জিরো টলারেন্স নীতিতে মদন: এমপি বাবরের নির্দেশে মাঠে ওসি হাসনাত জামানমোঃ রাসেল আহমেদ নেত্রকোনা প্রতিনিধি। নেত্রকোনা-৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব লুৎফুজ্জামান বাবরের কঠোর নির্দেশনা ও সার্বিক দিকনির্দেশনায় মদন উপজেলায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য উন্নতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ২০২৫ সালের ৮ ডিসেম্বর মদন থানায় অফিসার ইনচার্জ হিসেবে যোগদানের পর থেকেই ওসি হাসনাত জামান মাদক, জুয়া, চোরাচালানসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন।এমপি বাবরের নির্দেশনা মাননীয় সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবর একাধিক আইন-শৃঙ্খলা সভায় মদন উপজেলাকে মাদক ও অপরাধমুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি মাদক, জুয়া, চোরাচালান ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণের নির্দেশ দেন। তাঁর এই নির্দেশনা মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নে মদন থানা পুলিশ সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।বিট পুলিশিং কার্যক্রম জোরদা ওসি হাসনাত জামানের নেতৃত্বে মদন উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে নিয়মিত বিট পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এসব কার্যক্রমে জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, ব্যবসায়ী এবং সাধারণ জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হচ্ছে। এতে করে জনসচেতনতা বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি পুলিশের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়েছে।আইন-শৃঙ্খলা সভায় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন নিয়মিত মাসিক আইন-শৃঙ্খলা সভায় এলাকার সমস্যা চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। এমপির নির্দেশনা অনুযায়ী মাদক ও অপরাধ দমনে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে।মাদক ও জুয়া বিরোধী অভিযান মদন থানা পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে মাদক ব্যবসায়ী ও জুয়াড়িদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। বিভিন্ন সময়ে অভিযান চালিয়ে মাদক উদ্ধার এবং জুয়ার আসর ভেঙে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এতে এলাকায় অপরাধ প্রবণতা কমেছে বলে স্থানীয়রা মনে করছেন।চোরাচালান ও চুরি প্রতিরোধে পদক্ষেপ চোরাচালান ও চুরির মতো অপরাধ দমনে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। নিয়মিত টহল কার্যক্রম জোরদার করায় সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা বোধ বৃদ্ধি পেয়েছে।স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, এমপি লুৎফুজ্জামান বাবরের নির্দেশনা এবং ওসি হাসনাত জামানের কার্যকর পদক্ষেপের ফলে মদন উপজেলায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তাদের মতে, পুলিশের সক্রিয় ভূমিকার কারণে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ওসি হাসনাত জামানের বক্তব্য মদন থানার অফিসার ইনচার্জ হাসনাত জামান বলেন,“মাননীয় সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবরের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা মদন উপজেলাকে মাদক, জুয়া ও অপরাধমুক্ত করতে কাজ করছি। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”সচেতন মহলের প্রত্যাশা, এই ধারাবাহিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে মদন উপজেলা আরও নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ এলাকায় পরিণত হবে।
অনলাইন জরিপ
সারাদেশ
রাজনীতি
শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে দেশের চলমান সংকট মোকাবিলায় জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।ফ্যাসিবাদবিরোধী সব রাজনৈতিক দল নিয়ে জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়ে শরিফ ওসমান হাদি বলেন, বিএনপি অসহযোগিতা করলে তাদের জাতির কাছে জবাবদিহি করতে হবে। জামায়াত অসহযোগিতা করলে জবাবদিহি করতে হবে তাদেরও। এই সরকারের মেয়াদ হবে ১০ মাস থেকে এক বছর। যদি জাতীয় সরকার না করতে পারেন তাহলে জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল গড়ে তোলেন। জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল প্রধান হবেন ড. ইউনূস। সব রাজনৈতিক দল থেকে সেখানে প্রতিনিধি থাকবে সদস্য হিসাবে। তাদের সাংবিধানিক মর্যাদা হবে ক্যাবিনেট মন্ত্রী পরিষদের মতো। তারা মন্ত্রী হবেন না, উপদেষ্টা হবেন না কিন্তু ওয়াচডগ হিসাবে কাজ করবেন।জুলাই ঘোষণাপত্র প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত জুলাই ঘোষণাপত্রের কার্যক্রম না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে কোনো লাভ নেই। যদি জুলাই ঘোষণাপত্র না আসে, যারা জুলাইয়ের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন দিল্লির সঙ্গে মিলে আওয়ামী লীগ তাদের কচুকাটা করবে। জুলাই ঘোষণাপত্র সাংবিধানিক স্বীকৃতি পেলেই আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ হবে।
