ডেইলি বাংল সংবাদ
সর্বশেষ

 সারাদেশ সারাদেশ

মতামতমতামত

‘কাজ শেষ না করে আমরা কোথাও যাচ্ছি না’

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস পদত্যাগ করছেন না উল্লেখ করে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেছেন, আমরা আমাদের কাজ শেষ না করে কোথাও যাচ্ছি না। শনিবার একনেক বৈঠকের পর হওয়া উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে শুরু হওয়া বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে অগ্রগতিতে বাধা সৃষ্টিকারী বিষয়গুলো চিহ্নিত করা এবং সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগের বিষয়ে পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, তিনি চলে যাবেন বলেননি। তিনি (প্রধান উপদেষ্টা) বলেছেন, আমরা যে কাজ করছি, আমাদের সামনে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তাতে অনেক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু আমরা সব বাধা অতিক্রম করব।অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর অর্পিত দায়িত্বের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ এর ওপর নির্ভর করছে। আমরা এ দায়িত্ব ছেড়ে যেতে পারি না।পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, আমরা দেখছি বিভিন্ন জায়গা থেকে কী কী বাধা আসছে, কে কী সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন এবং আমরা এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কী কী প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে।উপদেষ্টা রাজনৈতিক দল, প্রশাসন, বিচার বিভাগ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসহ সব পক্ষের সমর্থন চেয়ে বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পক্ষে থাকা সব শক্তি এবং সব রাষ্ট্রীয় সংস্থাকে আমরা এ লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করার আহ্বান জানাব। এটা শুধু আমাদের একার দায়িত্ব নয়।ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ আরও বলেন, উপদেষ্টারা স্বপ্রণোদিতভাবে এখানে আসেননি। তবে তাদের একটি জাতীয় দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে এবং তারা তা ছেড়ে যাবেন না।আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের রূপরেখা নিয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করেননি উপদেষ্টা।

এলডিসির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নীতির পুনর্মূল্যায়ন জরুরি

বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি নীতিমালা  : এলডিসি পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয়তা এবং চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত অধ্যাপক লুৎফে সিদ্দিকী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিম রায়হান।মূল প্রবন্ধে ড. সেলিম রায়হান বলেন, রাজস্ব খাতে সংস্কারের অভাব এবং প্রত্যক্ষ করের মাধ্যমে কর বৃদ্ধিতে সরকারের ব্যর্থতার ফলে পরোক্ষ কর ও আমদানি করের ওপর ব্যাপক নির্ভরতা দেখা দিচ্ছে। প্রতিযোগী দেশগুলোর চেয়ে বাংলাদেশের আমদানি শুল্ক হার অনেক বেশি। রপ্তানি খাতও শুধু তৈরি পোশাকে সীমাবদ্ধ। তাও আবার পোশাকের প্রবৃদ্ধি নগদ প্রণোদনা ও কর ছাড়ের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এলডিসি উত্তরণ পরবর্তী চাপ সামলাতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি নতুন রপ্তানি পণ্য ও নতুন বাজার খোঁজা উচিত।প্রধান অতিথির বক্তব্যে লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যকার কাঠামোগত সংস্কার জরুরি। তবে যে গতিতে বর্তমানে সংস্কার কার্যক্রম সম্পন্ন হচ্ছে তা প্রয়োজনের তুলনায় বেশ কম। সত্যিকার অর্থে শিল্প খাতসহ অন্য সেক্টরে কোনো দীর্ঘমেয়াদে রোডম্যাপ নেই, যা হতাশার বিষয়। এলডিসি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের পাশাপাশি সরকারের সংস্থাগুলোর মধ্যকার সমন্বয় বাড়ানো প্রয়োজন।প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশকে এলডিসি উত্তরণ করতেই হবে। এখান থেকে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই। তবে এলডিসি পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের উচ্চমানের তৈরি পোশাক, ওষুধ এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের ওপর বেশি হারে মনোযোগী হতে হবে। তিনি আরও বলেন, এলডিসি উত্তরণ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মানবসম্পদ উন্নয়ন, শিল্প-কারখানা এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা মধ্যে সমন্বয় ও পারস্পরিক আস্থা-বিশ্বাস বৃদ্ধির বিকল্প নেই। সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য (কাস্টমস) কাজী মোস্তাফিজুর রহমান এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানে নির্ধারিত আলোচনায় অংশ নেন বিকেএমইএর সাবেক সভাপতি ফজলুল হক, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের জয়েন্ট চিফ (ইন্টারন্যাশাল কো-অপারেশন ডিভিশন) মসিউল ইসলাম, বেসিসের সাবেক সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর, ডেল্টা ফার্মা লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. জাকির হোসেন এবং ফকির ফ্যাশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফকির কামরুজ্জামান নাহিদ প্রমুখ।

অনিয়মে জর্জরিত ‘ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স’, ঝুঁকিতে ব্যান্ডউইথ নিরাপত্তা

নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিয়মকানুন উপেক্ষা করে একে একে আইআইজি, আইটিসি, আইজিডব্লিউসহ ইন্টারনেট-টেলিকম খাতের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ লাইসেন্স দখলে নেয় আওয়ামী সুবিধাভোগী এ প্রতিষ্ঠান। এসব লাইসেন্স অর্জনে রাজনৈতিক প্রভাব ও প্রশাসনিক সুবিধা ব্যবহার করা হয়েছে বলেও জানান সংশ্লিষ্টরা।সংশ্লিষ্ট সূত্র ও নথি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি), দেশের অভ্যন্তরের আইটিসি প্রতিষ্ঠান এবং এয়ারটেল ও টাটার মতো শীর্ষ ব্যান্ডউইথ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে ওয়ান এশিয়ার মোট বকেয়ার পরিমাণ ২৩ কোটি টাকারও বেশি। বিটিআরসির কাছেই এর বকেয়া প্রায় ৪ কোটি টাকা। বিএসসিসিএল-এর কাছে রয়েছে আরও ১ কোটি টাকার বেশি। অপরদিকে টেলিকম জায়ান্ট এয়ারটেল তাদের ১৩ কোটি টাকার এবং টাটা ৫ কোটি টাকার বকেয়া দাবি করছে। এদিকে বকেয়া আদায়ে নানাভাবে চেষ্টা করে না পেয়ে ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স-এর বিরুদ্ধে বিএসসিপিএলসি ঢাকা জেলা জজ আদালতে ‘আরবিট্রেশন মামলা’ দায়ের করে। এর রায়ে তারা জয়ী হয়। সেই রায়ের কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানটি ‘অ্যাওয়ার্ড এক্সিকিউশন মামলা’ করে, যা এখনো চলমান রয়েছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোক্তারা সরকারের নীতিনির্ধারকদের কাছে বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের মাধ্যমে চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছেন, যেন লাইসেন্স বাতিল না হয় এবং তাদের ব্যবসা চালু রাখা যায়। ইতোমধ্যে নিয়মবহির্ভূতভাবে তারা এনওসিও নিয়েছে বলে জানিয়েছে বিটিআরসির একটি সূত্র।ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স একসময় আইআইজি, আইটিসি ও আইজিডব্লিউ লাইসেন্স নিয়ে টেলিকম বাজারে প্রবেশ করলেও সময়ের সঙ্গে শর্ত লঙ্ঘন করে একাধিক অনিয়মে জড়িয়ে পড়ে। তাদের মালিকানাধীন বেঙ্গল ব্রডব্যান্ড ২০১৬ সালে ডিভিশনাল আইএসপি লাইসেন্স পেলেও নবায়ন না করেই বর্তমানে অবৈধভাবে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি এর মালিকানাধীন প্রিজমা ডিজিটাল নেটওয়ার্কের রয়েছে ন্যাশন ওয়াইড আইএসপি লাইসেন্স।এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বারবার মোবালইল ফোনে কল, হোয়াটসঅ্যাপ ও এসএমএসে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয় ওয়ান এশিয়া অ্যালায়ন্সের মূল প্রতিষ্ঠান বেঙ্গল কমিউনিকেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসফারিয়া খায়েরের সঙ্গে। তবে তিনি সাড়া দেননি। পরে পুনরায় চেষ্টা করলে দেখা যায়, তিনি প্রতিবেদকের নম্বরই ব্লক করে দিয়েছেন।বিটিআরসির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্সকে মোট বকেয়ার ৫০ শতাংশ এককালীন পরিশোধ এবং বাকি অংশ কিস্তিতে পরিশোধের শর্তে এনওসি প্রদান করা হয়েছে। তবে নির্ধারিত ১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা পরিশোধের কথা থাকলেও প্রতিষ্ঠানটি এ পর্যন্ত মাত্র ১ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে বলে তিনি জানান।ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি) সভাপতি ইমদাদুল হক বলেন, আইএসপি সেক্টরের সেবাদান নির্ভর করে আইআইজি ও ব্যান্ডউইথ সরবরাহকারীদের ওপর। কেউ যদি কোটি টাকা বকেয়া রেখে অনিয়ম করে, তা গ্রাহকের নিরাপত্তা ও নিরবচ্ছিন্ন সংযোগের জন্য হুমকি। তবে নেপথ্যে যদি নীতিগত বা কাঠামোগত কোনো সমস্যা থাকে, সেটাও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, টেলিযোগাযোগ খাতের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম নিয়ম ও নীতিমালার আলোকে পর্যালোচনা জরুরি। এক্ষেত্রে যদি কোনো প্রতিষ্ঠান বকেয়া বা নীতিগত ব্যত্যয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকে, তাহলে তা ন্যায্যতার ভিত্তিতে সমাধান হওয়া উচিত। বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসলাম হোসেন যুগান্তরকে বলেন, দীর্ঘদিন তাগাদা দিলেও প্রতিষ্ঠানটি পাওনা পরিশোধ করেনি, চিঠির জবাবও দেয়নি। এখন তাদের কাউকে খুঁজেও পাওয়া যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে মামলা করেছি।ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়ব যুগান্তরকে বলেন, আমরা চাই, ব্যবসায়ীরা স্বচ্ছন্দে ব্যবসা করুক, গ্রাহকদের সেবা দিক। কিন্তু সরকারের পাওনা পরিশোধ না করে কেউ যদি অনিয়মে জড়ায়, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।

