মোঃ রফিকুল ইসলাম , ফুলপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি ||
ফুলপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযানমোঃ রফিকুল ইসলাম , ফুলপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি:- ময়মনসিংহের ফুলপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হয়েছে। ফুলপুর পৌর প্রশাসকের উদ্যোগে পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের লক্ষ্যে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।আজ শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে ফুলপুর পৌরসভার দিউ বালিয়ার মোড়ে এ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এ সময় পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করেন। পাশাপাশি ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশার প্রজননস্থল তৈরি হতে পারে—এমন স্থানগুলো পরিষ্কার করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।পরিচ্ছন্নতা অভিযানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফুলপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাধনা ত্রিপুরা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফুলপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব সিদ্দিকুর রহমান, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এ কে এম সিরাজুল হক, উপজেলা জামায়াতে ইসলামের ভারপ্রাপ্ত আমির জাকির হোসাইন মাস্টার এবং ফুলপুর পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এমরান হাসান পল্লব।এ ছাড়া পরিচ্ছন্নতা অভিযানে ফুলপুর পৌরসভার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।অভিযান চলাকালে বক্তারা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু পৌরসভা বা প্রশাসনের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; এ জন্য সাধারণ মানুষেরও সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন। বাড়ির আশপাশে, ছাদ, নির্মাণাধীন ভবন, পরিত্যক্ত পাত্র, ডাবের খোসা, টায়ারসহ যেসব স্থানে পানি জমে থাকতে পারে, সেসব স্থান নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে। জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে এডিস মশা বংশবিস্তার করতে পারে। তাই ডেঙ্গু প্রতিরোধে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার পাশাপাশি কোথাও পানি জমতে না দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।পৌর প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে। পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডে পর্যায়ক্রমে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে।পৌরসভার এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, বর্ষা মৌসুমে বিভিন্ন স্থানে পানি জমে মশার উপদ্রব বাড়ে। নিয়মিতভাবে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হলে মশার প্রজননস্থল কমার পাশাপাশি পৌর এলাকার পরিবেশও পরিচ্ছন্ন থাকবে।