লালমাই প্রেস ক্লাবের সরকারী রেজিষ্ট্রেশন পাওয়ায় কেক কেটে বর্ণাঢ্যভাবে উদযাপন (নিজস্ব প্রতিবেদক) লালমাই প্রেস ক্লাবের সরকারীভাবে রেজিষ্ট্রেশন সম্পন্ন হওয়ায় আলোচনা সভা, কেক কাটা ও মিষ্টিমুখ করিয়ে বর্ণাঢ্যভাবে উদযাপন করা হয়েছে।সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬ বিকেল ৫ টায় উপজেলা সংলগ্ন, থানা রোড, খন্দকার প্লাজায় লালমাই প্রেস ক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সাপ্তাহিক চলন পত্রিকা সম্পাদক মাহবুবুর রহমান কাশেম এর সভাপতিত্বে ও প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক যুগ-যুগান্তর ও যেযে টিভি বিশেষ প্রতিনিধি মোঃ জয়নাল আবেদীন জয় এর সঞ্চালনায় মাসিক আলোচনা সভা, মিষ্টিমুখ ও কেক কেটে শুভ উদ্বোধনের মাধ্যমে সরকারী রেজিষ্ট্রেশন প্রাপ্তিকে স্বরণীয় করা হয়েছে।আলোচনা সভা, মিষ্টিমুখ ও কেক কাটার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি, দৈনিক শিরোনাম ও দৈনিক বাংলা কাগজ প্রতিনিধি মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, সহসাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক সমাজ কন্ঠ নিজস্ব প্রতিবেদক তোফায়েল মাহমুদ বাহার, সাংগঠনিক সম্পাদক ও দৈনিক বাংলা আলোড়ন নিজস্ব প্রতিবেদক মোঃ মোস্তফা কামাল মজুমদার রুবেল,অর্থ সম্পাদক ও দৈনিক কুমিল্লা প্রতিচ্ছবি সম্পাদক মোঃ মনিরুল ইসলাম,দপ্তর সম্পাদক, দৈনিক খোলা কাগজ ও দৈনিক ভোরের কলাম প্রতিনিধি আজহারুল ইসলাম আজহার,স্বাস্থ্য সম্পাদক ও সাপ্তাহিক চলন পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি মোঃ মহিন উদ্দিন,ক্রীড়া সম্পাদক, এসডি টেলিভিশন ও দৈনিক কুমিল্লা কন্ঠ প্রতিনিধি আহসান উল্লাহ রাজু, সমাজ কল্যাণ ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক, দৈনিক স্বাধীন ভোর প্রতিনিধি মোহাম্মদ উল্লাহ,শিক্ষা ও তথ্য প্রযুক্তি সম্পাদক, দৈনিক কুমিল্লার ডাক ও সাপ্তাহিক লাকসাম প্রতিনিধি মোঃ মাঈন উদ্দিন,নির্বাহী সদস্য ও দৈনিক একুশে পত্রিকার প্রতিনিধি খন্দকার আবাদ মিয়া, সদস্য ও বাংলাদেশ বেতারের অনুষ্ঠান সহকারী সামছুল আলম মনির, সদস্য ও দৈনিক দেশসেবা প্রতিনিধি মোঃ মতিউর রহমান, সদস্য ও দৈনিক কুমিল্লার খবর প্রতিনিধি কাউসার আলম, সদস্য ও দৈনিক কুমিল্লা প্রতিচ্ছবি সহসম্পাদক মোঃ মনির হোসেন প্রমুখ।বাংলাদেশের প্রাচীণতম প্রেস ক্লাব ঢাকা প্রেসক্লাব, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব,কুমিল্লা প্রেসক্লাব সহ দেশে সকল জেলা ও উপজেলায় স্বীকৃত পেশাজীবী সাংবাদিকদের সংগঠন প্রেসক্লাব গুলো যে প্রক্রিয়ায় রেজিষ্ট্রেশন সম্পন্ন করা হয়েছে, তেমনি একই নিয়মনীতি,আইনগতভিত্তি ও সমমর্যাদায় আইনগত স্বীকৃতির নতুন দিগন্তে লালমাই প্রেস ক্লাব যার রেজিস্ট্রেশন নম্বর: CH-16757/2026 আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশের দ্বারপ্রান্তে একটি নতুন অধ্যায়।বাংলাদেশের গণমাধ্যম, সাংবাদিকতা, গবেষণা, সাহিত্য, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং সামাজিক নেতৃত্বের বিকাশে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে। দীর্ঘ পরিকল্পনা, প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া এবং সুপরিকল্পিত প্রস্তুতির পর বাংলাদেশ সরকারের রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মস (RJSC) কর্তৃক কোম্পানি আইন, ১৯৯৪ (Act XVIII of 1994)-এর অধীনে রেজিস্ট্রেশন নম্বর: CH-16757/2026-এ lalmai press Club Ltd. (লালমাই প্রেস ক্লাব লিমিটেড) আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধিত হয়েছে।এই নিবন্ধনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি একটি পূর্ণাঙ্গ আইনগত স্বীকৃতি লাভ করেছে, যা ভবিষ্যতের কার্যক্রম পরিচালনা, সাংগঠনিক সম্প্রসারণ এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিসরে অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।লালমাই প্রেস ক্লাব শুধু একটি সংগঠনের নাম নয়; এটি সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের অভিজ্ঞতা, জ্ঞান, পেশাদারিত্ব এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি স্বপ্নের প্রতিষ্ঠান। দেশের সিনিয়র সাংবাদিক, সম্পাদক, লেখক, গবেষক, কলামিস্ট, টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব, আলোকচিত্রী, মিডিয়া উদ্যোক্তা এবং গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জন্য একটি মর্যাদাপূর্ণ ও কার্যকর প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলাই এর অন্যতম লক্ষ্য।প্রতিষ্ঠানটি নৈতিক ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার বিকাশ, পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন, সাংবাদিকদের কল্যাণ, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, সেমিনার, গবেষণা, প্রকাশনা, গণমাধ্যমবিষয়ক আলোচনা, সামাজিক উন্নয়নমূলক উদ্যোগ এবং মানবিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করছে।