মোঃ খাইরুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার গাজীপুর ||
কালিয়াকৈরে মুরগির বিষ্ঠা (লিটার) ফেলে পরিবেশ দূষণ ও জনদুর্ভোগ: অভিযুক্ত 'লিটার কাসেম'-এর বিরুদ্ধে ক্ষোভমোঃ খাইরুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার গাজীপুর:- গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার ফুলবাড়িয়া ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর বাজার থেকে ফুলবাড়িয়া বাজার পর্যন্ত প্রধান সড়কে মুরগির বর্জ্য বা লিটার খোলা ট্রাকে পরিবহন ও যত্রতত্র ফেলে পরিবেশ দূষণের অভিযোগ উঠেছে। এর ফলে ওই এলাকার বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে এবং তীব্র দুর্গন্ধের কারণে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা এই অমানবিক কাজের প্রতিবাদ জানালে অভিযুক্ত ব্যক্তি ও তার সহযোগীদের দ্বারা হেনস্তার শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।অভিযুক্ত এই ব্যক্তির নাম কাসেম ওরফে ‘লিটার কাসেম’। এলাকাবাসীর অভিযোগ, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মুরগির খামারের বর্জ্য বা লিটার যত্রতত্র ফেলে পরিবেশ নষ্ট করে আসছেন।স্থানীয়দের অভিযোগ ও ক্ষোভ: ভুক্তভোগী এলাকাবাসী জানান, কাসেম ওরফে লিটার কাসেম কোনো নিয়ম বা পরিবেশের তোয়াক্কা না করে প্রতিদিন ট্রাক বা ভটভটিযোগে মুরগির লিটার রামচন্দ্রপুর বাজার থেকে ফুলবাড়িয়া বাজার পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে প্রকাশ্যে ফেলে রাখেন। রোদে ও বাতাসে সেই বর্জ্য শুকিয়ে তীব্র দুর্গন্ধ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এর ফলে এলাকার পথচারী, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় দোকানদারদের নাকে কাপড় দিয়ে চলাচল করতে হয়। দুর্গন্ধে আশপাশের বাড়িগুলোতে টেকা দায় হয়ে পড়েছে এবং শিশু ও বয়স্করা বিভিন্ন শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।স্থানীয় এক বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার উপায় নেই। দুর্গন্ধে দম বন্ধ হয়ে আসে। প্রতিবাদ করলে উল্টো হুমকি দেওয়া হয়।"নানা অপকর্মের অভিযোগ: নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুধু পরিবেশ দূষণই নয়, কাসেম ওরফে লিটার কাসেমের বিরুদ্ধে এলাকায় নানা ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তার এই বেপরোয়া আচরণে পুরো এলাকার সাধারণ মানুষ ত্যক্ত-বিরক্ত। এলাকার কেউ তার অন্যায়ের প্রতিবাদ করার সাহস পান না।প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা: জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ রক্ষার্থে এবং সাধারণ মানুষের চরম দুর্ভোগ নিরসনে অবিলম্বে এই অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তারা পরিবেশ অধিদপ্তর এবং কালিয়াকৈর উপজেলা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যাতে কাসেমের এই অপতৎপরতা বন্ধ হয় এবং তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। অন্যথায় এলাকাবাসী কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।