অধ্যাদেশ বিলুপ্তির দাবিতে কর্মবিরতি কর্মসূচি চলবে

ন কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে তাদের স্লোগান দিতে দেখা যায়। এনবিআরের অধীনস্থ সারা দেশের অন্য সব অফিসেও একইভাবে কর্মসূচি পালিত হয়। ঢাকা ও চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে বিকাল ৩টা পর্যন্ত কোনো কাজ হয়নি। ভ্যাট ও কর অফিসেও সেবা বন্ধ ছিল। তবে রপ্তানি ও আন্তর্জাতিক যাত্রীসেবা কাযক্রম চলমান ছিল। শনিবার এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন কাস্টমসের অতিরিক্ত কমিশনার এদিপ বিল্লাহ, উপকর কমিশনার মোস্তফিজুর রহমান, সহকারী কর কমিশনার ইশতিয়াক হোসেন। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের দাবি অত্যন্ত যৌক্তিক, যা ইতোমধ্যেই দেশের প্রথিতযশা অর্থনীতিবিদ ও থিংকট্যাংকসহ সর্বমহলে স্বীকৃতি পেয়েছে। এনবিআর তথা রাজস্ব প্রশাসনের আমূল সংস্কার আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি। তবে এই সংস্কার হতে হবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে স্বীকৃত সর্বোত্তম ব্যবস্থা ও পদ্ধতির অনুরূপ। দেশের স্বার্থ ও উন্নয়ন দর্শন এতে সঠিকভাবে প্রতিফলিত হতে হবে। এছাড়া রাজস্ব প্রশাসন অধিকতর কার্যকর, প্রগতিশীল ও দুর্নীতিমুক্ত হতে হবে এবং এ সংস্কার বিশেষ কারও স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার হবে না। কিন্তু রাজস্ব ব্যবস্থার আমূল সংস্কারের স্বার্থে আমাদের এমন যৌক্তিক দাবি মেনে নিতে সরকার কেন, কী কারণে এবং কাদের প্ররোচনায় বিলম্ব করছে, তা বোধগম্য নয়।    এতে আরও বলা হয়, আজ (শনিবার) সকাল থেকেই এনবিআর ভবনের অভ্যন্তরে এবং বাইরে বিপুলসংখ্যক পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি রয়েছে। এ বিষয়টি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মনে নানা ধরনের প্রশ্নের উদ্রেক করেছে। ক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বলছেন, এনবিআরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আন্দোলন করতে বাধ্য হয়েছে। কিন্তু এখন দেখছি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টা হচ্ছে। তবে রোববারও একইভাবে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেখানে হস্তক্ষেপ করবে, সেখানে তারা প্রেস ব্রিফিং করবেন।ভিন্নমত যাদের: নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর ও কাস্টমস ক্যাডারের কয়েকজন সিনিয়র কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, ‘দাবি আদায়ের নামে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের ব্যানারে এখন যা হচ্ছে তা রীতিমতো সরকার ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অবস্থান। এটি সম্পূর্ণ শৃঙ্খলাপরিপন্থি কাজ, সরকারি কর্মচারী আচরণবিধি এসব কর্মকাণ্ড পারমিট করে না।’ তারা মনে করেন, এনবিআর বিলুপ্ত করে যে গেজেট করা হয়েছে সেখানে প্রত্যাশার অনেক কিছু চলে এসেছে। যেটুকু অবশিষ্ট আছে তা পরবর্তী সংশোধনী ও বিধি প্রণয়নের মাধ্যমে সংযোজন করা সম্ভব। এজন্য এভাবে আন্দোলন করার প্রয়োজন ছিল না। বিষয়টিকে পুনরায় আলোচনার টেবিলে নিয়ে গেলে ভালো হতো। 

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

রাজশাহীতে টোকেনে তেল দেয়া হচ্ছে

আক্কেলপুরে ডিউটি রেখে খেতে গেছেন চিকিৎসক, রোগীর মৃত্যু

নবীনগরে গৃহবধুকে ফাঁসিতে ঝুঁলিয়ে হত্যার অভিযোগ, লাশ না নিয়ে পালালো অভিযুক্তরা

টেস্ট পরীক্ষায় পাস করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে কলেজ শিক্ষার্থীদের সাথে প্রতারণা

লালমাইয়ে টেকসই কৃষি প্রযুক্তির মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত, মরিচে ফলন বৃদ্ধির নতুন দিকনির্দেশনা

ভালো রাখার অভয়নগরের স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রশংসিত ইউএনও শেখ সালাউদ্দিন দীপু

পুরোনো রাউটারকে বানিয়ে ফেলুন ওয়াই-ফাই এক্সটেন্ডার

সোশ্যাল মিডিয়ায় মেয়েরা কেন বেশি বিপর্যস্ত, কী বলছে গবেষণা?

