রিপোর্টার, সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ ||
বাংলাদেশী কিন্নর হিজড়া গুন্ডা জেহাদীদের প্রতিবাদে মহা মিছিল ও থানায় ডেপুটেশন ।আজ ২৯ শে জুলাই বুধবার, বিকেল চারটায়, অ্যাসোসিয়েশন অফ ট্রান্সজেন্ডার হিজড়া ইন বেঙ্গল সংগঠন আয়োজিত, বাংলাদেশী কিন্নর দের অত্যাচারের প্রতিবাদে, রবীন্দ্র সদন এক্সসাইড মোড় থেকে ভবানীপুর থানা পর্যন্ত মহা মিছিল করলেন এবং ভবানীপুর থানায় গিয়ে ডেপুটেশন দিলেন। তাহাদের দাবি অবিলম্বে বাংলাদেশী কিন্নর হিজড়াদের বাংলাদেশে তাড়াতে হবে, ইন্ডিয়ায় কোন ঠাঁই হবে না, আমরা মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও এই আবেদন জানাচ্ছি। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আমাদের পাশে রয়েছেন, তোমরা সাহস খুঁজে পেয়েছি। এই মিছিলে উপস্থিত ছিলেন, রঞ্জিতা সিনহা, পামেলা , রুপালী, পপি, দীপা, বুলবুল, সহ বহু লড়াকু কর্মীবৃন্দ। এবং বেশ কয়েকজন আক্রান্ত সদস্য। যাহারা জীবনে ঝুঁকি নিয়ে এই লড়াইয়ে সামিল হয়েছেন, বেশ কয়েকজন কিন্নর হিজড়া, জেহাদী , রোহিঙ্গা, ক্রিমিনালদের প্রতিবাদে এই মহা মিছিল, যাদের জন্যে আমাদের প্রাণের সংশয়, যাহারা বাংলাদেশ থেকে এসে রাজত্ব করছে, হুমকি দিচ্ছে, এবং ভারতবর্ষকে নৈরাজ্যের সৃষ্টি করছে, লক্ষ্য লক্ষ টাকা দিয়ে সবার মুখ বন্ধ করে রেখেছে, তাহাদের মধ্যে চিজ ভাবে নাম উঠে আসছে, হীরা, নন্দিনী, রত্না, আবু, বন্দনা, চম্পা, লতা প্রকৃতি কথা, যাহারার দালাল মারফত, সমস্ত কিছু নকল করে বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবেশ করেছে, এবং তৃণমূলের ছত্রছায়ায় ,ভারতীয় হিজরাদের অর্থাৎ ট্রান্সজেন্ডারদের উপর অত্যাচার চালিয়ে যাচ্ছে, কাজ করতে দিচ্ছে না, নকল পাসপোর্ট ,ভিসা ,ভোটার কার্ড, রেশন কার্ড বানিয়ে নিয়েছে। আমরা সেই সকল বাংলাদেশি কিন্নরদের ও ক্রিমিনালদের প্রতি ধিক্কার প্রতিবাদ জানিয়ে ভবানীপুরে ডেপুটেশন দিলাম। যাহাতে সঠিক বিচার হয় এবং এই সকল মাফিয়াকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী মহাশয় কে ধন্যবাদ জানাবো আমাদের পাশে থাকার জন্য, নিজের মুখে বলেছেন সকল রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠাবেন, আমরাও চাই এই সকল ক্রিমিনালদের বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয়া হোক, এখন উদ্যোগ নিক, তাই আজ শয়ে শয়ে ভারতীয় হিজড়া অর্থাৎ ট্রান্সজেন্ডার রা প্রতিবাদ জানালো। এমনও ঘটনা ঘটেছে, পাড়ায় গিয়ে বাচ্চাদের নাচানোর নাম করে অত্যাচার করা হয়েছে।। আমরা আরো কি কথা বলতে চাই, আমাদের সমস্ত নিজস্ব ভোটার কার্ড আইডি কার্ড পরিচয় পত্র রয়েছে। কিন্তু ওনাদের দেখাতে বলুন আছে কিনা। আমরা নিজেদের গর্ব অনুভব করি যে আমাদের সমস্ত কিছু রয়েছে। আমরা মিছিলের মধ্য দিয়ে দেশবাসীর কাছে একটাই বার্তা পাঠালাম এই ধরনের বাংলাদেশী রোহিঙ্গারা যদি আপনাদের উপর অত্যাচার করে আপনারা আমাদেরকে জানাবেন এবং একটা টাকাও দেবেন না, এরা মস্তানি করে লক্ষ লক্ষ টাকা কামাচ্ছে। আজ ডেপুজেশন দেওয়ার পর অফিসারেরা জানালেন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আমরা চেষ্টা করব এটার তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার। এবং আপনাদেরও ডেকে পাঠানো হবে, আমরা অফিসারদের জানিয়ে এসেছি, যত শীঘ্র সম্ভব এই রোহিঙ্গাদের ভারত থেকে বাংলাদেশে পাঠান।। না হলে আমাদেরকে আত্মহত্যা করতে বাধ্য হতে হবে, এদের জ্বালায় আমাদের রুজি রোজগার প্রায় বন্ধ হতে বসেছে। এদের সবাই আছে, এরা জোর করে ভয় দেখিয়ে মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করাচ্ছে, এদের দেশে বাচ্চা-কাচ্চা রয়েছে, নাম ভাঙিয়ে এই দেশে রাজত্ব করছে, এমনকি বাড়ি ভাড়া নিয়ে সেখানে মুসলিম ছেলেকে বিয়ে করে বসবাস করছে, তাদেরকে হাতিয়ার করে হুমকি জো জুলুম এবং লক্ষ লক্ষ টাকা আদায় করছে, আমাদের কেউ বিনা দোষে কেস থানায় পাঠাচ্ছি, বড় বড় অংকের টাকা দাবি করছে, আর দি ইনা বলে আমাদের উপর অত্যাচার করছে, এ আর হতে দেব না, রোহিঙ্গাদের দেশে তাড়াবো, আমাদের দেশের সকল ভাই বোনেরা জেগে উঠেছে, তাই প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করব যাহাতে হস্তক্ষেপ করে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে পাঠানো হয়। এবং এর সাথে সাথে জানাই আমরা একইভাবে বিভিন্ন থানায় ডেপুটেশন দেব।