শাহাদাত কামাল শাকিল কুমিল্লা বুড়িচং ||
ধর্ষন মামলার আসামী জামিনে এসে বাদীকে প্রাণনাশের ও হুমকির অভিযোগ হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে। শাহাদাত কামাল শাকিল:- কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার বাড়াইর মধ্যপাড়া গ্রামে সুমাইয়া আক্তার তিন্নি (১৮) কে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করেছে একই গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির (৪২)।সুমাইয়া আক্তার তিন্নি বাড়াইর মধ্যপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ মিজানুর রহমান ও রহিমা বেগমের মেয়ে। অভিযুক্ত হুমায়ুন কবির তুই গ্রামের মৃত আব্দুল করিম এর ছেলে। ঘটনা সূত্রে জানা যায়, গত ০৭/০৬ /২০২৬ সকাল আনুমানিক ১১ টায় ভুক্তভোগী সুমাইয়া আক্তার এর পিত্রালয়ের বসতভিটার পশ্চিম পাশের রুমে শুয়েছিলেন। তখন পার্শ্ববর্তী বাড়ির বাসিন্দা হুমায়ুন কবির জঘন্য কর্মকাণ্ড ঘটানোর চেষ্টা করে। জানা যায়, গত এক বছর আগে দেবিদ্বার চানপুর এলাকায় মোহাম্মদ আল আমিনের সঙ্গে বিবাহ সম্পন্ন হয়। চার মাস আগে বাবার বাড়িতে বেড়াতে এসে সেখানেই অবস্থান করছিলেন তিনি। তিন্নি বাড়াইর উচ্চ বিদ্যালয় এর দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। তার মা সকাল ১০ দশটায় নিমশার বাজারে প্রাত্যহিক বাজার সদাই করে ১২ টায় বাসায় ফিরে দেখেন তার মেয়ে সুমাইয়া আক্তার তিনি কান্নাকাটি করছেন। তখন তাকে জিজ্ঞেস করলে ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে সুমাইয়া বলেন, আনুমানিক সকাল ১১ টায় সুমাইয়া যখন তার রুমে শুয়েছিলেন তখন পার্শ্ববর্তী বাড়ির প্রতিবেশী হুমায়ুন কবির ঘরে প্রবেশ করে তাকে কুরুচিপূর্ণ প্রস্তাব দিতে শুরু করেন। সে প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় হুমায়ুন কবির সুমাইয়া আক্তার তিন্নির উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাকে বিবস্ত্র করে ধর্ষণের চেষ্টা চালালে সে চিৎকার দেয়ার উপক্রম হলে তাকে মুখে চাপ দিয়ে ধরে রাখে কবির।ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তিন্নি তার হাত ছুটিয়ে চিৎকার দিলে শাহপরান হোসেন রাজিব ও সালাউদ্দিন ঘটনাস্থলে পৌঁছালে অভিযুক্ত কবির তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। ভুক্তভোগীর মা রহিমা বেগম প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষীতে পরিবারের সম্মতিক্রমে ০৮/০৬/২০২৬ বুড়িচং থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। পরবর্তীতে এই অভিযোগের ভিত্তিতে এজাহার দায়ের হয়।বুড়িচং থানার পুলিশের বিশেষ অভিযানে ০৮/০৬/২৬ ২০২৬ ভোর ৪:১৫ মিনিটে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ মামলার বাদী রহিমা বেগমের বলেন বিবাদী হুমায়ুন কবির ১৭ দিন জেল হাজতবাসের পর আদালতের রায়ে জামিনে এসে বাদীপক্ষকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দামকি দিয়ে আসছে আসামীদের ভয়ে মা মেয়ে নিজেদের বাড়ীতে থাকতে পারছেনা তারা আজ মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে,তাই তিন্নীর মা বাদী রহিমা বেগম মাননীয় আদালতের নিকট তার মেয়ে ধর্ষণের আসামীর দৃষ্টান্তমুলক বিচার দাবী করেন এবং ধর্ষিত তিন্নীর মামা মিডিয়াকে আমি আমার বাগনীর ধর্ষনকারী কবিরের সঠিক বিচার দাবী করছি এবং আদালত যাতে তার সঠিক বিচার করেএ বিষয়ে মামলার তদন্তকর্মকর্তা দেবপুর ফাঁড়ির এস আই আলমগীর গণমাধ্যমকর্মীকে জানান, বিবাদী হুমায়ুন কবিরের ব্যাপারে মেয়ের জবানবন্দী অনুযায়ী আমার কাছে যথেষ্ট প্রমান রয়েছে তাই আমি আগামী সাপ্তাহের মধ্যে রিপোট কোটে দাখিল করবো,এ বিষয়ে আসামী হুমায়ুন কবিরের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে পাওয়া যায়নি,