মোঃ খাত্তাব হোসেন বিশেষ প্রতিবেদন ||
বৃষ্টির দিনে টিউটরের প্রতি যত্ন: এক কাপ চা-নাস্তাও হতে পারে আন্তরিকতার পরিচয়মোঃ খাত্তাব হোসেন বিশেষ প্রতিবেদন:- বর্ষাকাল। বাইরে ঝুম বৃষ্টি, কাদা-পানি আর দুর্ভোগ উপেক্ষা করে একজন টিউটর সময়মতো পৌঁছে যান শিক্ষার্থীর বাসায়। তাঁর লক্ষ্য একটাই—শিক্ষার্থীর পড়াশোনায় যেন কোনো ব্যাঘাত না ঘটে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, ঘণ্টার পর ঘণ্টা পড়ানোর পরও তাঁর জন্য এক গ্লাস পানি বা সামান্য নাস্তার ব্যবস্থাও করা হয় না। এতে স্বাভাবিকভাবেই অনেক টিউটরের মন খারাপ হয়।সম্প্রতি এমনই একটি অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন সাইফুদ্দিন নামের এক টিউটর। প্রবল বৃষ্টি উপেক্ষা করে তিনি শিক্ষার্থীকে পড়াতে গেলেও অভিভাবকের পক্ষ থেকে কোনো আপ্যায়নের ব্যবস্থা ছিল না। বিষয়টি কেবল নাস্তার নয়; এটি একজন পরিশ্রমী মানুষের প্রতি সম্মান ও আন্তরিকতারও প্রতিফলন।টিউটররা শুধু পড়ান না, তাঁরা একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। প্রতিকূল আবহাওয়ায়ও তাঁরা দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হন। তাই বিশেষ করে বৃষ্টির দিনে এক কাপ গরম চা, বিস্কুট বা হালকা নাস্তা তাঁদের জন্য শুধু খাবার নয়, বরং সম্মান, কৃতজ্ঞতা ও মানবিকতার প্রকাশ।অবশ্যই এটি কোনো বাধ্যবাধকতা নয় এবং সব পরিবারের আর্থিক সামর্থ্য এক নয়। তবে যাঁদের সামর্থ্য রয়েছে, তাঁরা যদি সামান্য আন্তরিকতা দেখান, তাহলে টিউটর আরও স্বাচ্ছন্দ্য ও উৎসাহ নিয়ে শিক্ষার্থীর প্রতি মনোযোগ দিতে পারবেন।শিক্ষা কেবল বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ নয়; পারস্পরিক সম্মান, সৌজন্য ও মানবিক মূল্যবোধও শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। একজন টিউটরের প্রতি সম্মান প্রদর্শন সেই মূল্যবোধেরই একটি সুন্দর উদাহরণ।