ডিজেলের দাম বাড়িয়েও সরকারের ৭০ টাকা লোকসান-উত্তরায় বিএনপির সমাবেশে রিজভীমো. শাহজালাল সুমন, উত্তরা-ঢাকা: রাজধানীর উত্তরায় পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টার প্রতিবাদে সমাবেশ করেছে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) উত্তরা আব্দুল্লাহপুর সংলগ্ন পলওয়েল মার্কেটের সামনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় প্রতি লিটার ডিজেল কিনতে সরকারের প্রায় ২০৫ টাকা ব্যয় হচ্ছে। এর বিপরীতে আগে ১১৫ টাকা দরে ডিজেল বিক্রি করায় লিটারপ্রতি প্রায় ৯০ টাকা লোকসান হতো। সম্প্রতি দাম ২০ টাকা বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা করা হলেও এখনো প্রতি লিটারে প্রায় ৭০ টাকা লোকসান বহন করতে হবে । রিজভী বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যোগাযোগ ও আলোচনা করছে। দেশে বছরে প্রায় ৭০ লাখ মেট্রিক টন জ্বালানি তেল ব্যবহৃত হয়, যার মধ্যে ডিজেলের পরিমাণ প্রায় ৪৫ লাখ টন। চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ অবস্থানের কথা তুলে ধরে রিজভী বলেন, এসব কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে। তিনি দাবি করেন, গতকাল ঢাকায় পুলিশের তল্লাশি অভিযানে ৪৭২ জনকে আটক করা হয়েছে। দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রাম ও ত্যাগের মধ্য দিয়ে ৫ আগস্ট ও ১২ ফেব্রুয়ারির রাজনৈতিক পরিবর্তনের সূচনা হয়েছে। তাঁর দাবি, গত ১৭ বছর জাতীয়তাবাদী শক্তির নেতাকর্মীরা নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। তিনি আরও বলেন, ‘গুম-খুন, গুপ্তহত্যা ও বিচারবহির্ভূত হত্যা’ রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশে পরিণত হয়েছিল বলে তিনি মনে করেন। তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, দেশের সম্পদ লুটপাট ও দুর্নীতির সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের একসময় জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হয়। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তাদের প্রধান দাবি ছিল অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। জনগণ যাকে নির্বাচিত করবে, তারাই রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেবে এবং পরবর্তী নির্বাচনে জনগণ আবার তাদের পছন্দের প্রতিনিধি বেছে নেবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। সমাবেশে বিএনপির নেতারা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার ও অপপ্রচারের অভিযোগ তোলেন। একই সঙ্গে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, নৈরাজ্য এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়। রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে শৃঙ্খলা বজায় রাখার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা। ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্যসচিব মোস্তফা জামান। সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন, যুগ্ম আহ্বায়ক আখতার হোসেন, এ বি এম এ রাজ্জাক, ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম জুয়েল, সদস্যসচিব সাজ্জাদুল মিরাজ, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শেখ ফরিদ, তাঁতী দলের সাধারণ সম্পাদক এম এ হান্নান খান, মহিলা দলের সভাপতি অ্যাডভোকেট রুনা লায়লা, ছাত্রদলের সভাপতি সালাউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক লিপকনসহ ঢাকা মহানগর উত্তরের ২৬টি থানা, ৭১টি ওয়ার্ড বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। সমাবেশ শেষে সন্ধ্যায় নেতাকর্মীরা একটি মিছিল বের করেন। মিছিলটি উত্তরার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে আজমপুরে গিয়ে শেষ হয়। এতে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।
অনলাইন জরিপ
সারাদেশ
রাজনীতি
শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে দেশের চলমান সংকট মোকাবিলায় জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।ফ্যাসিবাদবিরোধী সব রাজনৈতিক দল নিয়ে জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়ে শরিফ ওসমান হাদি বলেন, বিএনপি অসহযোগিতা করলে তাদের জাতির কাছে জবাবদিহি করতে হবে। জামায়াত অসহযোগিতা করলে জবাবদিহি করতে হবে তাদেরও। এই সরকারের মেয়াদ হবে ১০ মাস থেকে এক বছর। যদি জাতীয় সরকার না করতে পারেন তাহলে জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল গড়ে তোলেন। জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল প্রধান হবেন ড. ইউনূস। সব রাজনৈতিক দল থেকে সেখানে প্রতিনিধি থাকবে সদস্য হিসাবে। তাদের সাংবিধানিক মর্যাদা হবে ক্যাবিনেট মন্ত্রী পরিষদের মতো। তারা মন্ত্রী হবেন না, উপদেষ্টা হবেন না কিন্তু ওয়াচডগ হিসাবে কাজ করবেন।জুলাই ঘোষণাপত্র প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত জুলাই ঘোষণাপত্রের কার্যক্রম না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে কোনো লাভ নেই। যদি জুলাই ঘোষণাপত্র না আসে, যারা জুলাইয়ের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন দিল্লির সঙ্গে মিলে আওয়ামী লীগ তাদের কচুকাটা করবে। জুলাই ঘোষণাপত্র সাংবিধানিক স্বীকৃতি পেলেই আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ হবে।
দেষ্টাকে বলেছি, গণঅভ্যুত্থানের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব শেষ করেই অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।এনসিপির পাঁচ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে জুলাই ঘোষণাপত্র একটি দাবি ছিল এবং সেটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল; সেটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয় সে দাবি জানিয়েছি। আমাদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস স্যারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।নাহিদ বলেন, দ্বিতীয়ত—জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হচ্ছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। তৃতীয়ত—শেখ হাসিনার আমলে হওয়া জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে বলেছি। কারণ সে সময়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন করেছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। দিনের ভোট রাতে করেছে, ডামি প্রার্থীর ভোট হয়েছে। ফলে সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলোকে সেই সময়ের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাখান করেছে। আবার সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে আদালতে নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতে পূর্বের নির্বাচনগুলোকে আইনগতভাবে যাতে অবৈধ ঘোষণা করা হয় সেই দাবি জানিয়েছি।চতুর্থ নম্বরে নাহিদ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমান যে ইলেকশন কমিশন সেটার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করার দাবি জানান তারা।সর্বশেষ জুলাই গণহত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে এনসিপি।প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত
দেষ্টাকে বলেছি, গণঅভ্যুত্থানের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব শেষ করেই অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।এনসিপির পাঁচ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে জুলাই ঘোষণাপত্র একটি দাবি ছিল এবং সেটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল; সেটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয় সে দাবি জানিয়েছি। আমাদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস স্যারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।নাহিদ বলেন, দ্বিতীয়ত—জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হচ্ছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। তৃতীয়ত—শেখ হাসিনার আমলে হওয়া জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে বলেছি। কারণ সে সময়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন করেছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। দিনের ভোট রাতে করেছে, ডামি প্রার্থীর ভোট হয়েছে। ফলে সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলোকে সেই সময়ের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাখান করেছে। আবার সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে আদালতে নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতে পূর্বের নির্বাচনগুলোকে আইনগতভাবে যাতে অবৈধ ঘোষণা করা হয় সেই দাবি জানিয়েছি।চতুর্থ নম্বরে নাহিদ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমান যে ইলেকশন কমিশন সেটার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করার দাবি জানান তারা।সর্বশেষ জুলাই গণহত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে এনসিপি।প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে যে ঐক্য গড়ে উঠেছিল সেখানে ফাটল দেখা দিয়েছে মন্তব্য করে নুর বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ছাত্রদের ওপর বিরক্ত। গণহত্যার বিচার, রাষ্ট্রীয় সংস্কার, নির্বাচন সবই প্রয়োজন। কিন্তু নির্বাচন নিয়ে কথা বললেই কোনো সদুত্তর নেই। প্রধান উপদেষ্টাকে ঘিরে আছে ওয়ান ইলেভেনের দুষ্টু চক্র।নুর বলেন, বাংলাদেশে অনির্বাচিত সরকার থাকলে সংকট কাটবে না। সংকট কাটাতে নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ প্রয়োজন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ আলোচনা না করেই করিডরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় কীভাবে! বিভিন্ন প্রসঙ্গে এর আগে জাতীয় সংলাপ হয়েছে, কিন্তু এখন কেন ডাকা হচ্ছে
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবু হানিফের সভাপতিত্বে পৌরসভার দৌলতপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই স্মরণসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহাবুব আলমগীর আলো, সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ আজাদ, আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী রাবেয়া বসরী প্রমুখ।
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবু হানিফের সভাপতিত্বে পৌরসভার দৌলতপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই স্মরণসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহাবুব আলমগীর আলো, সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ আজাদ, আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী রাবেয়া বসরী প্রমুখ।