চুয়াডাঙ্গার সকল দপ্তরপ্রধানের সঙ্গে মন্ত্রীর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিতমোঃ মিনারুল ইসলাম চুুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি:- ১৩/০৯/২০২৬ ইং রবিবার চুয়াডাঙ্গা জেলার সকল সরকারি দপ্তরের কার্যক্রমের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি, পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা জোরদার এবং জেলার সার্বিক উন্নয়ন ও জনসেবার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সকল দপ্তরপ্রধানের সঙ্গে মতবিনিময় সভা ও জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।আজ ১৩ই সেপ্টেম্বর রবিবার ২০২৬ খ্রিঃ সকাল ০৯:৪৫ ঘটিকায় চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এই পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব নিতাই রায় চৌধুরী, এমপি, মাননীয় মন্ত্রী, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এডভোকেট নেওয়াজ হালিমা আরলী, মাননীয় সংসদ সদস্য, ৩০৫ মহিলা আসন-৫। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান, পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গা। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন জনাব লুৎফুন নাহার, জেলা প্রশাসক, চুয়াডাঙ্গা।সভায় জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধানগণ নিজ নিজ দপ্তরের কার্যক্রম, চলমান কর্মসূচি, বিদ্যমান সমস্যা ও সম্ভাবনার বিষয়ে মতামত তুলে ধরেন। একইসঙ্গে জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, জননিরাপত্তা, মাদক ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, সড়ক নিরাপত্তা, জনসেবা এবং আন্তঃদপ্তর সমন্বয়-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান তাঁর বক্তব্যে চুয়াডাঙ্গার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরেন। তিনি জেলার সার্বিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণে সকল সরকারি দপ্তরের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও কার্যকর সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একইসঙ্গে অপরাধ দমন, মাদক নিয়ন্ত্রণ, সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।পরবর্তীতে সকাল ১০:০০ ঘটিকায় একই স্থানে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ, সড়ক নিরাপত্তা, জননিরাপত্তা এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলা পুলিশের চলমান কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি অপরাধ প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরসমূহের মধ্যে আরও কার্যকর সমন্বয় এবং জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন।সভায় বক্তারা সমন্বিত উদ্যোগ, পারস্পরিক সহযোগিতা ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে চুয়াডাঙ্গার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি জেলার উন্নয়ন ও জনসেবাকে গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।সভায় জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ চুয়াডাঙ্গা জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।
অনলাইন জরিপ
সারাদেশ
রাজনীতি
শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে দেশের চলমান সংকট মোকাবিলায় জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।ফ্যাসিবাদবিরোধী সব রাজনৈতিক দল নিয়ে জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়ে শরিফ ওসমান হাদি বলেন, বিএনপি অসহযোগিতা করলে তাদের জাতির কাছে জবাবদিহি করতে হবে। জামায়াত অসহযোগিতা করলে জবাবদিহি করতে হবে তাদেরও। এই সরকারের মেয়াদ হবে ১০ মাস থেকে এক বছর। যদি জাতীয় সরকার না করতে পারেন তাহলে জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল গড়ে তোলেন। জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল প্রধান হবেন ড. ইউনূস। সব রাজনৈতিক দল থেকে সেখানে প্রতিনিধি থাকবে সদস্য হিসাবে। তাদের সাংবিধানিক মর্যাদা হবে ক্যাবিনেট মন্ত্রী পরিষদের মতো। তারা মন্ত্রী হবেন না, উপদেষ্টা হবেন না কিন্তু ওয়াচডগ হিসাবে কাজ করবেন।জুলাই ঘোষণাপত্র প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত জুলাই ঘোষণাপত্রের কার্যক্রম না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে কোনো লাভ নেই। যদি জুলাই ঘোষণাপত্র না আসে, যারা জুলাইয়ের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন দিল্লির সঙ্গে মিলে আওয়ামী লীগ তাদের কচুকাটা করবে। জুলাই ঘোষণাপত্র সাংবিধানিক স্বীকৃতি পেলেই আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ হবে।
দেষ্টাকে বলেছি, গণঅভ্যুত্থানের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব শেষ করেই অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।এনসিপির পাঁচ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে জুলাই ঘোষণাপত্র একটি দাবি ছিল এবং সেটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল; সেটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয় সে দাবি জানিয়েছি। আমাদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস স্যারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।নাহিদ বলেন, দ্বিতীয়ত—জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হচ্ছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। তৃতীয়ত—শেখ হাসিনার আমলে হওয়া জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে বলেছি। কারণ সে সময়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন করেছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। দিনের ভোট রাতে করেছে, ডামি প্রার্থীর ভোট হয়েছে। ফলে সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলোকে সেই সময়ের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাখান করেছে। আবার সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে আদালতে নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতে পূর্বের নির্বাচনগুলোকে আইনগতভাবে যাতে অবৈধ ঘোষণা করা হয় সেই দাবি জানিয়েছি।চতুর্থ নম্বরে নাহিদ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমান যে ইলেকশন কমিশন সেটার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করার দাবি জানান তারা।সর্বশেষ জুলাই গণহত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে এনসিপি।প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত
দেষ্টাকে বলেছি, গণঅভ্যুত্থানের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব শেষ করেই অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।এনসিপির পাঁচ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে জুলাই ঘোষণাপত্র একটি দাবি ছিল এবং সেটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল; সেটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয় সে দাবি জানিয়েছি। আমাদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস স্যারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।নাহিদ বলেন, দ্বিতীয়ত—জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হচ্ছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। তৃতীয়ত—শেখ হাসিনার আমলে হওয়া জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে বলেছি। কারণ সে সময়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন করেছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। দিনের ভোট রাতে করেছে, ডামি প্রার্থীর ভোট হয়েছে। ফলে সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলোকে সেই সময়ের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাখান করেছে। আবার সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে আদালতে নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতে পূর্বের নির্বাচনগুলোকে আইনগতভাবে যাতে অবৈধ ঘোষণা করা হয় সেই দাবি জানিয়েছি।চতুর্থ নম্বরে নাহিদ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমান যে ইলেকশন কমিশন সেটার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করার দাবি জানান তারা।সর্বশেষ জুলাই গণহত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে এনসিপি।প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে যে ঐক্য গড়ে উঠেছিল সেখানে ফাটল দেখা দিয়েছে মন্তব্য করে নুর বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ছাত্রদের ওপর বিরক্ত। গণহত্যার বিচার, রাষ্ট্রীয় সংস্কার, নির্বাচন সবই প্রয়োজন। কিন্তু নির্বাচন নিয়ে কথা বললেই কোনো সদুত্তর নেই। প্রধান উপদেষ্টাকে ঘিরে আছে ওয়ান ইলেভেনের দুষ্টু চক্র।নুর বলেন, বাংলাদেশে অনির্বাচিত সরকার থাকলে সংকট কাটবে না। সংকট কাটাতে নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ প্রয়োজন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ আলোচনা না করেই করিডরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় কীভাবে! বিভিন্ন প্রসঙ্গে এর আগে জাতীয় সংলাপ হয়েছে, কিন্তু এখন কেন ডাকা হচ্ছে
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবু হানিফের সভাপতিত্বে পৌরসভার দৌলতপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই স্মরণসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহাবুব আলমগীর আলো, সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ আজাদ, আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী রাবেয়া বসরী প্রমুখ।
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবু হানিফের সভাপতিত্বে পৌরসভার দৌলতপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই স্মরণসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহাবুব আলমগীর আলো, সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ আজাদ, আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী রাবেয়া বসরী প্রমুখ।