দেষ্টাকে বলেছি, গণঅভ্যুত্থানের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব শেষ করেই অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।এনসিপির পাঁচ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে জুলাই ঘোষণাপত্র একটি দাবি ছিল এবং সেটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল; সেটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয় সে দাবি জানিয়েছি। আমাদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস স্যারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।নাহিদ বলেন, দ্বিতীয়ত—জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হচ্ছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। তৃতীয়ত—শেখ হাসিনার আমলে হওয়া জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে বলেছি। কারণ সে সময়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন করেছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। দিনের ভোট রাতে করেছে, ডামি প্রার্থীর ভোট হয়েছে। ফলে সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলোকে সেই সময়ের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাখান করেছে। আবার সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে আদালতে নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতে পূর্বের নির্বাচনগুলোকে আইনগতভাবে যাতে অবৈধ ঘোষণা করা হয় সেই দাবি জানিয়েছি।চতুর্থ নম্বরে নাহিদ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমান যে ইলেকশন কমিশন সেটার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করার দাবি জানান তারা।সর্বশেষ জুলাই গণহত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে এনসিপি।প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত
দেষ্টাকে বলেছি, গণঅভ্যুত্থানের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব শেষ করেই অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।এনসিপির পাঁচ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে জুলাই ঘোষণাপত্র একটি দাবি ছিল এবং সেটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল; সেটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয় সে দাবি জানিয়েছি। আমাদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস স্যারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।নাহিদ বলেন, দ্বিতীয়ত—জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হচ্ছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। তৃতীয়ত—শেখ হাসিনার আমলে হওয়া জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে বলেছি। কারণ সে সময়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন করেছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। দিনের ভোট রাতে করেছে, ডামি প্রার্থীর ভোট হয়েছে। ফলে সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলোকে সেই সময়ের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাখান করেছে। আবার সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে আদালতে নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতে পূর্বের নির্বাচনগুলোকে আইনগতভাবে যাতে অবৈধ ঘোষণা করা হয় সেই দাবি জানিয়েছি।চতুর্থ নম্বরে নাহিদ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমান যে ইলেকশন কমিশন সেটার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করার দাবি জানান তারা।সর্বশেষ জুলাই গণহত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে এনসিপি।প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে যে ঐক্য গড়ে উঠেছিল সেখানে ফাটল দেখা দিয়েছে মন্তব্য করে নুর বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ছাত্রদের ওপর বিরক্ত। গণহত্যার বিচার, রাষ্ট্রীয় সংস্কার, নির্বাচন সবই প্রয়োজন। কিন্তু নির্বাচন নিয়ে কথা বললেই কোনো সদুত্তর নেই। প্রধান উপদেষ্টাকে ঘিরে আছে ওয়ান ইলেভেনের দুষ্টু চক্র।নুর বলেন, বাংলাদেশে অনির্বাচিত সরকার থাকলে সংকট কাটবে না। সংকট কাটাতে নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ প্রয়োজন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ আলোচনা না করেই করিডরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় কীভাবে! বিভিন্ন প্রসঙ্গে এর আগে জাতীয় সংলাপ হয়েছে, কিন্তু এখন কেন ডাকা হচ্ছে
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবু হানিফের সভাপতিত্বে পৌরসভার দৌলতপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই স্মরণসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহাবুব আলমগীর আলো, সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ আজাদ, আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী রাবেয়া বসরী প্রমুখ।
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবু হানিফের সভাপতিত্বে পৌরসভার দৌলতপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই স্মরণসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহাবুব আলমগীর আলো, সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ আজাদ, আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী রাবেয়া বসরী প্রমুখ।