মোহাম্মদ মাসুদ রানার, স্টাফ রিপোর্টার ||
অনুমতিবিহীন যান চলাচল ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি পরিবহন মালিক-শ্রমিক নেতাদেরমোহাম্মদ মাসুদ রানার, স্টাফ রিপোর্টার:- নীলফামারীর ডিমলা উপজেলা থেকে কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুড়া পর্যন্ত সড়কে অবৈধ চাঁদাবাজি বন্ধ, অনুমতিবিহীন যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং বিআরটিএ-নির্ধারিত ভাড়া বাস্তবায়নের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জেলা সড়ক পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতারা।বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে নীলফামারী কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে জেলা সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপ এবং জেলা বাস, মিনিবাস ও কোচ পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের আয়োজনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন জেলা সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের সভাপতি আরেফ রব্বানী, সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসনাত রাসেল, জেলা বাস, মিনিবাস ও কোচ পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি নূর আলম এবং জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক জামিয়ার রহমান।বক্তারা বলেন, গত ৫ জুলাই জলঢাকায় কয়েকজন পরিবহন মালিক অবৈধ চাঁদা আদায়ের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন ও পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দেন। তবে পূর্ব আলোচনা ছাড়াই যান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করায় সাধারণ যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়েছেন বলে তারা দাবি করেন।তাদের অভিযোগ, ডিমলা-জলঢাকা-কিশোরগঞ্জ সড়কের মাগুড়া স্ট্যান্ড এলাকায় ঈদুল আজহার পর থেকে একটি অস্থায়ী স্ট্যান্ড স্থাপন করে বৈধ যানবাহন থেকে ২০০ টাকা এবং বাইরের অনুমতিবিহীন যানবাহন থেকে ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও দাবি করেন তারা।সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, যাদের বিরুদ্ধে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে, তারাই নিজেদের নিরপেক্ষ হিসেবে উপস্থাপন করতে সংবাদ সম্মেলন করছেন। কিছু পরিবহন মালিক ও একটি শ্রমিক সংগঠনের সমন্বয়ে জেলার পরিবহন খাতকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চলছে, যার কারণে স্থানীয় পরিবহন মালিকরা ব্যবসায়িক ক্ষতির মুখে পড়ছেন বলেও অভিযোগ করেন বক্তারা।সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে ডিমলা থেকে কিশোরগঞ্জের মাগুড়া পর্যন্ত সড়কে অবৈধ চাঁদাবাজি বন্ধ, অনুমতিবিহীন যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং বিআরটিএ-নির্ধারিত ভাড়া বাস্তবায়নে তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতারা।এ সময় জেলা সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের অর্থ সম্পাদক আবু তাহের, জেলা বাস, মিনিবাস ও কোচ পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য আফজাল হোসেন, আবু গোফরানসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।