বুলবুল আহমেদ নবীগঞ্জ হবিগঞ্জ প্রতিনিধি ||
নবীগঞ্জে আন্ত:জেলা চোর চক্রের এক সদস্য আটক হলেও মুল হোতা অধর! থানা মামলা- জনমনে চুরি ও ছিনতাইয়ের আতংকবুলবুল আহমেদ, নবীগঞ্জ হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:- পবিত্র ঈদুল আজহা আসার সাথে সাথেই পুরো নবীগঞ্জ উপজেলা জুড়ে চুরি ছোট বড় কোন না কোন চুরি ছিনতাই তীব্র হাড়ে বৃদ্ধি পেয়েছে। গত পরশুদিন দুই শিক্ষিকাকে অস্ত্রের মূখে জিম্মি করে স্বার্ণালংকার নিয়ে যায়। পরদিন গতকাল (১৯মে) দুপুরে ৬নং কুর্শি ইউনিয়নে মোটরসাইকেল সহ এক একটি সিএনজি সহ এক চোরকে জনতা উত্তম মধ্যম দিয়ে পুলিশে সোপদ করেছেন।জানাযায়, গতকাল আন্ত:জেলা চুরের চক্রের সক্রিয় সদস্য মামুন মিয়া মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল থেকে একটি মোটরসাইকেল চুরি করে নবীগঞ্জ এর দিকে নিয়ে আসছে। সকালে বেলা।সাইকের মালিক মনুমূখ ইউনিয়নের সুমারাই গ্রামের শেখ নজরুল ইসলাম দেখেন তার মোটরসাইকেলের থাকা ট্রাকিং ডিভাইজার জিপিআরএস সিস্টেম চালু থাকায় সাইকের অবস্থান ও গতিবেগ লক্ষ্য করে দেখা যায় সাইকেলটি নবীগঞ্জে অবস্থা করেছে। ট্রাকিং ডিভাইজ লক্ষ করে চুরে পিছু নেন সাইকের মালিক সহ তার আত্মীয় স্বজনরা। এতে মোবাইল ফোনে ফোনে নবীগঞ্জের বিভিন্ন স্থানের লোকজনকে বিষয়টি অবগত করা হয়। এক পর্যায়ে সাইকেল চুরদের পিছনে দিকে সাইকের মালিক ছুটতে থাকেন এতে ৬নং কুর্শি ইউনিয়ন পরিষদের সামনে আসা মাত্রই জিপিআরএস বন্ধ করে দিলে সাইকেলেটি বন্ধ হয়ে যায়। পরে আশাপাশের জনতার সহযোগিতায় সাইকেল চোরকে আটক করে উত্তম মধ্যম দেন। খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে সাইকেল ও চুরকে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যান।এ ব্যাপারে মোটরসাইকেল সাইকেল চোর মামুন পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, নবীগঞ্জ উপজেলার বাউসা ইউনিয়নের মোহনের নেতৃত্বে এসব মোটরসাইকেল চুরি ছিনতাই করে আসছে। পরে তার তথ্যের ভিত্তিতে মোহনের বাড়িতে পুলিশ হানা দিলে পুলিশের সেখান থেকে চুরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করে পুলিশ, পুলিশের উপস্থিত টের পেয়ে মুল হোতা মোহন পালিয়ে যায়! এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মোটরসাইকেল চোরের মূল হোতা এখনও অধরা! এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোঃ মোনায়েম মিয়া জানান, মোটর সাইকেলসহ একজন চোর চক্রের সদস্যকে আটক করা হয়েছে। এবং ঐ চোরে তথ্য মতে অপর চোর মোহনের বাড়িতে আমরা অভিযান চালিয়ে তাকে পাইনি। আমরা অপরাধীদের ধরতে সময় সময় সক্রিয় রয়েছি। আমাদের গোয়েন্দ নজরদারী রয়েছে।