ঈদে আসছে নতুন টাকা, থাকছে না কোনো ব্যক্তির ছবি: গভর্নর

১০

পিছিয়ে পড়ছে দেশের সম্ভাবনাময় এসএমই খাত

সর্বশেষ সব খবর

 বানিজ্য বানিজ্য

ঈদে আসছে নতুন টাকা, থাকছে না কোনো ব্যক্তির ছবি: গভর্নর

ঈদে আসছে নতুন টাকা, থাকছে না কোনো ব্যক্তির ছবি: গভর্নর

শনিবার (২৪ মে) সকালে পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশনে দেশের প্রথম ক্রেডিট এনহ্যান্সমেন্ট স্কিম উদ্বোধন শেষে এ কথা বলেন তিনি।গভর্নর বলেন, ‘নতুন নোটে থাকবে দেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনা। ঈদে বাজারে প্রথমে ১০০০, ৫০ ও ২০ টাকার নতুন নোট আসবে।’টাঁকশাল থেকে জানা গেছে, ২০ টাকার নোট ছাপা প্রায় সম্পন্ন। আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এর পরে ৫০ ও ১০০০ টাকার নোট বাংলাদেশ ব্যাংককে বুঝিয়ে দেবে টাঁকশাল। এরপর কেন্দ্রীয় ব্যাংক সিদ্ধান্ত নেবে এই টাকা কবে বাজারে আসবে।টাঁকশাল জানিয়েছে, নতুন নকশার নোট ছাপাতে ১ থেকে দেড় বছর সময় লাগে। আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। গত ডিসেম্বরে নতুন নকশার নোট বাজারে আনার সিদ্ধান্ত নেয় এই সরকার। তারই ধারাবাহিকতায় টাঁকশাল চলতি মাসে নতুন নকশার নোট ছাপানো শুরু করে।টাঁকশাল আরও জানায়, একসঙ্গে ৩টি নোটের বেশি ছাপানোর সক্ষমতা নেই টাঁকশালের। তাই প্রথম ধাপে ১০০০, ৫০ ও ২০ টাকার নোট ছাপানো হচ্ছে।এদিকে গভর্নর জানিয়েছে, পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনা অন্তর্বর্তী সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার।তিনি বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রচারিত হওয়ায় তা ফেরত পাঠাতে চাপ তৈরি হয়েছে। পাচারকৃত অর্থ ফ্রিজ করায় অর্থ ফেরত আনার প্রথম ধাপ সম্পন্ন হয়েছে।’গভর্নর বলেন, ‘স্কিমের আওতায় পিকেএসএফ অংশীদার এমএফআই গুলোকে ২৪০ কোটি টাকার রিজার্ভ তহবিল ভিত্তিতে ব্যাংক ঋণ গ্যারান্টি দেবে। ঋণের গ্যারান্টি অনুযায়ী এককালীন ০.৫ শতাংশ কমিশন আদায় করা হবে। এর মাধ্যমে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ব্যাংক ঋণ পাওয়া সহজ হবে।’

পিছিয়ে পড়ছে দেশের সম্ভাবনাময় এসএমই খাত

পিছিয়ে পড়ছে দেশের সম্ভাবনাময় এসএমই খাত

ল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান মনে করেন, এসএমই খাত শুধু ব্যবসা নয়, দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড। দেশে সত্যিকার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে এ খাতের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। তিনি বলেন, এসএমই উদ্যোক্তারা তাদের লাভের ৩০ শতাংশই পুনরায় বিনিয়োগ করেন, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।এসএমই হচ্ছে ক্ষুদ্র ও মাঝারি আকারের উদ্যোগ বা ব্যবসা। এই উদ্যোগে কর্মী এবং রাজস্বের পরিমাণ নির্দিষ্ট সীমার নিচে। বিশ্বের কোম্পানিগুলোর ৯০ শতাংশ এবং মোট কর্মসংস্থানে ৫০ শতাংশের বেশি এসএমই খাতে। এ কারণে বিশ্বব্যাংক, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো এসএমইকে ব্যাপক গুরুত্ব দিচ্ছে। এসএমই নিয়ে তাদের আলাদা নীতিমালা রয়েছে।বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ব্যবসার ৯৯ শতাংশ এবং অস্ট্রেলিয়ার ৯৮ শতাংশ এসএমই। তবে এ খাতে রয়েছে তহবিল সংকট।বিশ্বব্যাংক গ্রুপের ২০২১ সালের গ্লোবাল ফিনডেক্স ডাটাবেজ অনুসারে, আনুষ্ঠানিক, নারী-মালিকানাধীন এসএমইর জন্য ১ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলারের তহবিল ঘাটতি রয়েছে। এসএমই ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুসারে বর্তমানে দেশে এ শিল্পের সংখ্যা ১ কোটি ১৮ লাখ। আর এ খাতে কর্মসংস্থান হয়েছে ৩ কোটি ৬০ লাখ মানুষের। অর্থাৎ শিল্প খাতে দেশে কর্মসংস্থানের ৮৭ শতাংশই এ খাতের।

বাজেটে কৃষি খাতে ৪০ শতাংশ উন্নয়ন বরাদ্দের দাবি

বাজেটে কৃষি খাতে ৪০ শতাংশ উন্নয়ন বরাদ্দের দাবি

বৃহস্পতিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত সমাবেশে এসব দাবি জানানো হয়। সমাবেশ শেষে মিছিল নিয়ে অর্থ উপদেষ্টা বরাবর ১২ দাফা দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি দেওয়া হয়।সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি বজলুর রশীদ ফিরোজের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তৃতা করেন- কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস, সহ-সভাপতি জয়নাল আবেদীন মুকুল, শফিউর রহমান শফি, অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম পল্টু, অ্যাডভোকেট আসাদুল ইসলাম প্রমুখ। সমাবেশে বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, কৃষি হচ্ছে বাংলাদেশের বৃহত্তম খাত; কিন্তু এই খাতটি দীর্ঘদিন ধরেই চরম অবহেলার শিকার। দেশের মোট শ্রমশক্তির ৪৫ শতাংশ এবং গ্রামীণ নারীদের প্রায় ৬০ শতাংশ কৃষিতে নিয়োজিত। কৃষি খাত দেশের জিডিপিতে ১১ দশমিক ২ শতাংশ অবদান রাখলেও সরকারিভাবে এর গুরুত্ব নেই বললেই চলে। কৃষি ও কৃষক ক্ষেতমজুর না বাঁচলে দেশ বাঁচবে না। কৃষি ও কৃষকের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত না হলে, দেশের অর্থনীতি ও খাদ্য নিরাপত্তাও ঝুঁকির মুখে পড়বে।তিনি বলেন, কৃষি উপকরণের দাম যেমন বেড়েই চলেছে, তেমনি কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এর ফলে প্রতিবছর প্রায় ১১ লাখ কৃষক জমি হারিয়ে ভূমিহীন হয়ে পড়ছে। বাজার ভরে গেছে ভেজাল সার, বীজ ও কীটনাশকে। যার ফলে কৃষকরা চরম ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। ক্ষেতমজুরদের বছরে গড় কাজ থাকে ১৮০ দিনেরও কম। ‘আমি রেটে’ গ্রামীণ রেশনিং ব্যবস্থা চালুর দাবিও বছরের পর বছর ধরে উপেক্ষিত থেকে যাচ্ছে।দেশের অগ্রযাত্রা নিশ্চিত করতে হলে খাদ্য নিরাপত্তাকে প্রাধান্য দিয়ে কৃষিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। এ লক্ষ্যে তিনি জাতীয় বাজেটে কৃষি খাতে উন্নয়ন বরাদ্দের ৪০ শতাংশ নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান তিনি। তাদের দাবিগুলো হলো- 

