এর উত্তর খুঁজতে গেলে একটি বাস্তবতা স্পষ্ট হয়ে উঠে—দীর্ঘদিন রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করা বিএনপির ত্যাগী, পরীক্ষিত ও সাহসী নেতাকর্মীদের অনেক জায়গায় আজ মূল্যায়নের বদলে কোনঠাসা করা হচ্ছে।যারা দুঃসময়ে দলের জন্য মামলা খেয়েছেন, কারাবরণ করেছেন, পরিবার-পরিজনের সুখ বিসর্জন দিয়েছেন, দিনের পর দিন নির্যাতন সহ্য করেও দলের পতাকা ধরে রেখেছেন—আজ তারাই অবহেলার শিকার। আর ইতিহাস বলে—যখন ত্যাগীরা পিছিয়ে যায়, তখনই অপশক্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠে। রাজপথ কখনো খালি থাকে না।ত্যাগীদের মন ভেঙে গেলে সেখানে জায়গা করে নেয় সুবিধাবাদী, অনুপ্রবেশকারী ও নিষিদ্ধ অপশক্তি।এটাই আজ আমাদের সবচেয়ে বড় উদ্বেগ। সময়ের দাবি একটাই—দলের প্রকৃত ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করতে হবে। তাদের রাজনৈতিক মর্যাদা ও সাংগঠনিক দায়িত্ব নিশ্চিত করতে হবে। কারণ ত্যাগীরাই দলের শক্তি, রাজপথের সাহস এবং গণতন্ত্রের প্রকৃত প্রহরী।বাংলাদেশের মানুষ আর কোনো সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও ভয়ঙ্কর দুঃশাসনের পুনরাবৃত্তি দেখতে চায় না। মানুষ চায় শান্তি, নিরাপত্তা ও একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ। তাই আসুন—ত্যাগীদের পাশে দাঁড়াই,দলকে সুসংগঠিত করি,ঐক্যবদ্ধ রাজপথ গড়ে তুলি।কারণ ঐক্যবদ্ধ জনগণের শক্তির কাছে কোনো অপশক্তিই টিকে থাকতে পারে না।