লালমাই প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করলেন এমপি মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ানিজস্ব প্রতিবেদক:- কুমিল্লার লালমাই উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের একমাত্র পেশাজীবী সংগঠন লালমাই প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন কুমিল্লা-১০ (লালমাই-নাঙ্গলকোট) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া।শনিবার (১৩ জুন) রাত সাড়ে ৮টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন এবং এলাকার উন্নয়ন, গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা ও জনস্বার্থে সংবাদ প্রকাশের গুরুত্ব নিয়ে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া।সভায় সভাপতিত্ব করেন লালমাই প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও জাতীয় দৈনিক যুগ-যুগান্তর সম্পাদক ও প্রকাশক,যেযে টিভি ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাংবাদিক এনএস কিবরিয়া। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক, সাপ্তাহিক চলন পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক, দৈনিক যুগ-যুগান্তর ও যেযে টিভির বিশেষ প্রতিনিধি সাংবাদিক মো. জয়নাল আবেদীন জয়।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মানিক, শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের কেন্দ্রীয় সভাপতি, লালমাই উপজেলা বিএনপির নেতা মাওলানা মো. জাকির হোসেন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আক্তারুজ্জামান মজুমদার রকেট, উপজেলা বিএনপির নেতা অ্যাডভোকেট মো. বেলাল হোসেন এপিপি,উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক এম জাবের আহমেদ জাবেদ, সদস্য সচিব মো. মাহফুজুল ইসলাম,জেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক ও উপজেলার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শাহ আলমঅতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের সদস্য মানিক মিয়া,বিএনপি নেতা মোঃ মিজানুর রহমান, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা ফজলুর রহমান মিন্টু, অপু,উপজেলা ছাত্রদল নেতা রায়হানুল রাজু,আল আমিন অয়ন,আরিফুল ইসলাম মজুুমদার সহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।মতবিনিময় সভায় লালমাই প্রেস ক্লাবের মতবিনিময় সভায় লালমাই প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি, দৈনিক বাংলা কাগজ ও দৈনিক শিরোনাম পত্রিকার প্রতিনিধি মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক ও দৈনিক সমাজ কন্ঠ পত্রিকা নিজস্ব প্রতিবেদক তোফায়েল মাহমুদ বাহার, সাংগঠনিক সম্পাদক ও দৈনিক বাংলা আলোড়ন পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক মোস্তফা কামাল মজুমদার রুবেল,প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, দৈনিক খোলা কাগজের উপজেলা প্রতিনিধি আজহারুল ইসলাম আজহার,স্বাস্থ্য সম্পাদক ও সাপ্তাহিক চলন পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি ডাঃ মহিন উদ্দিন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা, সাপ্তাহিক জবানবন্দি পত্রিকা ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও অপরাধ বিচিত্রা জেলা প্রতিনিধি রোকসানা মজুমদার সুখী, সাবেক দপ্তর সামছুল আলম মনির,শিক্ষা সম্পাদক ও ডেইলি নিউজ বাংলা প্রতিনিধি মোহাম্মদ উল্লাহ, ক্রীড়া সম্পাদক, দৈনিক কুমিল্লা কন্ঠ পত্রিকা ও এসডি টেলিভিশন উপজেলা প্রতিনিধি আহসান উল্লাহ রাজু, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ও দৈনিক একাত্তর পত্রিকা উপজেলা প্রতিনিধি খন্দকার আবাদ মিয়া, সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও দৈনিক দেশসেবা উপজেলা প্রতিনিধি মতিউর রহমান, সদস্য ও দৈনিক কুমিল্লা প্রতিচ্ছবি সম্পাদক ও প্রকাশক মনিরুল ইসলাম, সদস্য ও দৈনিক কুমিল্লা ডাক উপজেলা প্রতিনিধি মোঃ মাঈন উদ্দিন,সদস্য ও সাপ্তাহিক কুমিল্লা সময় পত্রিকা উপজেলা প্রতিনিধি মনসুর লোকমান রাকিব,সদস্য ও সাপ্তাহিক চলন পত্রিকা নিজস্ব প্রতিবেদক মোঃ ইউসুফ হোসেন, শিক্ষা নবীশ মোঃ কাউছার আহমেদ সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তারা সাংবাদিকতার বিভিন্ন সমস্যা, পেশাগত চ্যালেঞ্জ এবং স্থানীয় উন্নয়ন বিষয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন।প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া বলেন, “সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ। বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা সমাজকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড জনগণের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে গণমাধ্যমকে সোচ্চার থাকতে হবে।”সভা শেষে সাংবাদিক ও অতিথিদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে গণমাধ্যমকর্মীরা স্থানীয় বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার বিষয় তুলে ধরেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের মতবিনিময় অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
অনলাইন জরিপ
সারাদেশ
রাজনীতি
শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে দেশের চলমান সংকট মোকাবিলায় জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।ফ্যাসিবাদবিরোধী সব রাজনৈতিক দল নিয়ে জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়ে শরিফ ওসমান হাদি বলেন, বিএনপি অসহযোগিতা করলে তাদের জাতির কাছে জবাবদিহি করতে হবে। জামায়াত অসহযোগিতা করলে জবাবদিহি করতে হবে তাদেরও। এই সরকারের মেয়াদ হবে ১০ মাস থেকে এক বছর। যদি জাতীয় সরকার না করতে পারেন তাহলে জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল গড়ে তোলেন। জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল প্রধান হবেন ড. ইউনূস। সব রাজনৈতিক দল থেকে সেখানে প্রতিনিধি থাকবে সদস্য হিসাবে। তাদের সাংবিধানিক মর্যাদা হবে ক্যাবিনেট মন্ত্রী পরিষদের মতো। তারা মন্ত্রী হবেন না, উপদেষ্টা হবেন না কিন্তু ওয়াচডগ হিসাবে কাজ করবেন।জুলাই ঘোষণাপত্র প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত জুলাই ঘোষণাপত্রের কার্যক্রম না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে কোনো লাভ নেই। যদি জুলাই ঘোষণাপত্র না আসে, যারা জুলাইয়ের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন দিল্লির সঙ্গে মিলে আওয়ামী লীগ তাদের কচুকাটা করবে। জুলাই ঘোষণাপত্র সাংবিধানিক স্বীকৃতি পেলেই আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ হবে।
দেষ্টাকে বলেছি, গণঅভ্যুত্থানের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব শেষ করেই অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।এনসিপির পাঁচ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে জুলাই ঘোষণাপত্র একটি দাবি ছিল এবং সেটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল; সেটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয় সে দাবি জানিয়েছি। আমাদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস স্যারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।নাহিদ বলেন, দ্বিতীয়ত—জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হচ্ছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। তৃতীয়ত—শেখ হাসিনার আমলে হওয়া জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে বলেছি। কারণ সে সময়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন করেছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। দিনের ভোট রাতে করেছে, ডামি প্রার্থীর ভোট হয়েছে। ফলে সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলোকে সেই সময়ের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাখান করেছে। আবার সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে আদালতে নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতে পূর্বের নির্বাচনগুলোকে আইনগতভাবে যাতে অবৈধ ঘোষণা করা হয় সেই দাবি জানিয়েছি।চতুর্থ নম্বরে নাহিদ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমান যে ইলেকশন কমিশন সেটার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করার দাবি জানান তারা।সর্বশেষ জুলাই গণহত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে এনসিপি।প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত
দেষ্টাকে বলেছি, গণঅভ্যুত্থানের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব শেষ করেই অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।এনসিপির পাঁচ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে জুলাই ঘোষণাপত্র একটি দাবি ছিল এবং সেটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল; সেটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয় সে দাবি জানিয়েছি। আমাদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস স্যারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।নাহিদ বলেন, দ্বিতীয়ত—জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হচ্ছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। তৃতীয়ত—শেখ হাসিনার আমলে হওয়া জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে বলেছি। কারণ সে সময়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন করেছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। দিনের ভোট রাতে করেছে, ডামি প্রার্থীর ভোট হয়েছে। ফলে সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলোকে সেই সময়ের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাখান করেছে। আবার সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে আদালতে নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতে পূর্বের নির্বাচনগুলোকে আইনগতভাবে যাতে অবৈধ ঘোষণা করা হয় সেই দাবি জানিয়েছি।চতুর্থ নম্বরে নাহিদ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমান যে ইলেকশন কমিশন সেটার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করার দাবি জানান তারা।সর্বশেষ জুলাই গণহত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে এনসিপি।প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে যে ঐক্য গড়ে উঠেছিল সেখানে ফাটল দেখা দিয়েছে মন্তব্য করে নুর বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ছাত্রদের ওপর বিরক্ত। গণহত্যার বিচার, রাষ্ট্রীয় সংস্কার, নির্বাচন সবই প্রয়োজন। কিন্তু নির্বাচন নিয়ে কথা বললেই কোনো সদুত্তর নেই। প্রধান উপদেষ্টাকে ঘিরে আছে ওয়ান ইলেভেনের দুষ্টু চক্র।নুর বলেন, বাংলাদেশে অনির্বাচিত সরকার থাকলে সংকট কাটবে না। সংকট কাটাতে নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ প্রয়োজন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ আলোচনা না করেই করিডরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় কীভাবে! বিভিন্ন প্রসঙ্গে এর আগে জাতীয় সংলাপ হয়েছে, কিন্তু এখন কেন ডাকা হচ্ছে
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবু হানিফের সভাপতিত্বে পৌরসভার দৌলতপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই স্মরণসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহাবুব আলমগীর আলো, সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ আজাদ, আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী রাবেয়া বসরী প্রমুখ।
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবু হানিফের সভাপতিত্বে পৌরসভার দৌলতপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই স্মরণসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহাবুব আলমগীর আলো, সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ আজাদ, আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী রাবেয়া বসরী প্রমুখ।