মনিরুল ইসলাম , সম্পাদক ও প্রকাশক ||
"যে জিয়া মিশে আছে জনতার স্পন্দনে,মৃত্যুর সাধ্য নেই তারে বাঁধে মরণের বন্ধনে!"ক্যালেন্ডারের পাতা ঘুরে আবারও সেই রক্তঝরা ৩০ মে। এই দিনটি এলেই যেন বাংলার আকাশ ভারী হয়ে ওঠে, থমকে যায় প্রতিটি দেশপ্রেমিকের হৃদস্পন্দন। ৪১ বছর বয়সের এক টগবগে রাষ্ট্রনায়ককে সেদিন ঘাতকের বুলেট শুধু কেড়ে নেয়নি, বিদ্ধ করেছিল এক সদ্য স্বাধীন জাতির আত্মাকে।হে কালজয়ী মহানায়ক, আমরা সেই প্রজন্ম, যাদের আপনাকে নিজ চোখে দেখার সৌভাগ্য হইনি। কিন্তু আমরা শুনেছি কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে ভেসে আসা আপনার সেই বজ্রকণ্ঠের গল্প, যে কণ্ঠ একদিন দিশেহারা জাতিকে দিয়েছিল মুক্তির মন্ত্র। ধ্বংসস্তূপ থেকে পরম মমতায় আপনি গড়ে তুলেছিলেন এক নতুন বাংলাদেশ।ঘাতকেরা ভেবেছিল আপনাকে মুছে দেবে। কিন্তু তারা জানতো না, বাংলার ৫৬ হাজার বর্গমাইলের প্রতিটি ধূলিকণায়, প্রতিটি মেহনতি মানুষের ঘামে আর কোটি তরুণের শিরায় শিরায় আপনি মিশে আছেন এক অবিনাশী আদর্শ হয়ে। আজ আপনার শূন্যতা আমাদের কেবল কাঁদায় না, আমাদের বুকের ভেতর জ্বালিয়ে দেয় প্রতিবাদের এক অদম্য বারুদ।বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের অতন্দ্র প্রহরী, আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর স্বপ্নদ্রষ্টা—শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম-এর ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকীতে একবুক হাহাকার আর অশ্রুসিক্ত বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি।আপনি ঘুমাচ্ছেন প্রিয় নেতা, কিন্তু আপনার রেখে যাওয়া সবুজ পতাকাটি আজও আমরা বুক দিয়ে আগলে রেখেছি। যতোদিন এই বাংলায় একটি নদী বইবে, একটি পাখি উড়বে, ততোদিন আপনি বেঁচে থাকবেন আমাদের হৃদয়ের মণিকোঠায়।— মোঃ জাকিরুল ইসলাম জাকির সাংগঠনিক সম্পাদক কোতোয়ালি থানা শাখা ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদল