কওমী মাদ্রাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণে আপাতত কোনো উদ্যোগ নেই: শিক্ষামন্ত্রীআখলাক হুসাইন, সিলেট জেলা প্রতিনিধি:- দেশে কওমী মাদ্রাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণে আপাতত কোনো সরকারি উদ্যোগ নেই বলে জাতীয় সংসদে স্পষ্ট জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তবে আলিয়া মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের আধুনিক, কর্মমুখী ও দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার ইতোমধ্যে বহুমুখী কার্যক্রম হাতে নিয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সিলেট-৫ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আবুল হাসান কর্তৃক উত্থাপিত এক তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এ তথ্য তুলে ধরেন। প্রশ্নে এমপি জানতে চান, দেশের কওমী ও আলিয়া মাদ্রাসাসমূহে কারিগরি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণে সরকারের কোনো পরিকল্পনা রয়েছে কিনা এবং থাকলে তা বাস্তবায়নের সম্ভাব্য সময়সীমা কী।প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কওমী মাদ্রাসাগুলো স্বতন্ত্র শিক্ষা ব্যবস্থার আওতায় পরিচালিত হওয়ায় সেগুলোকে সরকারি প্রশিক্ষণ কাঠামোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে বর্তমানে কোনো কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, “কওমী শিক্ষার্থীদের সরকারি কোনো প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আওতায় আনার মতো পরিকল্পনা এই মুহূর্তে সরকারের নেই।তবে আলিয়া মাদ্রাসা খাতের ক্ষেত্রে ভিন্ন চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, এ খাতের শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সক্ষমতা উন্নয়ন এবং যুগোপযোগী শিক্ষায় অভ্যস্ত করে তুলতে সরকার সুপরিকল্পিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।শিক্ষামন্ত্রী জানান, “Capacity Development of Madrasah Education” শীর্ষক একটি বিশেষ স্কিমের মাধ্যমে আলিয়া মাদ্রাসায় কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষার বিস্তার ঘটানো হচ্ছে। এ কর্মসূচির আওতায় দেশের ৫০০টি আলিয়া মাদ্রাসায় ধাপে ধাপে ভোকেশনাল কোর্স চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের কর্মমুখী দক্ষতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে এসব ভোকেশনাল কোর্স চালুর জন্য নির্বাচিত মাদ্রাসাগুলোর তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি পাঁচটি নির্ধারিত ট্রেডে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য মোট ৪৬৯ জন রিসোর্স পারসনের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। এই প্রশিক্ষকরা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে আধুনিক কারিগরি দক্ষতা প্রদানে ভূমিকা রাখবেন।এছাড়াও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ভাষাগত ও যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, আরবি ভাষায় সাবলীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেশের ১০০টি আলিয়া মাদ্রাসায় “কমিউনিকেটিভ আরবি ল্যাঙ্গুয়েজ ল্যাব” স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় মাদ্রাসা নির্বাচন কার্যক্রম ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।সংসদে দেওয়া বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান বিশ্বে প্রতিযোগিতামূলক কর্মক্ষেত্রে টিকে থাকতে হলে ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি ও ভাষাগত দক্ষতা অপরিহার্য। এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই সরকার আলিয়া মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের জন্য সমন্বিত শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে।শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আলিয়া মাদ্রাসায় কারিগরি শিক্ষা সম্প্রসারণ শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে। তবে কওমী মাদ্রাসাগুলোকে এই প্রক্রিয়ার বাইরে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়ে ভবিষ্যতে নীতিগত আলোচনার সুযোগ থাকতে পারে বলেও তারা মন্তব্য করেন।সার্বিকভাবে, মাদ্রাসা শিক্ষাকে যুগোপযোগী ও কর্মমুখী ধারায় নিয়ে আসার লক্ষ্যে সরকারের চলমান উদ্যোগ অব্যাহত থাকলেও কওমী মাদ্রাসা খাত এখনো সেই কাঠামোর বাইরে রয়ে গেছে—সংসদে দেওয়া শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যে এমনই চিত্র ফুটে উঠেছে।
অনলাইন জরিপ
সারাদেশ
রাজনীতি
শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে দেশের চলমান সংকট মোকাবিলায় জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।ফ্যাসিবাদবিরোধী সব রাজনৈতিক দল নিয়ে জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়ে শরিফ ওসমান হাদি বলেন, বিএনপি অসহযোগিতা করলে তাদের জাতির কাছে জবাবদিহি করতে হবে। জামায়াত অসহযোগিতা করলে জবাবদিহি করতে হবে তাদেরও। এই সরকারের মেয়াদ হবে ১০ মাস থেকে এক বছর। যদি জাতীয় সরকার না করতে পারেন তাহলে জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল গড়ে তোলেন। জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল প্রধান হবেন ড. ইউনূস। সব রাজনৈতিক দল থেকে সেখানে প্রতিনিধি থাকবে সদস্য হিসাবে। তাদের সাংবিধানিক মর্যাদা হবে ক্যাবিনেট মন্ত্রী পরিষদের মতো। তারা মন্ত্রী হবেন না, উপদেষ্টা হবেন না কিন্তু ওয়াচডগ হিসাবে কাজ করবেন।জুলাই ঘোষণাপত্র প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত জুলাই ঘোষণাপত্রের কার্যক্রম না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে কোনো লাভ নেই। যদি জুলাই ঘোষণাপত্র না আসে, যারা জুলাইয়ের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন দিল্লির সঙ্গে মিলে আওয়ামী লীগ তাদের কচুকাটা করবে। জুলাই ঘোষণাপত্র সাংবিধানিক স্বীকৃতি পেলেই আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ হবে।
