কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন সম্প্রসারণ: বাগমারা এলাকার মানুষ কি সত্যিই অন্তর্ভুক্তির বিপক্ষে?এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ ২০১১ সালে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন গঠনের মাধ্যমে কুমিল্লা পৌরসভার ১৮টি ওয়ার্ড ও সদর দক্ষিণ পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ড একীভূত করে মোট ২৭টি ওয়ার্ড নিয়ে প্রায় ৫৩ বর্গকিলোমিটার এলাকায় যাত্রা শুরু হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দ্রুত নগরায়ন, জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং নাগরিক সেবার চাহিদা বৃদ্ধির কারণে সিটি কর্পোরেশন সম্প্রসারণের বিষয়টি গুরুত্ব পেতে থাকে।এর ধারাবাহিকতায় ২০২২ সালে তৎকালীন কুসিক কর্তৃপক্ষ বড় পরিসরে সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেয়। ওই প্রস্তাবে আদর্শ সদর উপজেলার আমড়াতলী ও পাঁচথুবি ইউনিয়ন বাদে বাকি ইউনিয়নসমূহ, সদর দক্ষিণ উপজেলার অধিকাংশ এলাকা, লালমাই উপজেলা-এর দুটি ইউনিয়ন, বাগমারা উত্তর ইউনিয়ন-এর ২১টি গ্রাম এবং বাগমারা দক্ষিণ ইউনিয়ন-এর ৪টি গ্রাম অন্তর্ভুক্ত করে প্রায় ১৯২ বর্গকিলোমিটারের একটি খসড়া পরিকল্পনা তৈরি করা হয়।পরবর্তীতে সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনিরুল হক চৌধুরী কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন সম্প্রসারণকে তাঁর অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার হিসেবে তুলে ধরেন। তাঁর প্রস্তাবনায় আদর্শ সদর উপজেলার আমড়াতলী ও পাঁচথুবি ইউনিয়নের অংশবিশেষ, সদর দক্ষিণ উপজেলার সব ইউনিয়ন, লালমাই উপজেলার দুটি ইউনিয়ন এবং ময়নামতি এলাকার কিছু অংশ অন্তর্ভুক্তির বিষয় উঠে আসে।তবে গত ২৮ এপ্রিল কুসিক মিলনায়তনে স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রতিনিধি দলের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ সভায় লালমাই উপজেলার প্রতিনিধিরা সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে আপত্তি জানান। তাদের আপত্তির প্রেক্ষিতে পরবর্তীতে লালমাই উপজেলাকে সম্প্রসারণ পরিকল্পনা থেকে বাদ দেওয়া হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।কিন্তু সম্প্রসারণ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে বাগমারা উত্তর ও দক্ষিণ ইউনিয়নের সম্ভাব্য অন্তর্ভুক্ত এলাকাগুলোতে। স্থানীয়দের অভিযোগ, যেসব প্রতিনিধি সভায় অংশ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন, তারা সংশ্লিষ্ট ২৫টি গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা নন এবং ওইসব গ্রামের সাধারণ মানুষের সঙ্গে কোনো ধরনের মতবিনিময়ও করেননি।সরেজমিনে কয়েকটি গ্রাম ঘুরে স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষক, চাকরিজীবী, কৃষক, শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ২০২২ সালের সম্প্রসারণ প্রস্তাব ঘোষণার পর সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া তৈরি হয়েছিল। তাদের ধারণা, সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্ভুক্ত হলে দীর্ঘদিনের অবহেলিত এলাকাগুলোতে অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আধুনিক নাগরিক সুবিধা, সড়ক, ড্রেনেজ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বৃদ্ধি পাবে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সচেতন নাগরিক বলেন, “আমরা উন্নয়ন চাই। ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে যে নাগরিক সুবিধা পাওয়া যায়, তা বর্তমান বাস্তবতায় যথেষ্ট নয়। সিটি কর্পোরেশনের আওতায় এলে এলাকার উন্নয়ন দ্রুত হবে।”স্থানীয়দের আরও দাবি, মনিরুল হক চৌধুরী পূর্বে বলেছিলেন— সম্প্রসারণের আগে সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণের মতামত নেওয়া হবে এবং জনগণ চাইলে তবেই সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্ভুক্ত করা হবে। কিন্তু বাগমারা উত্তর ও দক্ষিণ ইউনিয়নের সম্ভাব্য অন্তর্ভুক্ত ২৫টি গ্রামের মানুষের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক কোনো আলোচনা ছাড়াই কিছু প্রতিনিধি সভায় গিয়ে বিরোধিতা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, বাগমারা উত্তর ও দক্ষিণ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ অনেক নেতাকর্মীও এ বিষয়ে অবগত নন। এমনকি প্রতিনিধি দল তাদের সঙ্গেও যোগাযোগ করেনি বলে অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, রাজনৈতিক বিরোধ বা ব্যক্তিগত মতবিরোধের কারণে উন্নয়ন বঞ্চিত গ্রামগুলোকে সিটি কর্পোরেশনের বাইরে রাখা উচিত নয়। তারা দ্রুত জনমত যাচাই করে বাগমারা উত্তর ও দক্ষিণ ইউনিয়নের সংশ্লিষ্ট গ্রামগুলোকে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন-এর অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন।
অনলাইন জরিপ
সারাদেশ
রাজনীতি
শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে দেশের চলমান সংকট মোকাবিলায় জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।ফ্যাসিবাদবিরোধী সব রাজনৈতিক দল নিয়ে জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়ে শরিফ ওসমান হাদি বলেন, বিএনপি অসহযোগিতা করলে তাদের জাতির কাছে জবাবদিহি করতে হবে। জামায়াত অসহযোগিতা করলে জবাবদিহি করতে হবে তাদেরও। এই সরকারের মেয়াদ হবে ১০ মাস থেকে এক বছর। যদি জাতীয় সরকার না করতে পারেন তাহলে জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল গড়ে তোলেন। জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল প্রধান হবেন ড. ইউনূস। সব রাজনৈতিক দল থেকে সেখানে প্রতিনিধি থাকবে সদস্য হিসাবে। তাদের সাংবিধানিক মর্যাদা হবে ক্যাবিনেট মন্ত্রী পরিষদের মতো। তারা মন্ত্রী হবেন না, উপদেষ্টা হবেন না কিন্তু ওয়াচডগ হিসাবে কাজ করবেন।জুলাই ঘোষণাপত্র প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত জুলাই ঘোষণাপত্রের কার্যক্রম না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে কোনো লাভ নেই। যদি জুলাই ঘোষণাপত্র না আসে, যারা জুলাইয়ের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন দিল্লির সঙ্গে মিলে আওয়ামী লীগ তাদের কচুকাটা করবে। জুলাই ঘোষণাপত্র সাংবিধানিক স্বীকৃতি পেলেই আওয়ামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ হবে।
