গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি।। স্টাফ রিপোর্টার।। ||
ঠাকুরগায়ের পীরগঞ্জে ৬০ বছরের বৃদ্ধকে আত্মীয়ের বাড়ি থেকে ফিল্মি স্টাইলে তুলে এনে সন্ত্রাসী কায়দায় মারপি ট-আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি।। স্টাফ রিপোর্টার।। ঠাকুরগায়ের পীরগঞ্জে ৮ নং দৌলতপুর ইউনিয়নের শাগুনি গ্রামের রাধাকান্ত রায় (৬০) এক ব্যক্তিকে সিন্দুানা গ্রামের কুথারু বর্মনের বাড়ি থেকে ফিল্মি স্টাইলে ঘারে করে তুলে নিয়ে যায় মোটর বাইকে গাড়ীতে তুলেই কিল ঘুষি চর থাপর মারতে থাকে মারতে মারতে শাগুনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে বাজার এলাকায় লাঠি দিয়ে বেধরক মারপিট করেছেন শাগুনি গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য মৃত নান্দরু রায়ের ছেলে আমাসু চন্দ্র রায়,মৃত খগেশ্বর রায়ের ছেলে সেবেন চন্দ্র রায়,নগেন চন্দ্র রায়ের ছেলে সুশীল চন্দ্র রায় ওরফে পুরাটু আমাসু চন্দ্র রায়ের ছেলে নিমাই চন্দ্র রায়,,ঝরদাসের ছেলে সনত দাস,হাগরুর ছেলে সুধীর আরও ৭/৮ জন অজ্ঞাত নামা সন্ত্রাসী রাধাকান্ত দাস কে বেআইনিভাবে মারপিট কিল ঘুসি চড় থাপ্পড় মারেন।বাঁশের লাঠি ও চেউলি কাঠের মারপিটে তার পায়ে নলী ফাটিয়ে দে এবং বুকে পিঠে মাথায় দিয়ে মারপিট করে তারপরে সাবেক ইউ পি সদস্য আমাসুর রায়ের নেতৃত্বে দড়ি এনে বেঁধে রেখে মারপিট করে সে সময় উক্ত গ্রামের বর্তমান মেম্বার সরক্ষিত চন্দ্র রায় উপস্থিত হলে তাকে মারপিট থেকে উদ্ধার করে এবং সে সময় সন্ত্রাসী বাহিনীরা রাধাকান্তের কাছে সাদা কাগজে স্বাক্ষর করিয়ে নে বলে জানা যায়। ফিল্মি স্টাইলে মারপিট করিতে করিতে তাকে মারিয়া ফেলিবে এবং তার বাড়িঘর জ্বালিয়ে দিবে মর্মে রাধাকান্ত কে প্রান নাসের হুমকি প্রদান করে বর্তমানে রাধাকান্ত দাস নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ বিষয়ে রাধাকান্ত দাসের সাথে কথা হলে তিনি বলেন আমার ছেলে নেই আমার কেউ নেই তাই আমাকে অন্যায় ভাবে মারপিট করছে আমার বাড়িঘর দখল করার চেষ্টা করছে আমাকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করার চেষ্টা করছে আমি প্রশাসনের কাছে সুবিচার প্রার্থনা করছি যেন তাদেরকে আইনের আওতায় এনে সাজা প্রদান করা হয়। আহত অবস্থায় ব্যথায় রাধাকান্ত বর্তমানে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা শেষে থানার মামলা দায়ের করেন।গত ১৭/০৫/২০২৬ ইং তারিখে পীর গঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ এর কাছে এজাহারে পত্র জমা দেন জমা দেওয়ার পরে এসআই সবুজকে বিষয়টি দেখার দায়িত্ব দেন।এ বিষয়ে এসআই সবুজের সাথে কথা হলে তিনি আগামী ২০ মে ২০২৬ সকাল ১০টায় ঘটনাস্থল তদন্ত করে ব্যবস্থা নিবেন বলে জানিয়েছেন। এদিকে মামলার বাদী রাধাকান্ত প্রশাসনের কাছে সুস্থ বিচার চেয়েছেন তিনি বলেন কোথায় গেলে সুষ্ঠু বিচার পাবো এ নিয়ে তিনি যন্ত্রণা ভোগ করছেন রাধাকান্ত।।তবে ঐ এলাকার লোকজন জানায় তাকে ১৩ তারিখে দশটার সময় সেভেন রয়ের দোকানের সামনে বেধড়ক মারপিটে জখম করা হয়।এছাড়াও অন্যায় ভাবে রাধাকান্তের তার স্ত্রী কে বেধড়ক মারপিট ও শ্লীলতা হানি ঘটায় এবং তার স্ত্রী সত্যিকারানীকেও অন্যায় ভাবে মারপিটকিল ঘুষি মারা হয়েছে।মারপিটের পর দুই দিন বাসায় অবরুদ্ধ ছিলেন এ নিয়ে দুজনে বাসায় আহত অবস্থায় ব্যাথায় কাতরাচ্ছিলেন।এ বিষয়ে ওই এলাকার সাবেক সদস্য আমাসু চন্দ্র রায়ের সাথে কথা হলে তিনি বলেন আমি রাধাকান্ত কে মেরেছি এতে যদি আমার ফাঁসি হয় হবে আমি আদালতে গিয়ে বলবো আমি তাকে মেরেছি। এ নিয়ে শাগুণী গ্রামে সুশীল সমাজের মাঝে আনাগোনা চলে যে রাধাকান্ত একজন ব্যক্তি সাদাসিধা মানুষ তাকে অন্যায় ভাবে মারপিট করা উচিত হয়নি।