তানভীর ভুইয়া ব্রাক্ষণবাড়িয়া প্রতিনিধি ||
বিজয়নগরে স্ত্রীর বিরুদ্ধে পরকীয়ার মামলা মিথ্যা, আদালতে বাদীর অঙ্গীকারনামাতানভীর ভুইয়া ব্রাক্ষণবাড়িয়া প্রতিনিধি:- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে স্ত্রী ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে পরকীয়া এবং অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে করা মামলার বিষয়ে নতুন মোড় এসেছে। মামলার বাদী মো. মুকবুল হোসেন আদালতে দাখিল করা এক অঙ্গীকারনামা (হলফনামা) দিয়ে স্বীকার করেছেন যে, তিনি বাদীর বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা করেছিলেন এবং আপসের মাধ্যমে মামলাটি প্রত্যাহার করবেন।আদালত সূত্রে জানা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করা মামলায় স্ত্রী পুতুল আক্তারসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলায় পরকীয়া, অর্থ আত্মসাৎ, স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোন নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ আনা হয়।তবে পরবর্তীতে আদালতে দাখিল করা অঙ্গীকারনামায় বাদী মো. মুকবুল হোসেন উল্লেখ করেন, তিনি আসামিদের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা করেছিলেন। তিনি মামলার অপর পক্ষের সঙ্গে আপস করবেন এবং আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মামলাটি প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেবেন বলেও অঙ্গীকারনামায় উল্লেখ করেন।এর আগে করা মামলায় বাদী অভিযোগ করেছিলেন, প্রবাসে থাকাকালে স্ত্রীর কাছে পাঠানো অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে এবং স্ত্রী পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েছেন।অপরদিকে অভিযুক্ত পুতুল আক্তার শুরু থেকেই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছিলেন, স্বামীর পাঠানো অর্থ দিয়ে তার ঋণ পরিশোধ করেছেন এবং পরকীয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি আরো বলেন, হাসান মিয়া একজন শিক্ষক মানুষ। এলাকার তার অনেক সুনাম ও সম্মান রয়েছে। মিথ্যা মামলা দিয়ে তাকে অযথা হয়রানি ও সম্মানহানি করা হয়েছে। এবিষয়ে হাসান মিয়া বলেন, আমি ঢাকায় থাকি। এলাকায় একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছি, সেখানে বছরে দুই-তিনবার বিভিন্ন সভা সমাবেশে যায়। আমি অভিভাবকদের ভাল করে চিনিই না। মামলার বাদী ও তার স্ত্রীকে চিনি না। আমাকে পরকীয়ার অভিযোগে মিথ্যা মামলা দিয়ে সম্মানহানি করার সুবিচার চাই।বাদী মকবুল হোসেনের পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবু হানিফ বলেন, মকবুলের স্ত্রীও একটা মামলা করছিল, সেই মামলার আমরা আপোষ শর্তে জামিন চাইছি। ম্যাজিস্ট্রেট মকবুলকে সংসার করবে কিনা জিগ্যেস করছে, সে সংসার করবে বলছে। পরে ম্যাজিস্ট্রেট তার করা মামলাটি মিথ্যা বলে অঙ্গিকার দেওয়ার শর্তে জামিন দিবে বলছে। পরে আমরা অঙ্গিকার দিয়ে জামিন নিছি।