এছাড়া তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক সাংবাদিকতা, তরুণ সাংবাদিকদের মেন্টরশিপ, অভিজ্ঞ সাংবাদিকদের সম্মাননা, গণমাধ্যম গবেষণা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতামূলক বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়েছে।খুব শিগগিরই জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে দেশের বিশিষ্ট সাংবাদিক, সম্পাদক, বুদ্ধিজীবী, শিক্ষাবিদ, গবেষক, আইনজীবী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, ব্যবসায়ী, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সম্মানিত অতিথিদের উপস্থিতিতে লালমাই প্রেস ক্লাব এর আনুষ্ঠানিকভাবে আরো ব্যাপক পরিসরে অভিষেক অনুষ্ঠান ও প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হবে।এই নতুন যাত্রা কেবল একটি প্রতিষ্ঠানের উদ্বোধন নয়; এটি হবে পেশাদার সাংবাদিকতার মর্যাদা, ঐক্য, দায়িত্বশীলতা এবং সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করার এক নতুন অঙ্গীকার।রেজিস্ট্রেশন নম্বর: CH-16757/2026-এর মাধ্যমে আইনগত ভিত্তি অর্জনের পর লালমাই প্রেস ক্লাব দেশের গণমাধ্যম অঙ্গনে একটি আধুনিক, সৃজনশীল, দায়িত্বশীল ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন প্রতিষ্ঠান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে—এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্ট সকলের।সকলের আন্তরিক সহযোগিতা, পরামর্শ, শুভকামনা ও সক্রিয় অংশগ্রহণই হবে এই প্রতিষ্ঠানের আগামী দিনের শক্তি ও সফলতার মূল ভিত্তি।উল্লেখ্য যে, ২০১৮ সালের ১ জানুয়ারী প্রতিষ্ঠাতা আহবায়ক মাহবুবুর রহমান কাশেম ও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সচিব মোঃ জয়নাল আবেদীন জয় সহ ১১ সদস্য কার্যনির্বাহী সহ ২৭ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করা হয়েছিলো। পরবর্তীতে প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে মাহবুবুর রহমান কাশেম সভাপতি ও মোঃ জয়নাল আবেদীন জয় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলো। লালমাই প্রেসক্লাব ২০১৯ সালেরেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মস (RJSC) থেকে রেজিষ্ট্রেশন সম্পন্নকরণের লক্ষ্যে নামের ছাড়পত্র পেয়েছিলো। যা গত ২৯ জুলাই, ২০২৬ সালে চূড়ান্তভাবে রেজিষ্ট্রেশন সম্পন্নকরণ করা হয়েছে।বর্তমানে লালমাই প্রেস ক্লাবের ২৩ সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি সহ ১৬ জন সম্মানিত সদস্যদের নিয়ে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
অনলাইন জরিপ
সারাদেশ
রাজনীতি
শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে দেশের চলমান সংকট মোকাবিলায় জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।ফ্যাসিবাদবিরোধী সব রাজনৈতিক দল নিয়ে জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়ে শরিফ ওসমান হাদি বলেন, বিএনপি অসহযোগিতা করলে তাদের জাতির কাছে জবাবদিহি করতে হবে। জামায়াত অসহযোগিতা করলে জবাবদিহি করতে হবে তাদেরও। এই সরকারের মেয়াদ হবে ১০ মাস থেকে এক বছর। যদি জাতীয় সরকার না করতে পারেন তাহলে জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল গড়ে তোলেন। জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল প্রধান হবেন ড. ইউনূস। সব রাজনৈতিক দল থেকে সেখানে প্রতিনিধি থাকবে সদস্য হিসাবে। তাদের সাংবিধানিক মর্যাদা হবে ক্যাবিনেট মন্ত্রী পরিষদের মতো। তারা মন্ত্রী হবেন না, উপদেষ্টা হবেন না কিন্তু ওয়াচডগ হিসাবে কাজ করবেন।জুলাই ঘোষণাপত্র প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত জুলাই ঘোষণাপত্রের কার্যক্রম না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে কোনো লাভ নেই। যদি জুলাই ঘোষণাপত্র না আসে, যারা জুলাইয়ের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন দিল্লির সঙ্গে মিলে আওয়ামী লীগ তাদের কচুকাটা করবে। জুলাই ঘোষণাপত্র সাংবিধানিক স্বীকৃতি পেলেই আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ হবে।
