বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে নিয়ে লেখা আজম পাটোয়ারীর ৮টি গ্রন্থ অর্থাভাবে প্রকাশ করতে পারছে না!নিজস্ব প্রতিবেদক (মতলব, চাঁদপুর): চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার দক্ষিণ টরকী গ্রামের সন্তান ইতিহাস নিরপেক্ষ স্বশিক্ষিত লেখক মোঃ আজম পাটোয়ারী তাঁর লেখা মোট ১৭টি গ্রন্থ অর্থাভাবে প্রকাশ করতে পারছেন না বলে জানা গেছে। লেখক জানান, তাঁর রচিত বইগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক বিশ্লেষণ, জীবনী, কবিতা, ছোটগল্প ও গবেষণাধর্মী রচনা রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলো হলো—“বেগম খালেদা জিয়া: মাদার অব ডেমোক্রেসি”, “বেগম খালেদা জিয়া: বাংলাদেশে নারী নেতৃত্বের অনন্য দৃষ্টান্ত”, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তারেক রহমানের ভূমিকা ও অবদান”, “তারেক রহমান: ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের রূপকার”, “তারেক রহমান: রাষ্ট্রনায়ক চিন্তাধারার সূচনা”, “তারেক রহমান: রাষ্ট্রনায়ক হওয়ার প্রস্তুতি”, “বাংলাদেশে বিএনপির গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার” এবং “বিএনপির সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা”।তিনি আরও জানান, জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে নিয়ে আরও প্রায় ১৫টিরও বেশি গ্রন্থের কাজ চলমান রয়েছে।এছাড়া তাঁর প্রকাশের অপেক্ষায় থাকা অন্যান্য গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে— “পুরুষোত্তম রাজনীতিবিদ মোঃ নুরুল হুদা (জীবনী)”, “রুবাইয়াৎ এ আজম (পাগলনামা)”, “ইথিক্সের গল্প (রাজনৈতিক কবিতা)”, “আকাশের ক্যানভাস (কবিতা)”, “স্বপ্নলোক ও হিমাদ্রিনী (কবিতা)”, “আরেকটি গল্প (ছোট গল্প)”, “হিমাদ্রিনী ও বিকেলের চিঠি (ছোট গল্প)”, “আল কোরআনের গুরুত্ব ও শিক্ষা (গবেষণামূলক)”, “ইসলামী জীবনদর্শন”, “নাস্তিকতা একটি অন্ধ বিশ্বাস”, “ইসলামের সৌন্দর্য”, “আদর্শ মুসলমান”, “অন্যান্য ধর্ম ও ধর্মগ্রন্থ মতে হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)”, “আমি কে?”, “ধর্ম বনাম মানুষ”, “ইসমে আযম” ও “বিদ্রোহী রণক্লান্ত”সহ আরও একাধিক গ্রন্থ।লেখক জানান, তাঁর কবিতার সংখ্যা প্রায় ৫৫০০টিরও বেশি এবং ছোটগল্প রয়েছে প্রায় ১০০টি। তাছাড়া, ইসলামী প্রবন্ধ,কলাম,নাটক, উপন্যাস,ভুতের গল্প,জীবনী, ফোকগান, আধুনিক গান,দেহতত্ত্ব গান খাতায় কলম সাধনা করে যাচ্ছেন নিরবধি।তিনি বলেন, তাঁর গ্রামের বাড়ি দক্ষিণ টরকী, মতলব উত্তর, চাঁদপুর। তিনি একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান এবং একটি ক্ষুদ্র প্রকাশনী পরিচালনা করেন। সীমিত আর্থিক সক্ষমতার কারণে এতগুলো বই একসঙ্গে প্রকাশ করা তাঁর জন্য সম্ভব হচ্ছে না।তিনি আরও জানান, দীর্ঘদিন ধরে তিনি “মতলব লেখক পরিষদ” নামে অবিভক্ত মতলব (উত্তর-দক্ষিণ) ভিত্তিক একটি সাহিত্য সংগঠন গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন। সাহিত্য সাধনাই তাঁর ধ্যান-জ্ঞান বলেও উল্লেখ করেন তিনি।সেই সাথে আরো উল্লেখ্য যে, ইতিমধ্যে তার তিনটি কাব্যগ্রন্থ ও একটি ছোটগল্প বই প্রকাশিত হয়েছে। লেখক সংশ্লিষ্ট মহল ও সুশীল রাজনীতি সচেতণ মহলে সহযোগিতা পেলে তাঁর দীর্ঘদিনের সৃষ্টিকর্মগুলো পাঠকের হাতে পৌঁছানো সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
অনলাইন জরিপ
সারাদেশ
রাজনীতি
শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে দেশের চলমান সংকট মোকাবিলায় জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।ফ্যাসিবাদবিরোধী সব রাজনৈতিক দল নিয়ে জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়ে শরিফ ওসমান হাদি বলেন, বিএনপি অসহযোগিতা করলে তাদের জাতির কাছে জবাবদিহি করতে হবে। জামায়াত অসহযোগিতা করলে জবাবদিহি করতে হবে তাদেরও। এই সরকারের মেয়াদ হবে ১০ মাস থেকে এক বছর। যদি জাতীয় সরকার না করতে পারেন তাহলে জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল গড়ে তোলেন। জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল প্রধান হবেন ড. ইউনূস। সব রাজনৈতিক দল থেকে সেখানে প্রতিনিধি থাকবে সদস্য হিসাবে। তাদের সাংবিধানিক মর্যাদা হবে ক্যাবিনেট মন্ত্রী পরিষদের মতো। তারা মন্ত্রী হবেন না, উপদেষ্টা হবেন না কিন্তু ওয়াচডগ হিসাবে কাজ করবেন।জুলাই ঘোষণাপত্র প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত জুলাই ঘোষণাপত্রের কার্যক্রম না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে কোনো লাভ নেই। যদি জুলাই ঘোষণাপত্র না আসে, যারা জুলাইয়ের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন দিল্লির সঙ্গে মিলে আওয়ামী লীগ তাদের কচুকাটা করবে। জুলাই ঘোষণাপত্র সাংবিধানিক স্বীকৃতি পেলেই আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ হবে।