ঈদের আগেই মিলবে ২০, ৫০ ও ১০০০ টাকার নতুন নোট

ঈদের আগেই মিলবে ২০, ৫০ ও ১০০০ টাকার নতুন নোট

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানিয়েছেন, ঈদের আগেই নতুন নকশার নোট বাজারে আসবে। সেভাবেই সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হচ্ছে। নোট ছাপানোর কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। তবে ঠিক কোন নোট কবে আসবে সে বিষয়ে তিনি মন্তব্য করেননি।বাংলাদেশ ব্যাংকের নাম না প্রকাশ করে আরেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, টাঁকশালে ২০ টাকার নোটের ছাপানোর কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। আগামী সপ্তাহে এ নোটটি বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে হস্তান্তর করা হবে। পরের সপ্তাহে হস্তান্তর করা হবে ৫০ ও ১০০০ টাকার নোট। এসব নোট কবে বাজারে ছাড়া হবে তা বাংলাদেশ ব্যাংক নির্ধারণ করবে।

 সারাদেশ সারাদেশ

রাজশাহীতে টোকেনে তেল দেয়া হচ্ছে

রাজশাহীতে টোকেনে তেল দেয়া হচ্ছে

রাজশাহীতে টোকেনে তেল দেয়া হচ্ছেমো: গোলাম কিবরিয়া,রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:-রাজশাহীতে গাড়ির কাগজপত্র দেখে টোকেনের মাধ্যমে দেওয়া হচ্ছে জ্বালানি তেল। আজ বুধবার দুপুরে কাটাখালী জ্বালানি তেলের জন্য দীর্ঘ লাইনের ভোগান্তি কমাতে রাজশাহীতে টোকেন পদ্ধতি চালু করেছে একটি ফিলিং স্টেশন। গাড়ির কাগজপত্র যাচাইয়ের পর সংশ্লিষ্টদের দেওয়া হচ্ছে টোকেন, আর সেটি দেখিয়েই নির্ধারিত সময়ে তেল পাচ্ছেন গ্রাহকেরা। টোকেন ছাড়া সেখানে মিলছে না জ্বালানি। এতে শৃঙ্খলা ফিরেছে পাম্পে, কমেছে ভিড় ও বিশৃঙ্খলা—এমনটিই দাবি ফিলিং স্টেশনটির মালিক–কর্মচারীদের।রাজশাহীর কাটাখালী পৌরসভায় অবস্থিত ওই প্রতিষ্ঠানের মেসার্স সুহাইল ফিলিং স্টেশন। এটির কর্তৃপক্ষ জানায়, মেট্রোপলিটন এলাকার মোটরসাইকেলচালকদের জন্য হলুদ টোকেনে ৫০০ টাকা এবং মেট্রোপলিটনের বাইরের চালকদের জন্য সাদা টোকেনে ২০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে। হলুদ টোকেনে তেল নিলে পাম্পটি থেকে পাঁচ দিন পর আবার তেল পাবেন ক্রেতা। এর আগে তাঁকে তেল দেওয়া হবে না। আর সাদা টোকেন দেখিয়ে দুই দিন পর তেল পাওয়া যাবে। টোকেনে তেল দেওয়ার তারিখ উল্লেখ করা হয়।আজ বুধবার দুপুরে দেখা যায়, পাম্পের সামনে দুটি সারিতে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন। এতে দাঁড়ানোর পর পাম্পের কর্মীরা প্রথমে গাড়ির রেজিস্ট্রেশন ও চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স যাচাই করছেন। এরপর রেজিস্ট্রেশন নম্বর নথিভুক্ত করে টোকেন দেওয়া হচ্ছে।তিন দিন ধরে চালু এই পদ্ধতির কারণে পাম্পে শৃঙ্খলা ফিরেছে বলে জানান এর মালিক মোহাম্মদ সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, ‘আমরা আগের চেয়ে বেশি তেল সরবরাহ পাচ্ছি। কিন্তু বিভিন্ন এলাকা থেকে মোটরসাইকেল এসে একাধিকবার তেল নিয়ে মজুত করছিল। এতে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হচ্ছিল। যাতে কেউ অতিরিক্ত তেল নিতে না পারে, তাই আমরা কার্ড বা টোকেনব্যবস্থা চালু করেছি।’এক দিনে ৮৮ হাজার লিটার তেল উদ্ধার: জ্বালানি বিভাগ এই ব্যবস্থায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন পাম্পে তেল নিতে আসা গ্রাহকেরাও। আবু হাসেম নামের এক গ্রাহক বলেন, ‘এই সংকটের মধ্যে এমন ব্যবস্থাপনায় অনেক ভালো লাগছে। লাইনে দাঁড়িয়ে শান্তভাবে তেল নিতে পারছি, কোনো সিন্ডিকেট নেই।’সাইফুল ইসলাম নামের আরেক গ্রাহক বলেন, ঈদের আগে এখানে ৩৫০ টাকার তেল নিয়েছিলাম। আজ প্রায় ১০ দিন পর আবার তেল নিতে এসেছি। এই কার্ড দেখালে আবার তেল পাওয়া যাবে—এটা একটা নিশ্চয়তা।পাম্পে উপস্থিত আরেক গ্রাহক একরাম আলী জানান, আগের দিন তিনি দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে তেল পাননি। সারা দিন ঘুরেও তেল পাননি। কিন্তু এখানে এসে কার্ড পেয়েছেন।ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বরত এক পুলিশ সদস্য জানান, এই পদ্ধতি অবলম্বন করায় পাম্পে শান্ত পরিবেশ আছে। কেউ আগে এসেই তেল নিতে পারছেন না। যাঁর কাছে কার্ড থাকবে, তিনি লাইন মেনে এলেই তেল পাচ্ছেন।

৩ মিনিট আগে

 সারাদেশ সারাদেশ

রাজশাহীতে টোকেনে তেল দেয়া হচ্ছে

রাজশাহীতে টোকেনে তেল দেয়া হচ্ছে

রাজশাহীতে টোকেনে তেল দেয়া হচ্ছেমো: গোলাম কিবরিয়া,রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:-রাজশাহীতে গাড়ির কাগজপত্র দেখে টোকেনের মাধ্যমে দেওয়া হচ্ছে জ্বালানি তেল। আজ বুধবার দুপুরে কাটাখালী জ্বালানি তেলের জন্য দীর্ঘ লাইনের ভোগান্তি কমাতে রাজশাহীতে টোকেন পদ্ধতি চালু করেছে একটি ফিলিং স্টেশন। গাড়ির কাগজপত্র যাচাইয়ের পর সংশ্লিষ্টদের দেওয়া হচ্ছে টোকেন, আর সেটি দেখিয়েই নির্ধারিত সময়ে তেল পাচ্ছেন গ্রাহকেরা। টোকেন ছাড়া সেখানে মিলছে না জ্বালানি। এতে শৃঙ্খলা ফিরেছে পাম্পে, কমেছে ভিড় ও বিশৃঙ্খলা—এমনটিই দাবি ফিলিং স্টেশনটির মালিক–কর্মচারীদের।রাজশাহীর কাটাখালী পৌরসভায় অবস্থিত ওই প্রতিষ্ঠানের মেসার্স সুহাইল ফিলিং স্টেশন। এটির কর্তৃপক্ষ জানায়, মেট্রোপলিটন এলাকার মোটরসাইকেলচালকদের জন্য হলুদ টোকেনে ৫০০ টাকা এবং মেট্রোপলিটনের বাইরের চালকদের জন্য সাদা টোকেনে ২০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে। হলুদ টোকেনে তেল নিলে পাম্পটি থেকে পাঁচ দিন পর আবার তেল পাবেন ক্রেতা। এর আগে তাঁকে তেল দেওয়া হবে না। আর সাদা টোকেন দেখিয়ে দুই দিন পর তেল পাওয়া যাবে। টোকেনে তেল দেওয়ার তারিখ উল্লেখ করা হয়।আজ বুধবার দুপুরে দেখা যায়, পাম্পের সামনে দুটি সারিতে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন। এতে দাঁড়ানোর পর পাম্পের কর্মীরা প্রথমে গাড়ির রেজিস্ট্রেশন ও চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স যাচাই করছেন। এরপর রেজিস্ট্রেশন নম্বর নথিভুক্ত করে টোকেন দেওয়া হচ্ছে।তিন দিন ধরে চালু এই পদ্ধতির কারণে পাম্পে শৃঙ্খলা ফিরেছে বলে জানান এর মালিক মোহাম্মদ সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, ‘আমরা আগের চেয়ে বেশি তেল সরবরাহ পাচ্ছি। কিন্তু বিভিন্ন এলাকা থেকে মোটরসাইকেল এসে একাধিকবার তেল নিয়ে মজুত করছিল। এতে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হচ্ছিল। যাতে কেউ অতিরিক্ত তেল নিতে না পারে, তাই আমরা কার্ড বা টোকেনব্যবস্থা চালু করেছি।’এক দিনে ৮৮ হাজার লিটার তেল উদ্ধার: জ্বালানি বিভাগ এই ব্যবস্থায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন পাম্পে তেল নিতে আসা গ্রাহকেরাও। আবু হাসেম নামের এক গ্রাহক বলেন, ‘এই সংকটের মধ্যে এমন ব্যবস্থাপনায় অনেক ভালো লাগছে। লাইনে দাঁড়িয়ে শান্তভাবে তেল নিতে পারছি, কোনো সিন্ডিকেট নেই।’সাইফুল ইসলাম নামের আরেক গ্রাহক বলেন, ঈদের আগে এখানে ৩৫০ টাকার তেল নিয়েছিলাম। আজ প্রায় ১০ দিন পর আবার তেল নিতে এসেছি। এই কার্ড দেখালে আবার তেল পাওয়া যাবে—এটা একটা নিশ্চয়তা।পাম্পে উপস্থিত আরেক গ্রাহক একরাম আলী জানান, আগের দিন তিনি দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে তেল পাননি। সারা দিন ঘুরেও তেল পাননি। কিন্তু এখানে এসে কার্ড পেয়েছেন।ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বরত এক পুলিশ সদস্য জানান, এই পদ্ধতি অবলম্বন করায় পাম্পে শান্ত পরিবেশ আছে। কেউ আগে এসেই তেল নিতে পারছেন না। যাঁর কাছে কার্ড থাকবে, তিনি লাইন মেনে এলেই তেল পাচ্ছেন।