দেষ্টাকে বলেছি, গণঅভ্যুত্থানের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব শেষ করেই অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।এনসিপির পাঁচ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে জুলাই ঘোষণাপত্র একটি দাবি ছিল এবং সেটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল; সেটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয় সে দাবি জানিয়েছি। আমাদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস স্যারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।নাহিদ বলেন, দ্বিতীয়ত—জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হচ্ছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। তৃতীয়ত—শেখ হাসিনার আমলে হওয়া জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে বলেছি। কারণ সে সময়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন করেছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। দিনের ভোট রাতে করেছে, ডামি প্রার্থীর ভোট হয়েছে। ফলে সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলোকে সেই সময়ের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাখান করেছে। আবার সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে আদালতে নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতে পূর্বের নির্বাচনগুলোকে আইনগতভাবে যাতে অবৈধ ঘোষণা করা হয় সেই দাবি জানিয়েছি।চতুর্থ নম্বরে নাহিদ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমান যে ইলেকশন কমিশন সেটার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করার দাবি জানান তারা।সর্বশেষ জুলাই গণহত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে এনসিপি।প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত
দেষ্টাকে বলেছি, গণঅভ্যুত্থানের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব শেষ করেই অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।এনসিপির পাঁচ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে জুলাই ঘোষণাপত্র একটি দাবি ছিল এবং সেটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল; সেটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয় সে দাবি জানিয়েছি। আমাদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস স্যারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।নাহিদ বলেন, দ্বিতীয়ত—জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হচ্ছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। তৃতীয়ত—শেখ হাসিনার আমলে হওয়া জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে বলেছি। কারণ সে সময়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন করেছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। দিনের ভোট রাতে করেছে, ডামি প্রার্থীর ভোট হয়েছে। ফলে সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলোকে সেই সময়ের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাখান করেছে। আবার সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে আদালতে নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতে পূর্বের নির্বাচনগুলোকে আইনগতভাবে যাতে অবৈধ ঘোষণা করা হয় সেই দাবি জানিয়েছি।চতুর্থ নম্বরে নাহিদ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমান যে ইলেকশন কমিশন সেটার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করার দাবি জানান তারা।সর্বশেষ জুলাই গণহত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে এনসিপি।প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে যে ঐক্য গড়ে উঠেছিল সেখানে ফাটল দেখা দিয়েছে মন্তব্য করে নুর বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ছাত্রদের ওপর বিরক্ত। গণহত্যার বিচার, রাষ্ট্রীয় সংস্কার, নির্বাচন সবই প্রয়োজন। কিন্তু নির্বাচন নিয়ে কথা বললেই কোনো সদুত্তর নেই। প্রধান উপদেষ্টাকে ঘিরে আছে ওয়ান ইলেভেনের দুষ্টু চক্র।নুর বলেন, বাংলাদেশে অনির্বাচিত সরকার থাকলে সংকট কাটবে না। সংকট কাটাতে নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ প্রয়োজন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ আলোচনা না করেই করিডরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় কীভাবে! বিভিন্ন প্রসঙ্গে এর আগে জাতীয় সংলাপ হয়েছে, কিন্তু এখন কেন ডাকা হচ্ছে
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবু হানিফের সভাপতিত্বে পৌরসভার দৌলতপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই স্মরণসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহাবুব আলমগীর আলো, সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ আজাদ, আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী রাবেয়া বসরী প্রমুখ।
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবু হানিফের সভাপতিত্বে পৌরসভার দৌলতপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই স্মরণসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহাবুব আলমগীর আলো, সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ আজাদ, আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী রাবেয়া বসরী প্রমুখ।