রিপোর্টার, সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা পশ্চিমবঙ্গ ||
মিছিলে সাংবাদিকদের উপর হামলার প্রতিবাদে এবং রাষ্ট্রকে বাঁচাতে মহা মিছিল, আজ ২৮ শে জুলাই মঙ্গলবার, ঠিক সকাল সাড়ে ১১ টায়, শিক্ষা সংস্কৃতি ও সুরক্ষা মঞ্চের আহবানে, শিয়ালদা স্টেশন ও হাওড়া স্টেশনে জমায়েত হয়ে, কর্তব্যরত সাংবাদিকদের উপরে হামলার প্রতিবাদে ধর্মতলা পর্যন্ত মহা মিছিল করলেন। যেভাবে বামপন্থী সংগঠন আয়োজিত ২৪ শে জুলাই মহা মিছিলে ছাত্র যুব সাংবাদিকদের উপরে হামলা চালিয়েছেন, দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করার চেষ্টা করছেন, আমরা তাদের ধিক্কার জানাই। আমরা এই চক্রান্তকে ব্যর্থ করতেই আজকের এই মহা মিছিল এই মহা মিছিলে প্রায় কয়েক হাজার, শিক্ষক শিক্ষিকা, কর্মচারী পায়ে পা মিলিয়েছেন আমরা তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই, বিভিন্ন জেলা থেকে সংগঠনেরা এমনকি এবিভিপি ও এ বি আর এস এম সংগঠনে যুক্ত হয়েছিলেন। আমরা তাদের কাছে কৃতজ্ঞ। মিছিলের নামে যেভাবে হিংসাত্মক ঘটনা ঘটিয়েছেন, এমনকি প্রধানমন্ত্রী কে কুৎসিতভাবে এবং ব্যাংক করে ছবিগুলি পোস্টারে ব্যবহার করেছেন আমরা ধিক্কার জানাই তাদেরকে।। শুধু এটুকু বলতে চাই, এখন আর কেন্দ্রীয় সরকার দিল্লিতেই নয়, পশ্চিমবঙ্গেও অধিকার করেছে, তাই শিক্ষার নামে বা শিক্ষা কে হাতিয়ার করে যদি অশান্ত করার চেষ্টা করে ছেড়ে কথা বলবে না। সময়ের জবাব দেবে, আর যারা এই ঘটনার সাথে জড়িত এবং দূরে থেকে উস্কানি দিচ্ছেন তাহাদের কেউ প্রধানমন্ত্রী সহজে ছাড়বেন না। এমনকি আমাদের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তিনিও তার জবাব দেবেন দোষীদের শাস্তি দেবেন, তাই দেশকে অশান্ত করার চেষ্টা বন্ধ করুন, আর কর্তব্যরত সাংবাদিকদের হেনস্থা বন্ধ হোক, এই জঘন্যতম ঘটনা যেন না ঘটে, যাহারা আমাদের বার্তাগুলি তুলে ধরার চেষ্টা করেন এবং পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা করেন, তাদেরকে গদি মিডিয়া বলে আক্রমণ করা হচ্ছে, বারবার এটা হতে দেব না। আজ শিক্ষক, শিক্ষা কর্মী ও কর্মচারী ইউনিয়ন সবাই আমরা একত্রিত হয়েছি এবং প্রতিবাদে সড়ব হয়েছি। আজকের মহা মিছিলে ধর্মতলা ডরিনা ক্রসিং থেকে শুরু করে লেলিন মূর্তি ও রানী রাসমণি পর্যন্ত স্তব্ধ হয়ে যায় যান চলাচল। উজান আটকে পড়ে এই মহা মিছিলে, শুধু তাই নয় পথ চলতি মানুষও সময়ে গাড়ি ধরতে পারেননি, প্রশাসনিক তরফ থেকেও সুস্থ মিছিল পরিচালনা করার জন্য হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। প্রত্যেকে জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে মহা মিছিলে প্রতিবাদ জানান ও বন্দেমাতরম স্লোগান দেন।