রাজশাহীতে টোকেনে তেল দেয়া হচ্ছেমো: গোলাম কিবরিয়া,রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:-রাজশাহীতে গাড়ির কাগজপত্র দেখে টোকেনের মাধ্যমে দেওয়া হচ্ছে জ্বালানি তেল। আজ বুধবার দুপুরে কাটাখালী জ্বালানি তেলের জন্য দীর্ঘ লাইনের ভোগান্তি কমাতে রাজশাহীতে টোকেন পদ্ধতি চালু করেছে একটি ফিলিং স্টেশন। গাড়ির কাগজপত্র যাচাইয়ের পর সংশ্লিষ্টদের দেওয়া হচ্ছে টোকেন, আর সেটি দেখিয়েই নির্ধারিত সময়ে তেল পাচ্ছেন গ্রাহকেরা। টোকেন ছাড়া সেখানে মিলছে না জ্বালানি। এতে শৃঙ্খলা ফিরেছে পাম্পে, কমেছে ভিড় ও বিশৃঙ্খলা—এমনটিই দাবি ফিলিং স্টেশনটির মালিক–কর্মচারীদের।রাজশাহীর কাটাখালী পৌরসভায় অবস্থিত ওই প্রতিষ্ঠানের মেসার্স সুহাইল ফিলিং স্টেশন। এটির কর্তৃপক্ষ জানায়, মেট্রোপলিটন এলাকার মোটরসাইকেলচালকদের জন্য হলুদ টোকেনে ৫০০ টাকা এবং মেট্রোপলিটনের বাইরের চালকদের জন্য সাদা টোকেনে ২০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে। হলুদ টোকেনে তেল নিলে পাম্পটি থেকে পাঁচ দিন পর আবার তেল পাবেন ক্রেতা। এর আগে তাঁকে তেল দেওয়া হবে না। আর সাদা টোকেন দেখিয়ে দুই দিন পর তেল পাওয়া যাবে। টোকেনে তেল দেওয়ার তারিখ উল্লেখ করা হয়।আজ বুধবার দুপুরে দেখা যায়, পাম্পের সামনে দুটি সারিতে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন। এতে দাঁড়ানোর পর পাম্পের কর্মীরা প্রথমে গাড়ির রেজিস্ট্রেশন ও চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স যাচাই করছেন। এরপর রেজিস্ট্রেশন নম্বর নথিভুক্ত করে টোকেন দেওয়া হচ্ছে।তিন দিন ধরে চালু এই পদ্ধতির কারণে পাম্পে শৃঙ্খলা ফিরেছে বলে জানান এর মালিক মোহাম্মদ সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, ‘আমরা আগের চেয়ে বেশি তেল সরবরাহ পাচ্ছি। কিন্তু বিভিন্ন এলাকা থেকে মোটরসাইকেল এসে একাধিকবার তেল নিয়ে মজুত করছিল। এতে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হচ্ছিল। যাতে কেউ অতিরিক্ত তেল নিতে না পারে, তাই আমরা কার্ড বা টোকেনব্যবস্থা চালু করেছি।’এক দিনে ৮৮ হাজার লিটার তেল উদ্ধার: জ্বালানি বিভাগ এই ব্যবস্থায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন পাম্পে তেল নিতে আসা গ্রাহকেরাও। আবু হাসেম নামের এক গ্রাহক বলেন, ‘এই সংকটের মধ্যে এমন ব্যবস্থাপনায় অনেক ভালো লাগছে। লাইনে দাঁড়িয়ে শান্তভাবে তেল নিতে পারছি, কোনো সিন্ডিকেট নেই।’সাইফুল ইসলাম নামের আরেক গ্রাহক বলেন, ঈদের আগে এখানে ৩৫০ টাকার তেল নিয়েছিলাম। আজ প্রায় ১০ দিন পর আবার তেল নিতে এসেছি। এই কার্ড দেখালে আবার তেল পাওয়া যাবে—এটা একটা নিশ্চয়তা।পাম্পে উপস্থিত আরেক গ্রাহক একরাম আলী জানান, আগের দিন তিনি দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে তেল পাননি। সারা দিন ঘুরেও তেল পাননি। কিন্তু এখানে এসে কার্ড পেয়েছেন।ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বরত এক পুলিশ সদস্য জানান, এই পদ্ধতি অবলম্বন করায় পাম্পে শান্ত পরিবেশ আছে। কেউ আগে এসেই তেল নিতে পারছেন না। যাঁর কাছে কার্ড থাকবে, তিনি লাইন মেনে এলেই তেল পাচ্ছেন।
অনলাইন জরিপ
সারাদেশ
রাজনীতি
শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে দেশের চলমান সংকট মোকাবিলায় জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।ফ্যাসিবাদবিরোধী সব রাজনৈতিক দল নিয়ে জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়ে শরিফ ওসমান হাদি বলেন, বিএনপি অসহযোগিতা করলে তাদের জাতির কাছে জবাবদিহি করতে হবে। জামায়াত অসহযোগিতা করলে জবাবদিহি করতে হবে তাদেরও। এই সরকারের মেয়াদ হবে ১০ মাস থেকে এক বছর। যদি জাতীয় সরকার না করতে পারেন তাহলে জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল গড়ে তোলেন। জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল প্রধান হবেন ড. ইউনূস। সব রাজনৈতিক দল থেকে সেখানে প্রতিনিধি থাকবে সদস্য হিসাবে। তাদের সাংবিধানিক মর্যাদা হবে ক্যাবিনেট মন্ত্রী পরিষদের মতো। তারা মন্ত্রী হবেন না, উপদেষ্টা হবেন না কিন্তু ওয়াচডগ হিসাবে কাজ করবেন।জুলাই ঘোষণাপত্র প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত জুলাই ঘোষণাপত্রের কার্যক্রম না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে কোনো লাভ নেই। যদি জুলাই ঘোষণাপত্র না আসে, যারা জুলাইয়ের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন দিল্লির সঙ্গে মিলে আওয়ামী লীগ তাদের কচুকাটা করবে। জুলাই ঘোষণাপত্র সাংবিধানিক স্বীকৃতি পেলেই আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ হবে।