দেষ্টাকে বলেছি, গণঅভ্যুত্থানের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব শেষ করেই অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।এনসিপির পাঁচ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে জুলাই ঘোষণাপত্র একটি দাবি ছিল এবং সেটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল; সেটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয় সে দাবি জানিয়েছি। আমাদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস স্যারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।নাহিদ বলেন, দ্বিতীয়ত—জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হচ্ছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। তৃতীয়ত—শেখ হাসিনার আমলে হওয়া জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে বলেছি। কারণ সে সময়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন করেছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। দিনের ভোট রাতে করেছে, ডামি প্রার্থীর ভোট হয়েছে। ফলে সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলোকে সেই সময়ের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাখান করেছে। আবার সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে আদালতে নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতে পূর্বের নির্বাচনগুলোকে আইনগতভাবে যাতে অবৈধ ঘোষণা করা হয় সেই দাবি জানিয়েছি।চতুর্থ নম্বরে নাহিদ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমান যে ইলেকশন কমিশন সেটার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করার দাবি জানান তারা।সর্বশেষ জুলাই গণহত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে এনসিপি।প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত
দেষ্টাকে বলেছি, গণঅভ্যুত্থানের যে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন সেই দায়িত্ব শেষ করেই অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন।এনসিপির পাঁচ দাবি সম্পর্কে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনে জুলাই ঘোষণাপত্র একটি দাবি ছিল এবং সেটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল; সেটি যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হয় সে দাবি জানিয়েছি। আমাদের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ড. ইউনূস স্যারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।নাহিদ বলেন, দ্বিতীয়ত—জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে হচ্ছে সেটি দ্রুত সময়ের মধ্যে করতে হবে। তৃতীয়ত—শেখ হাসিনার আমলে হওয়া জাতীয় ও স্থানীয় সব নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে বলেছি। কারণ সে সময়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন করেছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। দিনের ভোট রাতে করেছে, ডামি প্রার্থীর ভোট হয়েছে। ফলে সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলোকে সেই সময়ের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাখান করেছে। আবার সেই নির্বাচনগুলো নিয়ে আদালতে নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। সেই বিশৃঙ্খলা এড়াতে পূর্বের নির্বাচনগুলোকে আইনগতভাবে যাতে অবৈধ ঘোষণা করা হয় সেই দাবি জানিয়েছি।চতুর্থ নম্বরে নাহিদ জানান, রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমান যে ইলেকশন কমিশন সেটার ওপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। ইলেকশন কমিশন পুনর্গঠন করে স্থানীয় নির্বাচন দ্রুত আয়োজন করার দাবি জানান তারা।সর্বশেষ জুলাই গণহত্যার বিচার ও জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে এনসিপি।প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে যে ঐক্য গড়ে উঠেছিল সেখানে ফাটল দেখা দিয়েছে মন্তব্য করে নুর বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ছাত্রদের ওপর বিরক্ত। গণহত্যার বিচার, রাষ্ট্রীয় সংস্কার, নির্বাচন সবই প্রয়োজন। কিন্তু নির্বাচন নিয়ে কথা বললেই কোনো সদুত্তর নেই। প্রধান উপদেষ্টাকে ঘিরে আছে ওয়ান ইলেভেনের দুষ্টু চক্র।নুর বলেন, বাংলাদেশে অনির্বাচিত সরকার থাকলে সংকট কাটবে না। সংকট কাটাতে নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ প্রয়োজন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ আলোচনা না করেই করিডরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় কীভাবে! বিভিন্ন প্রসঙ্গে এর আগে জাতীয় সংলাপ হয়েছে, কিন্তু এখন কেন ডাকা হচ্ছে
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবু হানিফের সভাপতিত্বে পৌরসভার দৌলতপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই স্মরণসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহাবুব আলমগীর আলো, সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ আজাদ, আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী রাবেয়া বসরী প্রমুখ।
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবু হানিফের সভাপতিত্বে পৌরসভার দৌলতপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই স্মরণসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহাবুব আলমগীর আলো, সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ আজাদ, আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী রাবেয়া বসরী প্রমুখ।