৩ মিনিট আগে

 রাজনীতি রাজনীতি

জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান ইনকিলাব মঞ্চের

জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান ইনকিলাব মঞ্চের

শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে দেশের চলমান সংকট মোকাবিলায় জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।ফ্যাসিবাদবিরোধী সব রাজনৈতিক দল নিয়ে জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়ে শরিফ ওসমান হাদি বলেন, বিএনপি অসহযোগিতা করলে তাদের জাতির কাছে জবাবদিহি করতে হবে। জামায়াত অসহযোগিতা করলে জবাবদিহি করতে হবে তাদেরও। এই সরকারের মেয়াদ হবে ১০ মাস থেকে এক বছর। যদি জাতীয় সরকার না করতে পারেন তাহলে জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল গড়ে তোলেন। জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল প্রধান হবেন ড. ইউনূস। সব রাজনৈতিক দল থেকে সেখানে প্রতিনিধি থাকবে সদস্য হিসাবে। তাদের সাংবিধানিক মর্যাদা হবে ক্যাবিনেট মন্ত্রী পরিষদের মতো। তারা মন্ত্রী হবেন না, উপদেষ্টা হবেন না কিন্তু ওয়াচডগ হিসাবে কাজ করবেন।জুলাই ঘোষণাপত্র প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত জুলাই ঘোষণাপত্রের কার্যক্রম না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে কোনো লাভ নেই। যদি জুলাই ঘোষণাপত্র না আসে, যারা জুলাইয়ের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন দিল্লির সঙ্গে মিলে আওয়ামী লীগ তাদের কচুকাটা করবে। জুলাই ঘোষণাপত্র সাংবিধানিক স্বীকৃতি পেলেই আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ হবে।

সরকারের কাছে পাঁচ দাবি জানিয়েছে এনসিপি

সরকারের কাছে পাঁচ দাবি জানিয়েছে এনসিপি

দেষ্টাকে বলেছি, গণঅভ্যুত্থানের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব শেষ করেই অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।এনসিপির পাঁচ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে জুলাই ঘোষণাপত্র একটি দাবি ছিল এবং সেটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল; সেটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয় সে দাবি জানিয়েছি। আমাদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস স্যারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।নাহিদ বলেন, দ্বিতীয়ত—জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হচ্ছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। তৃতীয়ত—শেখ হাসিনার আমলে হওয়া জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে বলেছি। কারণ সে সময়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন করেছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। দিনের ভোট রাতে করেছে, ডামি প্রার্থীর ভোট হয়েছে। ফলে সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলোকে সেই সময়ের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাখান করেছে। আবার সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে আদালতে নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতে পূর্বের নির্বাচনগুলোকে আইনগতভাবে যাতে অবৈধ ঘোষণা করা হয় সেই দাবি জানিয়েছি।চতুর্থ নম্বরে নাহিদ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমান যে ইলেকশন কমিশন সেটার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করার দাবি জানান তারা।সর্বশেষ জুলাই গণহত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে এনসিপি।প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত

সরকারের কাছে পাঁচ দাবি জানিয়েছে এনসিপি

দেষ্টাকে বলেছি, গণঅভ্যুত্থানের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব শেষ করেই অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।এনসিপির পাঁচ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে জুলাই ঘোষণাপত্র একটি দাবি ছিল এবং সেটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল; সেটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয় সে দাবি জানিয়েছি। আমাদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস স্যারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।নাহিদ বলেন, দ্বিতীয়ত—জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হচ্ছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। তৃতীয়ত—শেখ হাসিনার আমলে হওয়া জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে বলেছি। কারণ সে সময়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন করেছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। দিনের ভোট রাতে করেছে, ডামি প্রার্থীর ভোট হয়েছে। ফলে সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলোকে সেই সময়ের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাখান করেছে। আবার সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে আদালতে নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতে পূর্বের নির্বাচনগুলোকে আইনগতভাবে যাতে অবৈধ ঘোষণা করা হয় সেই দাবি জানিয়েছি।চতুর্থ নম্বরে নাহিদ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমান যে ইলেকশন কমিশন সেটার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করার দাবি জানান তারা।সর্বশেষ জুলাই গণহত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে এনসিপি।প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত

সরকারের কাছে পাঁচ দাবি জানিয়েছে এনসিপি

প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগ আমরা চাই না: নুর

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে যে ঐক্য গড়ে উঠেছিল সেখানে ফাটল দেখা দিয়েছে মন্তব্য করে নুর বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ছাত্রদের ওপর বিরক্ত। গণহত্যার বিচার, রাষ্ট্রীয় সংস্কার, নির্বাচন সবই প্রয়োজন। কিন্তু নির্বাচন নিয়ে কথা বললেই কোনো সদুত্তর নেই। প্রধান উপদেষ্টাকে ঘিরে আছে ওয়ান ইলেভেনের দুষ্টু চক্র।নুর বলেন, বাংলাদেশে অনির্বাচিত সরকার থাকলে সংকট কাটবে না। সংকট কাটাতে নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ প্রয়োজন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ আলোচনা না করেই করিডরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় কীভাবে! বিভিন্ন প্রসঙ্গে এর আগে জাতীয় সংলাপ হয়েছে, কিন্তু এখন কেন ডাকা হচ্ছে 

প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগ আমরা চাই না: নুর

ইশরাককে শপথ না করালে আদালত অবমাননা মামলা: ব্যারিস্টার মাহবুব

উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবু হানিফের সভাপতিত্বে পৌরসভার দৌলতপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই স্মরণসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহাবুব আলমগীর আলো, সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ আজাদ, আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী রাবেয়া বসরী প্রমুখ।

