শাপলা চত্বরসহ বিভিন্ন ঘটনার বিচার দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতে ইসলামের বিক্ষোভ, তদন্ত কমিশন গঠনের আহ্বান।জাহাঙ্গীর আলম জেলা প্রতিনিধি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া:- ২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর শাপলা চত্বরে সংঘটিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিচার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। একইসঙ্গে ২০২১ ও ২০২৪ সালে দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘটে যাওয়া সহিংস ঘটনারও নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচার দাবি জানানো হয়।মঙ্গলবার (৫ মে) বিকেলে জেলা হেফাজতে ইসলামের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে বিপুল সংখ্যক আলেম-ওলামা, কওমী মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শহরের কান্দিপাড়ায় অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী জামিয়া ইউনুসিয়া মাদ্রাসার সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়।মিছিলটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে এক পর্যায়ে জনসমাগমে রূপ নেয়। কালিবাড়ি মোড়, টি এ রোড, ফকিরাপুল ও সদর হাসপাতাল সড়ক এলাকায় মিছিলকারীরা বিভিন্ন দাবিসংবলিত ব্যানার-ফেস্টুন বহন করেন এবং শাপলা চত্বরসহ বিভিন্ন ঘটনার বিচার দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। এতে শহরের সাধারণ মানুষের মধ্যেও ব্যাপক কৌতূহল ও আলোচনা সৃষ্টি হয়।মিছিল শেষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা হেফাজতে ইসলামের সেক্রেটারি মাওলানা আলী আজম কাসেমী। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংগঠনের জেলা সহ-সভাপতি মুফতি মারুফ কাসেমী।সমাবেশে বক্তারা বলেন, শাপলা চত্বরের ঘটনায় যারা নিহত হয়েছেন, তাদের প্রকৃত সংখ্যা ও ঘটনার পূর্ণাঙ্গ চিত্র আজও জাতির সামনে স্পষ্টভাবে উপস্থাপিত হয়নি। নিহতদের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে ন্যায়বিচারের প্রত্যাশায় থাকলেও তারা এখনো হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন।বক্তারা আরও বলেন, “২০২১ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সংঘটিত সহিংসতায় বহু আলেম-ওলামা ও সাধারণ মানুষ হতাহত হয়েছেন। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ঘটনাগুলোতেও একই ধরনের চিত্র পরিলক্ষিত হয়। কিন্তু এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত না হওয়ায় প্রকৃত সত্য আড়ালেই থেকে যাচ্ছে।”তারা অভিযোগ করেন, বিচারহীনতার সংস্কৃতি অব্যাহত থাকলে সমাজে অস্থিরতা বাড়বে এবং আইনের শাসন প্রশ্নবিদ্ধ হবে। এ অবস্থায় দ্রুত সময়ের মধ্যে একটি নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য বিচারিক তদন্ত কমিশন গঠন করে সব ঘটনার সত্য উদঘাটনের দাবি জানান তারা।সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সহ-সভাপতি মুফতি তানভীরুল হক সিরাজী, সহ-সাধারণ সম্পাদক মাওলানা শরিফ উদ্দিন আফতাবী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি জাকারিয়া খান, আইন বিষয়ক সম্পাদক মুফতি ইহসাক আল হোসাইন, মুফতি আব্দুল হান্নান কাসেমী ও ইকবাল সিরাজীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।বক্তারা বলেন, “অতীতের ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা না হলে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকানো সম্ভব হবে না।” তারা সরকারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।সমাবেশে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত নেতাকর্মীরা ছাড়াও কওমী মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, আলেম-ওলামা ও স্থানীয় মুসল্লিরা উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচিটি শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হলেও অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে দাবি আদায়ের দৃঢ় প্রত্যয় লক্ষ্য করা যায়।
অনলাইন জরিপ
সারাদেশ
রাজনীতি
শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে দেশের চলমান সংকট মোকাবিলায় জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।ফ্যাসিবাদবিরোধী সব রাজনৈতিক দল নিয়ে জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়ে শরিফ ওসমান হাদি বলেন, বিএনপি অসহযোগিতা করলে তাদের জাতির কাছে জবাবদিহি করতে হবে। জামায়াত অসহযোগিতা করলে জবাবদিহি করতে হবে তাদেরও। এই সরকারের মেয়াদ হবে ১০ মাস থেকে এক বছর। যদি জাতীয় সরকার না করতে পারেন তাহলে জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল গড়ে তোলেন। জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল প্রধান হবেন ড. ইউনূস। সব রাজনৈতিক দল থেকে সেখানে প্রতিনিধি থাকবে সদস্য হিসাবে। তাদের সাংবিধানিক মর্যাদা হবে ক্যাবিনেট মন্ত্রী পরিষদের মতো। তারা মন্ত্রী হবেন না, উপদেষ্টা হবেন না কিন্তু ওয়াচডগ হিসাবে কাজ করবেন।জুলাই ঘোষণাপত্র প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত জুলাই ঘোষণাপত্রের কার্যক্রম না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে কোনো লাভ নেই। যদি জুলাই ঘোষণাপত্র না আসে, যারা জুলাইয়ের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন দিল্লির সঙ্গে মিলে আওয়ামী লীগ তাদের কচুকাটা করবে। জুলাই ঘোষণাপত্র সাংবিধানিক স্বীকৃতি পেলেই আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ হবে।
দেষ্টাকে বলেছি, গণঅভ্যুত্থানের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব শেষ করেই অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।এনসিপির পাঁচ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে জুলাই ঘোষণাপত্র একটি দাবি ছিল এবং সেটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল; সেটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয় সে দাবি জানিয়েছি। আমাদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস স্যারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।নাহিদ বলেন, দ্বিতীয়ত—জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হচ্ছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। তৃতীয়ত—শেখ হাসিনার আমলে হওয়া জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে বলেছি। কারণ সে সময়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন করেছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। দিনের ভোট রাতে করেছে, ডামি প্রার্থীর ভোট হয়েছে। ফলে সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলোকে সেই সময়ের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাখান করেছে। আবার সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে আদালতে নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতে পূর্বের নির্বাচনগুলোকে আইনগতভাবে যাতে অবৈধ ঘোষণা করা হয় সেই দাবি জানিয়েছি।চতুর্থ নম্বরে নাহিদ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমান যে ইলেকশন কমিশন সেটার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করার দাবি জানান তারা।সর্বশেষ জুলাই গণহত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে এনসিপি।প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত
দেষ্টাকে বলেছি, গণঅভ্যুত্থানের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব শেষ করেই অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।এনসিপির পাঁচ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে জুলাই ঘোষণাপত্র একটি দাবি ছিল এবং সেটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল; সেটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয় সে দাবি জানিয়েছি। আমাদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস স্যারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।নাহিদ বলেন, দ্বিতীয়ত—জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হচ্ছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। তৃতীয়ত—শেখ হাসিনার আমলে হওয়া জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে বলেছি। কারণ সে সময়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন করেছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। দিনের ভোট রাতে করেছে, ডামি প্রার্থীর ভোট হয়েছে। ফলে সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলোকে সেই সময়ের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাখান করেছে। আবার সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে আদালতে নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতে পূর্বের নির্বাচনগুলোকে আইনগতভাবে যাতে অবৈধ ঘোষণা করা হয় সেই দাবি জানিয়েছি।চতুর্থ নম্বরে নাহিদ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমান যে ইলেকশন কমিশন সেটার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করার দাবি জানান তারা।সর্বশেষ জুলাই গণহত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে এনসিপি।প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে যে ঐক্য গড়ে উঠেছিল সেখানে ফাটল দেখা দিয়েছে মন্তব্য করে নুর বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ছাত্রদের ওপর বিরক্ত। গণহত্যার বিচার, রাষ্ট্রীয় সংস্কার, নির্বাচন সবই প্রয়োজন। কিন্তু নির্বাচন নিয়ে কথা বললেই কোনো সদুত্তর নেই। প্রধান উপদেষ্টাকে ঘিরে আছে ওয়ান ইলেভেনের দুষ্টু চক্র।নুর বলেন, বাংলাদেশে অনির্বাচিত সরকার থাকলে সংকট কাটবে না। সংকট কাটাতে নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ প্রয়োজন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ আলোচনা না করেই করিডরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় কীভাবে! বিভিন্ন প্রসঙ্গে এর আগে জাতীয় সংলাপ হয়েছে, কিন্তু এখন কেন ডাকা হচ্ছে
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবু হানিফের সভাপতিত্বে পৌরসভার দৌলতপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই স্মরণসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহাবুব আলমগীর আলো, সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ আজাদ, আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী রাবেয়া বসরী প্রমুখ।
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবু হানিফের সভাপতিত্বে পৌরসভার দৌলতপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই স্মরণসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহাবুব আলমগীর আলো, সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ আজাদ, আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী রাবেয়া বসরী প্রমুখ।