গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর হাতকে শক্তিশালী করতে নব্বই দশকের ছাত্রদলের সাবেক নেতাদের ঐক্যবদ্ধ সহযোগিতার প্রত্যয়মিলন বৈদ্য শুভ,রাউজান (চট্টগ্রাম) নব্বই দশকের রাউজান উপজেলা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (৫ এপ্রিল) নগরীর একটি হোটেলে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন রাউজান উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শেখ মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন।রাউজান উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আবদুল মান্নান মনি ও ওমর ফারুকের যৌথভাবে সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন উত্তর জেলা যুবদলের সভাপতি ও জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি হাসান মোহাম্মদ জসিম।বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন, উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি সাবের সুলতান কাজল, রাউজান কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শওকত ওসমান রানা, নোয়াপাড়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রদলের সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আজিজুল হক, গহিরা কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি কে এম এমাদ উদ্দীন, সাবেক ছাত্রনেতা আবদুর রহিম, অ্যাডভোকেট ফোরহান চৌধুরী, ইমাম গাজ্জালী ডিগ্রি কলেজের সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ এবং সাবেক ছাত্রদল নেতা আহমেদ সোয়েকার্নো চৌধুরী।সভায় আরও বক্তব্য রাখেন পাহাড়তলী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আবদুল মান্নান, গহিরা কলেজ জিএস মোহাম্মদ সাহেদুল মোস্তফা, সাবেক ছাত্রনেতা জাকের হোসেন বাহাদুর, নোয়াপাড়া ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ফরিদ আহমদ, সাবেক উপজেলা ছাত্রদল নেতা হাসান মোহাম্মদ মোরশেদ, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি লিটন মহাজন লিটু, উপজেলা ছাত্রদল নেতা কাজী নাছির ও মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী সরোয়ার খান মনজু, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি এম এনাম হোসেন, এন এ বাবুল, শাহ মো. ছাগির, নোয়াপাড়া কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ ইদ্রিস, নোয়াপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আবুল কাশেম রানা, গিয়াস উদ্দিন মাসুদ, গহিরা কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি কে. এম. সালাউদ্দিন, সাবেক ছাত্রদল নেতা মোহাম্মদ জাহেদুল হক, মোহাম্মদ ফরিদ, মুরাদুর রহমান বাবর, এম এন আবছার, মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, ছরোয়ার চৌধুরী, আকতার হোসেন বাবু, জসিম উদ্দিন মেম্বার, নজরুল ইসলাম, আজাদুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলী সিকদার, দোলন বড়ুয়া, আনোয়ার আজিম, মনজুর উদ্দীন, তাজরুল ইসলাম চৌধুরী, খ. ম. হাবিবুর রহমান, মোহাম্মদ সোলেমান বাদশা, মোহাম্মদ ইলিয়াছ, জামাল উদ্দিন চৌধুরী, নুরুল আসলাম কায়ছার, মো. শাহ নেওয়াজ, মো. সেলিম উদ্দিন, শাহজাহান আলী, রাশেদ ইবনে ফরিদ চৌধুরী, হাবিবুর রহমান, নাজিম উদ্দীন, মোহাম্মদ ইলিয়াসসহ আরও অনেকে।বক্তারা নব্বই দশকের ছাত্র রাজনীতির গৌরবোজ্জ্বল স্মৃতি তুলে ধরে বলেন, সে সময়ের ছাত্রনেতারা ত্যাগ, সাহস ও আপোষহীন নেতৃত্বের মাধ্যমে রাজপথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। সেই আদর্শকে ধারণ করে বর্তমান প্রজন্মকে সংগঠিত হওয়ার আহ্বান জানান তারা।সভায় বক্তারা দৃঢ়ভাবে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, জননন্দিত জননেতা আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর হাতকে শক্তিশালী করতে নব্বই দশকের সাবেক ছাত্রনেতারা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন এবং তার রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করবেন।তারা আরও বলেন, সমাজে চাঁদাবাজি, অবৈধ মাটি ও বালু দখল এবং পরিবেশ ধ্বংসকারী অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলা সময়ের দাবি। রাউজানে ছাত্রদলের হারানো ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসার ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।সভা শেষে ছাত্রদলের আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের হাতে নিহত ও প্রয়াত নেতাকর্মীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। একই সঙ্গে শহীদ ছাত্রদল নেতাদের হত্যাকারীদের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে সরকার ও প্রশাসনের প্রতি জোরালো আহ্বান জানানো হয়।
অনলাইন জরিপ
সারাদেশ
রাজনীতি
শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে দেশের চলমান সংকট মোকাবিলায় জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।ফ্যাসিবাদবিরোধী সব রাজনৈতিক দল নিয়ে জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়ে শরিফ ওসমান হাদি বলেন, বিএনপি অসহযোগিতা করলে তাদের জাতির কাছে জবাবদিহি করতে হবে। জামায়াত অসহযোগিতা করলে জবাবদিহি করতে হবে তাদেরও। এই সরকারের মেয়াদ হবে ১০ মাস থেকে এক বছর। যদি জাতীয় সরকার না করতে পারেন তাহলে জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল গড়ে তোলেন। জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল প্রধান হবেন ড. ইউনূস। সব রাজনৈতিক দল থেকে সেখানে প্রতিনিধি থাকবে সদস্য হিসাবে। তাদের সাংবিধানিক মর্যাদা হবে ক্যাবিনেট মন্ত্রী পরিষদের মতো। তারা মন্ত্রী হবেন না, উপদেষ্টা হবেন না কিন্তু ওয়াচডগ হিসাবে কাজ করবেন।জুলাই ঘোষণাপত্র প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত জুলাই ঘোষণাপত্রের কার্যক্রম না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে কোনো লাভ নেই। যদি জুলাই ঘোষণাপত্র না আসে, যারা জুলাইয়ের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন দিল্লির সঙ্গে মিলে আওয়ামী লীগ তাদের কচুকাটা করবে। জুলাই ঘোষণাপত্র সাংবিধানিক স্বীকৃতি পেলেই আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ হবে।
দেষ্টাকে বলেছি, গণঅভ্যুত্থানের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব শেষ করেই অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।এনসিপির পাঁচ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে জুলাই ঘোষণাপত্র একটি দাবি ছিল এবং সেটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল; সেটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয় সে দাবি জানিয়েছি। আমাদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস স্যারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।নাহিদ বলেন, দ্বিতীয়ত—জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হচ্ছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। তৃতীয়ত—শেখ হাসিনার আমলে হওয়া জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে বলেছি। কারণ সে সময়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন করেছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। দিনের ভোট রাতে করেছে, ডামি প্রার্থীর ভোট হয়েছে। ফলে সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলোকে সেই সময়ের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাখান করেছে। আবার সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে আদালতে নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতে পূর্বের নির্বাচনগুলোকে আইনগতভাবে যাতে অবৈধ ঘোষণা করা হয় সেই দাবি জানিয়েছি।চতুর্থ নম্বরে নাহিদ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমান যে ইলেকশন কমিশন সেটার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করার দাবি জানান তারা।সর্বশেষ জুলাই গণহত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে এনসিপি।প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত
দেষ্টাকে বলেছি, গণঅভ্যুত্থানের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব শেষ করেই অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।এনসিপির পাঁচ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে জুলাই ঘোষণাপত্র একটি দাবি ছিল এবং সেটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল; সেটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয় সে দাবি জানিয়েছি। আমাদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস স্যারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।নাহিদ বলেন, দ্বিতীয়ত—জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হচ্ছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। তৃতীয়ত—শেখ হাসিনার আমলে হওয়া জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে বলেছি। কারণ সে সময়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন করেছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। দিনের ভোট রাতে করেছে, ডামি প্রার্থীর ভোট হয়েছে। ফলে সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলোকে সেই সময়ের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাখান করেছে। আবার সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে আদালতে নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতে পূর্বের নির্বাচনগুলোকে আইনগতভাবে যাতে অবৈধ ঘোষণা করা হয় সেই দাবি জানিয়েছি।চতুর্থ নম্বরে নাহিদ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমান যে ইলেকশন কমিশন সেটার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করার দাবি জানান তারা।সর্বশেষ জুলাই গণহত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে এনসিপি।প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে যে ঐক্য গড়ে উঠেছিল সেখানে ফাটল দেখা দিয়েছে মন্তব্য করে নুর বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ছাত্রদের ওপর বিরক্ত। গণহত্যার বিচার, রাষ্ট্রীয় সংস্কার, নির্বাচন সবই প্রয়োজন। কিন্তু নির্বাচন নিয়ে কথা বললেই কোনো সদুত্তর নেই। প্রধান উপদেষ্টাকে ঘিরে আছে ওয়ান ইলেভেনের দুষ্টু চক্র।নুর বলেন, বাংলাদেশে অনির্বাচিত সরকার থাকলে সংকট কাটবে না। সংকট কাটাতে নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ প্রয়োজন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ আলোচনা না করেই করিডরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় কীভাবে! বিভিন্ন প্রসঙ্গে এর আগে জাতীয় সংলাপ হয়েছে, কিন্তু এখন কেন ডাকা হচ্ছে
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবু হানিফের সভাপতিত্বে পৌরসভার দৌলতপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই স্মরণসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহাবুব আলমগীর আলো, সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ আজাদ, আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী রাবেয়া বসরী প্রমুখ।
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবু হানিফের সভাপতিত্বে পৌরসভার দৌলতপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই স্মরণসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহাবুব আলমগীর আলো, সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ আজাদ, আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী রাবেয়া বসরী প্রমুখ।