Background
Featured Image
জাতীয় |১৭ এপ্রিল ২০২৬
বিস্তারিত কমেন্টে

ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে বিরোধ: মোল্লাহাটে লাশ দাফন-সৎকারকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা আল হাফিজ মোল্লাহাট (বাগেরহাট) প্রতিনিধি: বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলায় ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে বিরোধের জেরে এক ব্যক্তির লাশ দাফন না সৎকার—এ নিয়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। জানা যায়, গোপালগঞ্জ জেলার তেঘরিয়া গ্রামের বাসিন্দা সুব্রত পোদ্দার (কানু), পিতা শুকলাল পোদ্দার ও মাতা রিতা রানী পোদ্দার, প্রায় ২১ বছর পূর্বে এফিডেভিটের মাধ্যমে হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন এবং নিজের নাম পরিবর্তন করে কাজী সোহাগ রাখেন। পরবর্তীতে তিনি গোপালগঞ্জের মাঠলা তেতুলিয়া এলাকায় মমতাজ মিম নামে এক নারীকে বিয়ে করেন। তাদের সংসারে আব্দুর রহমান (৯) নামে একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে মোল্লাহাট উপজেলার দত্তডাঙ্গা রাইরসরাজ সেবাশ্রমে অবস্থানকালে কাজী সোহাগের মৃত্যু হয়। তার মা রিতা রানী পোদ্দার সেখানে নিয়মিত যাতায়াত করতেন বলে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, মৃত্যুর পর তার স্ত্রী ও সন্তানদের না জানিয়ে মোল্লাহাটের উত্তর আমবাড়ি শ্মশানে হিন্দু ধর্মীয় রীতিতে দাহ করার জন্য চিতায় তোলা হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে মৃতের স্ত্রী ও মাদ্রাসায় অধ্যয়নরত সন্তান তীব্র প্রতিবাদ জানান এবং মুসলিম ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী কবরস্থানে দাফনের দাবি করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপস্থিত হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে উত্তেজনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়। পরে সংবাদ পেয়ে সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বিষয়টি আরও গুরুত্ব পায়। এক পর্যায়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এ বিষয়ে মোল্লাহাট থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী রমজানুল হক জানান, “মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমনা আইরিন বলেন, “ধর্মীয় বিষয় নিয়ে কোনো ধরনের ভুল বোঝাবুঝির সুযোগ নেই। সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র যাচাই করে প্রমাণের ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।” অন্যদিকে মৃতের মা রিতা রানী পোদ্দার দাবি করেন, তার ছেলে পূর্বে হিন্দু ধর্মাবলম্বী ছিলেন এবং সেই বিবেচনায় দাহ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে তিনি তার ছেলের পুনরায় হিন্দু ধর্মে ফিরে আসার কোনো দালিলিক প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে এবং এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা চলছে। ওই ঘটনায় পুলিশের এএসপি সার্কেল সরেজমিনে

© 2025 Tech Taranga (All Rights Reserved).