ইশরাককে শপথ না করালে আদালত অবমাননা মামলা: ব্যারিস্টার মাহবুব

ইশরাককে শপথ না করালে আদালত অবমাননা মামলা: ব্যারিস্টার মাহবুব

উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবু হানিফের সভাপতিত্বে পৌরসভার দৌলতপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই স্মরণসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহাবুব আলমগীর আলো, সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ আজাদ, আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী রাবেয়া বসরী প্রমুখ।

ইশরাককে শপথ না করালে আদালত অবমাননা মামলা: ব্যারিস্টার মাহবুব

 সারাদেশ সারাদেশ

সকল জেলার খবর

আর্কাইভ

 সারাদেশ সারাদেশ

রাজশাহীতে টোকেনে তেল দেয়া হচ্ছে

রাজশাহীতে টোকেনে তেল দেয়া হচ্ছে

রাজশাহীতে টোকেনে তেল দেয়া হচ্ছেমো: গোলাম কিবরিয়া,রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:-রাজশাহীতে গাড়ির কাগজপত্র দেখে টোকেনের মাধ্যমে দেওয়া হচ্ছে জ্বালানি তেল। আজ বুধবার দুপুরে কাটাখালী জ্বালানি তেলের জন্য দীর্ঘ লাইনের ভোগান্তি কমাতে রাজশাহীতে টোকেন পদ্ধতি চালু করেছে একটি ফিলিং স্টেশন। গাড়ির কাগজপত্র যাচাইয়ের পর সংশ্লিষ্টদের দেওয়া হচ্ছে টোকেন, আর সেটি দেখিয়েই নির্ধারিত সময়ে তেল পাচ্ছেন গ্রাহকেরা। টোকেন ছাড়া সেখানে মিলছে না জ্বালানি। এতে শৃঙ্খলা ফিরেছে পাম্পে, কমেছে ভিড় ও বিশৃঙ্খলা—এমনটিই দাবি ফিলিং স্টেশনটির মালিক–কর্মচারীদের।রাজশাহীর কাটাখালী পৌরসভায় অবস্থিত ওই প্রতিষ্ঠানের মেসার্স সুহাইল ফিলিং স্টেশন। এটির কর্তৃপক্ষ জানায়, মেট্রোপলিটন এলাকার মোটরসাইকেলচালকদের জন্য হলুদ টোকেনে ৫০০ টাকা এবং মেট্রোপলিটনের বাইরের চালকদের জন্য সাদা টোকেনে ২০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে। হলুদ টোকেনে তেল নিলে পাম্পটি থেকে পাঁচ দিন পর আবার তেল পাবেন ক্রেতা। এর আগে তাঁকে তেল দেওয়া হবে না। আর সাদা টোকেন দেখিয়ে দুই দিন পর তেল পাওয়া যাবে। টোকেনে তেল দেওয়ার তারিখ উল্লেখ করা হয়।আজ বুধবার দুপুরে দেখা যায়, পাম্পের সামনে দুটি সারিতে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন। এতে দাঁড়ানোর পর পাম্পের কর্মীরা প্রথমে গাড়ির রেজিস্ট্রেশন ও চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স যাচাই করছেন। এরপর রেজিস্ট্রেশন নম্বর নথিভুক্ত করে টোকেন দেওয়া হচ্ছে।তিন দিন ধরে চালু এই পদ্ধতির কারণে পাম্পে শৃঙ্খলা ফিরেছে বলে জানান এর মালিক মোহাম্মদ সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, ‘আমরা আগের চেয়ে বেশি তেল সরবরাহ পাচ্ছি। কিন্তু বিভিন্ন এলাকা থেকে মোটরসাইকেল এসে একাধিকবার তেল নিয়ে মজুত করছিল। এতে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হচ্ছিল। যাতে কেউ অতিরিক্ত তেল নিতে না পারে, তাই আমরা কার্ড বা টোকেনব্যবস্থা চালু করেছি।’এক দিনে ৮৮ হাজার লিটার তেল উদ্ধার: জ্বালানি বিভাগ এই ব্যবস্থায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন পাম্পে তেল নিতে আসা গ্রাহকেরাও। আবু হাসেম নামের এক গ্রাহক বলেন, ‘এই সংকটের মধ্যে এমন ব্যবস্থাপনায় অনেক ভালো লাগছে। লাইনে দাঁড়িয়ে শান্তভাবে তেল নিতে পারছি, কোনো সিন্ডিকেট নেই।’সাইফুল ইসলাম নামের আরেক গ্রাহক বলেন, ঈদের আগে এখানে ৩৫০ টাকার তেল নিয়েছিলাম। আজ প্রায় ১০ দিন পর আবার তেল নিতে এসেছি। এই কার্ড দেখালে আবার তেল পাওয়া যাবে—এটা একটা নিশ্চয়তা।পাম্পে উপস্থিত আরেক গ্রাহক একরাম আলী জানান, আগের দিন তিনি দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে তেল পাননি। সারা দিন ঘুরেও তেল পাননি। কিন্তু এখানে এসে কার্ড পেয়েছেন।ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বরত এক পুলিশ সদস্য জানান, এই পদ্ধতি অবলম্বন করায় পাম্পে শান্ত পরিবেশ আছে। কেউ আগে এসেই তেল নিতে পারছেন না। যাঁর কাছে কার্ড থাকবে, তিনি লাইন মেনে এলেই তেল পাচ্ছেন।

ইভেন্ট

লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন