বাংলাদেশের নাজেহাল স্বাস্থ্য ব্যাবস্থা বনাম গনমাধ্যমকর্মী ওমর ফারুকের আর্তনাদ আশীষ বিশ্বাস নীলফামারী প্রতিনিধি :-আমি ওমর ফারুক- এক দীর্ঘ নিঃশ্বাসের গল্প ডাক্তারী কি শধুই পেশা, নাকি মানবিকতার চরম পরীক্ষা? এ শহরের ব্যস্ততা শুরু হয় ভোর থেকেই। কেউ দিন শুরু করে ভালো কিছু করার প্রত্যয়ে, আবার কেউ ব্যস্ত থাকে নিজের স্বার্থের হিসাব-নিকাশে। সরকারি হাসপাতালের একজন চিকিৎসক হওয়ার পেছনে কত পরিশ্রম, কত ত্যাগ আর মানুষের প্রত্যাশা জড়িয়ে থাকে—তা সবারই জানা। কিন্তু দায়িত্ব পাওয়ার পর অনেকের মনোযোগ যেন সেবার চেয়ে বেশি থাকে কোন প্রাইভেট ক্লিনিকে কখন বসবেন, সেই প্রচারণায়। নিজের ওয়ালে ক্লিনিকের সময়সূচি জানাতে তারা যতটা তৎপর, তার কিঞ্চিৎ পরিমাণ দেখা যায় না সরকারি ডিউটির সময় বা কক্ষ নম্বর জানাতে।সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো, অনেক রোগী সঠিক চিকিৎসা ও মনোযোগের অভাবে অবহেলার শিকার হন। একজন চিকিৎসক যদি বুঝতে পারেন তিনি কাঙ্ক্ষিত সেবা দিতে পারছেন না, তবে অন্তত রোগীকে স্পষ্টভাবে বলা উচিত—“এখানে সম্ভব নয়, উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত ওই জায়গায় যান।” কিন্তু রেফার করার বদলে অনেক সময় চলে 'সময়ক্ষেপণ', যার পরিণতিতে রোগ আরও জটিল হয়ে ওঠে।আমার দীর্ঘ ৮ বছরের যন্ত্রণার আখ্যান আমি, ওমর ফারুক—এই বাস্তবতারই একজন প্রত্যক্ষ ভুক্তভোগী। আমার এই কষ্টের শুরু ২০১৮ সালের ২২ জানুয়ারি, মঙ্গলবার। দুহুলী মাঠে ফুটবল খেলার সময় বাম পা ভেতরে ভেঙে যায়। নীলফামারীতে প্রাথমিক চিকিৎসার পর আমাকে রংপুরের ‘লাইফ লাইন ক্লিনিকে’ ভর্তি করা হয়। ৩১ জানুয়ারি সেখানে অপারেশন করে পায়ে প্লেট লাগিয়ে দেন পঙ্গু হাসপাতালের সাবেক পরিচালক খন্দকার হামিদুল ইসলাম।ষোল দিন পর বাড়ি ফিরলাম, কিন্তু শুরু হলো নতুন দুর্ভোগ। সেলাই কাটতে গিয়ে ডাক্তারের অ্যাসিস্ট্যান্টের ভুলের কারণে প্রচণ্ড আঘাত পেলাম, রক্ত বের হলো। সেই শুরু—এরপর থেকে আজ অবধি ক্ষতস্থানে ইনফেকশন আর পুঁজ বের হওয়া বন্ধ হলো না। ২০১৯ সালের ৯ জুলাই দ্বিতীয়বার অপারেশন করে প্লেট বের করা হলো। দামী দামী অ্যান্টিবায়োটিক আর ইনজেকশন চললো, কিন্তু সমাধান এলো না।এরপর ২০২০ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি নীলফামারী হাসপাতালে ডা. গোলাম মোস্তফা শুভ্র কিউরেট অপারেশন করলেন, কিন্তু কিছুদিন পরেই তিনি বদলি হয়ে গেলেন। তার পরামর্শে রংপুর গুড হেলথ হসপিটালে বিভাগীয় প্রধান ডা. শফিকুল ইসলাম শফিকের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা শুরু করলাম। বছরের পর বছর কাটল, যখনই জানতে চেয়েছি স্থায়ী সমাধান কী, উত্তর পেয়েছি— "এগুলো সহজে সারে না, সময় লাগবে, আল্লাহ ভরসা।"সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে পুনরায় দুর্ঘটনা দীর্ঘ ৫ বছর তার অধীনে চিকিৎসা চলার মাঝেই হঠাৎ ২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবর এক মর্মান্তিক মোড় আসে। সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে রিকশায় ওঠার সময় সেই একই জায়গায় হাড়টি আবারও ভেঙে যায়। টানা চার মাস প্লাস্টারে থাকলাম। সম্প্রতি ঈদুল ফিতরের পর যখন দেখা করলাম, তখন ডাক্তার বললেন— "ইনফেকশন ছড়াচ্ছে, অপারেশন করতে হবে।" যখন জিজ্ঞেস করলাম অপারেশন করলে ঠিক হবে কি না, তিনি কোনো গ্যারান্টি দিতে পারলেন না। পরামর্শ দিলেন ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে (নিটোর) যাওয়ার।অপেক্ষার প্রহর কি শেষ হবে? দীর্ঘ ৮ বছর ৪ মাসেরও বেশি সময় ধরে জেলা সদর থেকে বিভাগীয় পর্যায় পর্যন্ত ছুটে বেড়িয়েছি, কিন্তু মেলেনি সঠিক চিকিৎসা কিংবা স্পষ্ট কোনো পথনির্দেশনা। অবশেষে জাতীয় পর্যায়ের আশায় এখন পঙ্গু হাসপাতালে (নিটোর) এসে প্রতিনিয়ত চেম্বারের দরজায় অপেক্ষা করছি। তীব্র যানজট পেরিয়ে এক ক্লিনিক থেকে অন্য ক্লিনিকে টেস্ট করাতে ছুটছি।একজন রোগীর জন্য এই পথচলা শুধু শারীরিক কষ্টের নয়, মানসিক ও আর্থিকভাবেও চরম ক্লান্তিকর। সবচেয়ে বেদনাদায়ক হলো—এত বছরের এই সংগ্রামের পরও আজও নিশ্চিতভাবে বলতে পারছি না, কবে মিলবে সুস্থতার দেখা।এই অভিজ্ঞতা শুধু আমার একার নয়; এমন অসংখ্য রোগীর নীরব কষ্ট আমাদের স্বাস্থ্যব্যবস্থার এক করুণ চিত্র। সরকারি হাসপাতাল মানুষের শেষ ভরসাস্থল। এই জায়গাটিকে অন্তত শুধু 'ব্যবসা' নয়, 'মানবিকতার' জায়গা হিসেবে রাখা উচিত। রোগীর প্রতি দায়বদ্ধতা, আন্তরিকতা ও সঠিক দিকনির্দেশনা এখন সময়ের দাবি।সুস্থতার অপেক্ষায় মানসিক ভাবে ভেঙ্গে পড়া ওমর ফারুকের বাড়ী নীলফামারী জেলা সদরের পঞ্চপুকুর ইউনিয়নে। তিনি পেশায় একজন গনমাধ্যম কর্মী স্থানীয় একটি ফেসবুক পেইজ nilphamari top news ফেসবুক পেইজ নামের আইডির পরিচালক।
অনলাইন জরিপ
সারাদেশ
রাজনীতি
শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে দেশের চলমান সংকট মোকাবিলায় জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।ফ্যাসিবাদবিরোধী সব রাজনৈতিক দল নিয়ে জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়ে শরিফ ওসমান হাদি বলেন, বিএনপি অসহযোগিতা করলে তাদের জাতির কাছে জবাবদিহি করতে হবে। জামায়াত অসহযোগিতা করলে জবাবদিহি করতে হবে তাদেরও। এই সরকারের মেয়াদ হবে ১০ মাস থেকে এক বছর। যদি জাতীয় সরকার না করতে পারেন তাহলে জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল গড়ে তোলেন। জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল প্রধান হবেন ড. ইউনূস। সব রাজনৈতিক দল থেকে সেখানে প্রতিনিধি থাকবে সদস্য হিসাবে। তাদের সাংবিধানিক মর্যাদা হবে ক্যাবিনেট মন্ত্রী পরিষদের মতো। তারা মন্ত্রী হবেন না, উপদেষ্টা হবেন না কিন্তু ওয়াচডগ হিসাবে কাজ করবেন।জুলাই ঘোষণাপত্র প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত জুলাই ঘোষণাপত্রের কার্যক্রম না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে কোনো লাভ নেই। যদি জুলাই ঘোষণাপত্র না আসে, যারা জুলাইয়ের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন দিল্লির সঙ্গে মিলে আওয়ামী লীগ তাদের কচুকাটা করবে। জুলাই ঘোষণাপত্র সাংবিধানিক স্বীকৃতি পেলেই আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ হবে।
দেষ্টাকে বলেছি, গণঅভ্যুত্থানের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব শেষ করেই অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।এনসিপির পাঁচ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে জুলাই ঘোষণাপত্র একটি দাবি ছিল এবং সেটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল; সেটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয় সে দাবি জানিয়েছি। আমাদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস স্যারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।নাহিদ বলেন, দ্বিতীয়ত—জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হচ্ছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। তৃতীয়ত—শেখ হাসিনার আমলে হওয়া জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে বলেছি। কারণ সে সময়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন করেছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। দিনের ভোট রাতে করেছে, ডামি প্রার্থীর ভোট হয়েছে। ফলে সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলোকে সেই সময়ের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাখান করেছে। আবার সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে আদালতে নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতে পূর্বের নির্বাচনগুলোকে আইনগতভাবে যাতে অবৈধ ঘোষণা করা হয় সেই দাবি জানিয়েছি।চতুর্থ নম্বরে নাহিদ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমান যে ইলেকশন কমিশন সেটার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করার দাবি জানান তারা।সর্বশেষ জুলাই গণহত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে এনসিপি।প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত
দেষ্টাকে বলেছি, গণঅভ্যুত্থানের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব শেষ করেই অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।এনসিপির পাঁচ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে জুলাই ঘোষণাপত্র একটি দাবি ছিল এবং সেটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল; সেটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয় সে দাবি জানিয়েছি। আমাদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস স্যারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।নাহিদ বলেন, দ্বিতীয়ত—জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হচ্ছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। তৃতীয়ত—শেখ হাসিনার আমলে হওয়া জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে বলেছি। কারণ সে সময়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন করেছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। দিনের ভোট রাতে করেছে, ডামি প্রার্থীর ভোট হয়েছে। ফলে সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলোকে সেই সময়ের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাখান করেছে। আবার সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে আদালতে নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতে পূর্বের নির্বাচনগুলোকে আইনগতভাবে যাতে অবৈধ ঘোষণা করা হয় সেই দাবি জানিয়েছি।চতুর্থ নম্বরে নাহিদ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমান যে ইলেকশন কমিশন সেটার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করার দাবি জানান তারা।সর্বশেষ জুলাই গণহত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে এনসিপি।প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে যে ঐক্য গড়ে উঠেছিল সেখানে ফাটল দেখা দিয়েছে মন্তব্য করে নুর বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ছাত্রদের ওপর বিরক্ত। গণহত্যার বিচার, রাষ্ট্রীয় সংস্কার, নির্বাচন সবই প্রয়োজন। কিন্তু নির্বাচন নিয়ে কথা বললেই কোনো সদুত্তর নেই। প্রধান উপদেষ্টাকে ঘিরে আছে ওয়ান ইলেভেনের দুষ্টু চক্র।নুর বলেন, বাংলাদেশে অনির্বাচিত সরকার থাকলে সংকট কাটবে না। সংকট কাটাতে নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ প্রয়োজন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ আলোচনা না করেই করিডরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় কীভাবে! বিভিন্ন প্রসঙ্গে এর আগে জাতীয় সংলাপ হয়েছে, কিন্তু এখন কেন ডাকা হচ্ছে
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবু হানিফের সভাপতিত্বে পৌরসভার দৌলতপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই স্মরণসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহাবুব আলমগীর আলো, সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ আজাদ, আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী রাবেয়া বসরী প্রমুখ।
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবু হানিফের সভাপতিত্বে পৌরসভার দৌলতপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই স্মরণসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহাবুব আলমগীর আলো, সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ আজাদ, আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী রাবেয়া বসরী প্রমুখ।