চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের আয়োজনে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলো জুলাই শহিদ দিবস মোঃ হাসানুর জামান বাবু, চট্টগ্রাম। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মহান শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা ও স্মরণে আজ (১৬ জুলাই) সারাদেশের ন্যায় চট্টগ্রামেও যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালিত হয়েছে 'জুলাই শহিদ দিবস ২০২৬'। জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রামের উদ্যোগে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মহান জুলাই শহিদদের আত্মত্যাগের স্মৃতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়।দিবসের কর্মসূচির সূচনা হয় সকাল ৬টায় জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে। মহান জুলাই শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ড. মোঃ জিয়াউদ্দীন। পরে জেলা প্রশাসক জনাব মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা-এর নেতৃত্বে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।এ সময় আরও পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার জনাব মোঃ শওকত আলী, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি জনাব মোঃ মনিরুজ্জামান, চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার জনাব মোঃ মাসুদ আলম, বিপিএম। এছাড়াও গণপূর্ত অধিদপ্তর, বাংলাদেশ রেলওয়ে এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও সংস্থার প্রতিনিধিরা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। জুলাই শহিদ পরিবারের সদস্যরাও পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তাঁদের প্রিয়জনদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।পরে সকাল ১০টায় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসের সম্মেলন কক্ষে জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগের কমিশনার ড. মোঃ জিয়াউদ্দীন। অনুষ্ঠানে জুলাই অভ্যুত্থানের শহিদ পরিবারের সদস্যরা ও আহত যোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি জনাব মোঃ নাজিমুল হক, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার জনাব মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ, পুলিশ সুপার জনাব মোঃ মাসুদ আলম, বিপিএম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ শরীফ উদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এল এ) মোঃ কামরুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) পাঠান মোঃ সাইদুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সাখাওয়াত জামিল সৈকতসহ জেলা প্রশাসন ও জেলার অন্যান্য দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক জনাব মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।আলোচনা সভায় বক্তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস, এর গভীর তাৎপর্য এবং একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে জুলাই শহিদদের অনন্য আত্মত্যাগের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তাঁরা বলেন, মহান শহিদদের রক্তে রচিত এই ইতিহাস নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেম, ন্যায়বিচার এবং মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করবে। তাঁদের আত্মত্যাগ জাতির জন্য চিরকাল প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।আলোচনা সভা শেষে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বীর চট্টলার প্রথম শহিদ ওয়াসিম আকরাম-এর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে 'শহিদ ওয়াসিম আকরাম স্মৃতিস্তম্ভ'-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব ইশরাক হোসেন, এমপি, মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শহিদ ওয়াসিম আকরামের পিতা জনাব শফিউল আলম, জনাব মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, এমপি (চট্টগ্রাম-৯)। এ সময় বিভাগীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ, জেলা পুলিশ, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, জুলাই শহিদ পরিবারের সদস্য এবং সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। মোনাজাতে মহান আল্লাহর দরবারে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহিদের রুহের মাগফিরাত, আহতদের দ্রুত সুস্থতা এবং দেশের শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়।জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রামের আয়োজিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে মহান জুলাই শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পাশাপাশি তাঁদের আত্মত্যাগের আদর্শ ধারণ করে একটি সমৃদ্ধ, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
অনলাইন জরিপ
সারাদেশ
রাজনীতি
শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে দেশের চলমান সংকট মোকাবিলায় জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।ফ্যাসিবাদবিরোধী সব রাজনৈতিক দল নিয়ে জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়ে শরিফ ওসমান হাদি বলেন, বিএনপি অসহযোগিতা করলে তাদের জাতির কাছে জবাবদিহি করতে হবে। জামায়াত অসহযোগিতা করলে জবাবদিহি করতে হবে তাদেরও। এই সরকারের মেয়াদ হবে ১০ মাস থেকে এক বছর। যদি জাতীয় সরকার না করতে পারেন তাহলে জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল গড়ে তোলেন। জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল প্রধান হবেন ড. ইউনূস। সব রাজনৈতিক দল থেকে সেখানে প্রতিনিধি থাকবে সদস্য হিসাবে। তাদের সাংবিধানিক মর্যাদা হবে ক্যাবিনেট মন্ত্রী পরিষদের মতো। তারা মন্ত্রী হবেন না, উপদেষ্টা হবেন না কিন্তু ওয়াচডগ হিসাবে কাজ করবেন।জুলাই ঘোষণাপত্র প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত জুলাই ঘোষণাপত্রের কার্যক্রম না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে কোনো লাভ নেই। যদি জুলাই ঘোষণাপত্র না আসে, যারা জুলাইয়ের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন দিল্লির সঙ্গে মিলে আওয়ামী লীগ তাদের কচুকাটা করবে। জুলাই ঘোষণাপত্র সাংবিধানিক স্বীকৃতি পেলেই আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ হবে।
দেষ্টাকে বলেছি, গণঅভ্যুত্থানের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব শেষ করেই অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।এনসিপির পাঁচ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে জুলাই ঘোষণাপত্র একটি দাবি ছিল এবং সেটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল; সেটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয় সে দাবি জানিয়েছি। আমাদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস স্যারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।নাহিদ বলেন, দ্বিতীয়ত—জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হচ্ছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। তৃতীয়ত—শেখ হাসিনার আমলে হওয়া জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে বলেছি। কারণ সে সময়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন করেছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। দিনের ভোট রাতে করেছে, ডামি প্রার্থীর ভোট হয়েছে। ফলে সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলোকে সেই সময়ের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাখান করেছে। আবার সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে আদালতে নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতে পূর্বের নির্বাচনগুলোকে আইনগতভাবে যাতে অবৈধ ঘোষণা করা হয় সেই দাবি জানিয়েছি।চতুর্থ নম্বরে নাহিদ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমান যে ইলেকশন কমিশন সেটার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করার দাবি জানান তারা।সর্বশেষ জুলাই গণহত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে এনসিপি।প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত
দেষ্টাকে বলেছি, গণঅভ্যুত্থানের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব শেষ করেই অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।এনসিপির পাঁচ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে জুলাই ঘোষণাপত্র একটি দাবি ছিল এবং সেটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল; সেটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয় সে দাবি জানিয়েছি। আমাদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস স্যারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।নাহিদ বলেন, দ্বিতীয়ত—জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হচ্ছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। তৃতীয়ত—শেখ হাসিনার আমলে হওয়া জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে বলেছি। কারণ সে সময়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন করেছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। দিনের ভোট রাতে করেছে, ডামি প্রার্থীর ভোট হয়েছে। ফলে সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলোকে সেই সময়ের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাখান করেছে। আবার সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে আদালতে নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতে পূর্বের নির্বাচনগুলোকে আইনগতভাবে যাতে অবৈধ ঘোষণা করা হয় সেই দাবি জানিয়েছি।চতুর্থ নম্বরে নাহিদ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমান যে ইলেকশন কমিশন সেটার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করার দাবি জানান তারা।সর্বশেষ জুলাই গণহত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে এনসিপি।প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে যে ঐক্য গড়ে উঠেছিল সেখানে ফাটল দেখা দিয়েছে মন্তব্য করে নুর বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ছাত্রদের ওপর বিরক্ত। গণহত্যার বিচার, রাষ্ট্রীয় সংস্কার, নির্বাচন সবই প্রয়োজন। কিন্তু নির্বাচন নিয়ে কথা বললেই কোনো সদুত্তর নেই। প্রধান উপদেষ্টাকে ঘিরে আছে ওয়ান ইলেভেনের দুষ্টু চক্র।নুর বলেন, বাংলাদেশে অনির্বাচিত সরকার থাকলে সংকট কাটবে না। সংকট কাটাতে নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ প্রয়োজন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ আলোচনা না করেই করিডরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় কীভাবে! বিভিন্ন প্রসঙ্গে এর আগে জাতীয় সংলাপ হয়েছে, কিন্তু এখন কেন ডাকা হচ্ছে
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবু হানিফের সভাপতিত্বে পৌরসভার দৌলতপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই স্মরণসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহাবুব আলমগীর আলো, সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ আজাদ, আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী রাবেয়া বসরী প্রমুখ।
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবু হানিফের সভাপতিত্বে পৌরসভার দৌলতপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই স্মরণসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহাবুব আলমগীর আলো, সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ আজাদ, আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী রাবেয়া বসরী প্রমুখ।