মোঃ রেজাদুল ইসলাম রেজা স্টাফ রিপোর্টার ||
বাদিয়াখালীতে আলোহীন ব্রীজ , বাড়ছে ছিনতাই ও দুঘর্টনার আশঙ্কা। মোঃ রেজাদুল ইসলাম রেজা স্টাফ রিপোর্টার :- গাইবান্ধা সদর উপজেলার বাদিয়াখালীতে আলাই নদের উপর নির্মিত ব্রীজটি উদ্বোধনের পর থেকে আজও আলোহীন পড়ে আছে। ৬ টি ল্যাম্পপোস্ট বসানোর কথা থাকলেও হইনি বসানো । ফলে রাত নামলেই ব্রীজটি পরিণত হচ্ছে মৃত্যুফাঁদে। বাড়ছে দুর্ঘটনা ও ছিনতাইয়ের আশঙ্কা।সরেজমিনে দেখা যায়, বাদিয়াখালী থেকে ফুলছড়ি প্রবেশমুখের গুরুত্বপূর্ণ এই সেতু দিয়ে সাঘাটা, ফুলছড়িসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলার শতশত যানবাহন ও পথচারী প্রতিদিন যাতায়াত করে। সন্ধ্যা ঘনালেই চারপাশ অন্ধকারে ঢেকে যায়। ব্রীজের দক্ষিণ-পূর্ব পাশে ভাঙন ধরেছে। একাধিক স্থানে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। অন্ধকারে এসব গর্ত চোখে পড়ে না। তাই প্রায়ই ঘটছে ছোটখাটো দুর্ঘটনা।স্থানীয় ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী ও সচেতন নাগরিকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "ব্রীজ হওয়ার পর থেকে একদিনও লাইট জ্বলতে দেখিনি। রাতে চলাচল করতে গিয়ে আতঙ্কে থাকি। বৃদ্ধ ও স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছে। আলো না থাকায় চুরি-ছিনতাইও বেড়ে গেছে"। তারা অবিলম্বে ৬টি ল্যাম্পপোস্টে লাইট স্থাপন এবং ব্রীজের ভাঙা অংশ মেরামতের দাবি জানান।এ বিষয়ে গাইবান্ধা সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী পিয়াস কুমার সেনের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। কবে বাদিয়াখালী ব্রীজে আলো জ্বলবে, কবে মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারবে, সে উত্তর এখনও মেলেনি। সেটি এখন দেখার অপেক্ষায়।