দেষ্টাকে বলেছি, গণঅভ্যুত্থানের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব শেষ করেই অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।এনসিপির পাঁচ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে জুলাই ঘোষণাপত্র একটি দাবি ছিল এবং সেটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল; সেটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয় সে দাবি জানিয়েছি। আমাদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস স্যারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।নাহিদ বলেন, দ্বিতীয়ত—জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হচ্ছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। তৃতীয়ত—শেখ হাসিনার আমলে হওয়া জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে বলেছি। কারণ সে সময়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন করেছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। দিনের ভোট রাতে করেছে, ডামি প্রার্থীর ভোট হয়েছে। ফলে সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলোকে সেই সময়ের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাখান করেছে। আবার সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে আদালতে নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতে পূর্বের নির্বাচনগুলোকে আইনগতভাবে যাতে অবৈধ ঘোষণা করা হয় সেই দাবি জানিয়েছি।চতুর্থ নম্বরে নাহিদ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমান যে ইলেকশন কমিশন সেটার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করার দাবি জানান তারা।সর্বশেষ জুলাই গণহত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে এনসিপি।প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত
দেষ্টাকে বলেছি, গণঅভ্যুত্থানের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব শেষ করেই অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।এনসিপির পাঁচ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে জুলাই ঘোষণাপত্র একটি দাবি ছিল এবং সেটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল; সেটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয় সে দাবি জানিয়েছি। আমাদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস স্যারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।নাহিদ বলেন, দ্বিতীয়ত—জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হচ্ছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। তৃতীয়ত—শেখ হাসিনার আমলে হওয়া জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে বলেছি। কারণ সে সময়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন করেছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। দিনের ভোট রাতে করেছে, ডামি প্রার্থীর ভোট হয়েছে। ফলে সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলোকে সেই সময়ের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাখান করেছে। আবার সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে আদালতে নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতে পূর্বের নির্বাচনগুলোকে আইনগতভাবে যাতে অবৈধ ঘোষণা করা হয় সেই দাবি জানিয়েছি।চতুর্থ নম্বরে নাহিদ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমান যে ইলেকশন কমিশন সেটার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করার দাবি জানান তারা।সর্বশেষ জুলাই গণহত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে এনসিপি।প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে যে ঐক্য গড়ে উঠেছিল সেখানে ফাটল দেখা দিয়েছে মন্তব্য করে নুর বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ছাত্রদের ওপর বিরক্ত। গণহত্যার বিচার, রাষ্ট্রীয় সংস্কার, নির্বাচন সবই প্রয়োজন। কিন্তু নির্বাচন নিয়ে কথা বললেই কোনো সদুত্তর নেই। প্রধান উপদেষ্টাকে ঘিরে আছে ওয়ান ইলেভেনের দুষ্টু চক্র।নুর বলেন, বাংলাদেশে অনির্বাচিত সরকার থাকলে সংকট কাটবে না। সংকট কাটাতে নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ প্রয়োজন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ আলোচনা না করেই করিডরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় কীভাবে! বিভিন্ন প্রসঙ্গে এর আগে জাতীয় সংলাপ হয়েছে, কিন্তু এখন কেন ডাকা হচ্ছে
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবু হানিফের সভাপতিত্বে পৌরসভার দৌলতপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই স্মরণসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহাবুব আলমগীর আলো, সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ আজাদ, আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী রাবেয়া বসরী প্রমুখ।
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবু হানিফের সভাপতিত্বে পৌরসভার দৌলতপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই স্মরণসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহাবুব আলমগীর আলো, সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ আজাদ, আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী রাবেয়া বসরী প্রমুখ।