দেষ্টাকে বলেছি, গণঅভ্যুত্থানের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব শেষ করেই অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।এনসিপির পাঁচ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে জুলাই ঘোষণাপত্র একটি দাবি ছিল এবং সেটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল; সেটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয় সে দাবি জানিয়েছি। আমাদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস স্যারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।নাহিদ বলেন, দ্বিতীয়ত—জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হচ্ছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। তৃতীয়ত—শেখ হাসিনার আমলে হওয়া জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে বলেছি। কারণ সে সময়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন করেছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। দিনের ভোট রাতে করেছে, ডামি প্রার্থীর ভোট হয়েছে। ফলে সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলোকে সেই সময়ের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাখান করেছে। আবার সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে আদালতে নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতে পূর্বের নির্বাচনগুলোকে আইনগতভাবে যাতে অবৈধ ঘোষণা করা হয় সেই দাবি জানিয়েছি।চতুর্থ নম্বরে নাহিদ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমান যে ইলেকশন কমিশন সেটার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করার দাবি জানান তারা।সর্বশেষ জুলাই গণহত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে এনসিপি।প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত
দেষ্টাকে বলেছি, গণঅভ্যুত্থানের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব শেষ করেই অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।এনসিপির পাঁচ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে জুলাই ঘোষণাপত্র একটি দাবি ছিল এবং সেটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল; সেটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয় সে দাবি জানিয়েছি। আমাদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস স্যারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।নাহিদ বলেন, দ্বিতীয়ত—জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হচ্ছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। তৃতীয়ত—শেখ হাসিনার আমলে হওয়া জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে বলেছি। কারণ সে সময়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন করেছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। দিনের ভোট রাতে করেছে, ডামি প্রার্থীর ভোট হয়েছে। ফলে সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলোকে সেই সময়ের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাখান করেছে। আবার সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে আদালতে নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতে পূর্বের নির্বাচনগুলোকে আইনগতভাবে যাতে অবৈধ ঘোষণা করা হয় সেই দাবি জানিয়েছি।চতুর্থ নম্বরে নাহিদ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমান যে ইলেকশন কমিশন সেটার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করার দাবি জানান তারা।সর্বশেষ জুলাই গণহত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে এনসিপি।প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে যে ঐক্য গড়ে উঠেছিল সেখানে ফাটল দেখা দিয়েছে মন্তব্য করে নুর বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ছাত্রদের ওপর বিরক্ত। গণহত্যার বিচার, রাষ্ট্রীয় সংস্কার, নির্বাচন সবই প্রয়োজন। কিন্তু নির্বাচন নিয়ে কথা বললেই কোনো সদুত্তর নেই। প্রধান উপদেষ্টাকে ঘিরে আছে ওয়ান ইলেভেনের দুষ্টু চক্র।নুর বলেন, বাংলাদেশে অনির্বাচিত সরকার থাকলে সংকট কাটবে না। সংকট কাটাতে নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ প্রয়োজন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ আলোচনা না করেই করিডরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় কীভাবে! বিভিন্ন প্রসঙ্গে এর আগে জাতীয় সংলাপ হয়েছে, কিন্তু এখন কেন ডাকা হচ্ছে
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবু হানিফের সভাপতিত্বে পৌরসভার দৌলতপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই স্মরণসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহাবুব আলমগীর আলো, সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ আজাদ, আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী রাবেয়া বসরী প্রমুখ।
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবু হানিফের সভাপতিত্বে পৌরসভার দৌলতপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই স্মরণসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহাবুব আলমগীর আলো, সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ আজাদ, আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী রাবেয়া বসরী প্রমুখ।