দেষ্টাকে বলেছি, গণঅভ্যুত্থানের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব শেষ করেই অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।এনসিপির পাঁচ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে জুলাই ঘোষণাপত্র একটি দাবি ছিল এবং সেটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল; সেটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয় সে দাবি জানিয়েছি। আমাদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস স্যারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।নাহিদ বলেন, দ্বিতীয়ত—জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হচ্ছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। তৃতীয়ত—শেখ হাসিনার আমলে হওয়া জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে বলেছি। কারণ সে সময়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন করেছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। দিনের ভোট রাতে করেছে, ডামি প্রার্থীর ভোট হয়েছে। ফলে সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলোকে সেই সময়ের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাখান করেছে। আবার সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে আদালতে নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতে পূর্বের নির্বাচনগুলোকে আইনগতভাবে যাতে অবৈধ ঘোষণা করা হয় সেই দাবি জানিয়েছি।চতুর্থ নম্বরে নাহিদ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমান যে ইলেকশন কমিশন সেটার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করার দাবি জানান তারা।সর্বশেষ জুলাই গণহত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে এনসিপি।প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত
দেষ্টাকে বলেছি, গণঅভ্যুত্থানের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব শেষ করেই অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।এনসিপির পাঁচ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে জুলাই ঘোষণাপত্র একটি দাবি ছিল এবং সেটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল; সেটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয় সে দাবি জানিয়েছি। আমাদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস স্যারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।নাহিদ বলেন, দ্বিতীয়ত—জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হচ্ছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। তৃতীয়ত—শেখ হাসিনার আমলে হওয়া জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে বলেছি। কারণ সে সময়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন করেছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। দিনের ভোট রাতে করেছে, ডামি প্রার্থীর ভোট হয়েছে। ফলে সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলোকে সেই সময়ের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাখান করেছে। আবার সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে আদালতে নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতে পূর্বের নির্বাচনগুলোকে আইনগতভাবে যাতে অবৈধ ঘোষণা করা হয় সেই দাবি জানিয়েছি।চতুর্থ নম্বরে নাহিদ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমান যে ইলেকশন কমিশন সেটার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করার দাবি জানান তারা।সর্বশেষ জুলাই গণহত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে এনসিপি।প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে যে ঐক্য গড়ে উঠেছিল সেখানে ফাটল দেখা দিয়েছে মন্তব্য করে নুর বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ছাত্রদের ওপর বিরক্ত। গণহত্যার বিচার, রাষ্ট্রীয় সংস্কার, নির্বাচন সবই প্রয়োজন। কিন্তু নির্বাচন নিয়ে কথা বললেই কোনো সদুত্তর নেই। প্রধান উপদেষ্টাকে ঘিরে আছে ওয়ান ইলেভেনের দুষ্টু চক্র।নুর বলেন, বাংলাদেশে অনির্বাচিত সরকার থাকলে সংকট কাটবে না। সংকট কাটাতে নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ প্রয়োজন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ আলোচনা না করেই করিডরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় কীভাবে! বিভিন্ন প্রসঙ্গে এর আগে জাতীয় সংলাপ হয়েছে, কিন্তু এখন কেন ডাকা হচ্ছে
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবু হানিফের সভাপতিত্বে পৌরসভার দৌলতপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই স্মরণসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহাবুব আলমগীর আলো, সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ আজাদ, আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী রাবেয়া বসরী প্রমুখ।
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবু হানিফের সভাপতিত্বে পৌরসভার দৌলতপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই স্মরণসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহাবুব আলমগীর আলো, সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ আজাদ, আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী রাবেয়া বসরী প্রমুখ।