নবীনগরে সিজারের রোগীর মৃত্যুতে হাসপাতাল ভাঙ্গচুর
সঞ্জয় শীল, নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি:ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর সদরের “আহমেদ প্রাইভেট হাসপাতাল লিমিটেড” নামে একটি বেসরকারি হাসপাতালে প্রসূতির মৃত্যুর ঘটনায় ভুল চিকিৎসার অভিযোগ এনে ভাঙ্গচুর করে। এতে ভয় পেয়ে পালিয়ে যায় হাসপাতালে থাকা মালিক, চিকিৎসক ও কর্মচারীরাসহ রোগীরা। পরে খবর পেয়ে নবীনগর থানা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনলেও সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় সুনশান নিরবতা। হাসপাতালের ভেতরে ভাঙ্গচুরা জিনিসপত্র পড়ে আছে।
জানা যায়, উপজেলার লাউর ফতেহপুর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের লাউর ফতেহপুর গ্রামের শফিকুল ইসলামের স্ত্রী গর্ভবতী রাকিব আক্তার (১৮) কে সিজার করতে নিয়ে আসলে ডা. সৈয়দ কামরুজ্জামানের অধিনে তার সিজার সম্পন্ন হলেও রাকিবা আক্তারের অবস্থার অবনতি দেখে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রাকিবার স্বজনদের না জানিয়ে এ্যাম্বুলেন্স ডেকে দ্রুত অন্যত্র পাঠানোর চেষ্টা কালে স্বজনরা তাকে মৃত বলে শনাক্ত করে। পরে উত্তেজিত স্বজনরা হাসপাতালে ভাঙ্গচুর চালায়।
এ ঘটনায় আহমেদ হাসপাতাল প্রাইভেট লিমিটেডের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাদের কারো কাছ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম জানান, নবীনগর উপজেলা স্ব্যাস্থ কমপ্লেক্স রোডে ও থানা গেইট লাগায়ো হওয়ায় পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব হয়েছে। আমরা এ ঘটনায় দ্রুততার সাথে তদন্তের চেষ্টা করছি।
উপজেলার নেটিজেনদের মাঝে এতে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, টিকটক ও ইউটিউবে উপজেলার একাধিক সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিকের চিকিৎসা সেবার মান ও চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি নিয়ে তুলেছেন প্রশ্ন। এছাড়া হাসপাতাল গুলোতে স্থানিয় প্রশাসনের মনিটরিং-এর অভাবকে দায়ী করছেন কেউ কেউ। অবহেলা আর ডাক্তারদের সনদের বিষয়ে বিশেষ মনোযোগ দেয়ার ও দায়িত্বে অবহেলাকারিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবিও তুলছেন তারা।

সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬
নবীনগরে সিজারের রোগীর মৃত্যুতে হাসপাতাল ভাঙ্গচুর
সঞ্জয় শীল, নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি:ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর সদরের “আহমেদ প্রাইভেট হাসপাতাল লিমিটেড” নামে একটি বেসরকারি হাসপাতালে প্রসূতির মৃত্যুর ঘটনায় ভুল চিকিৎসার অভিযোগ এনে ভাঙ্গচুর করে। এতে ভয় পেয়ে পালিয়ে যায় হাসপাতালে থাকা মালিক, চিকিৎসক ও কর্মচারীরাসহ রোগীরা। পরে খবর পেয়ে নবীনগর থানা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনলেও সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় সুনশান নিরবতা। হাসপাতালের ভেতরে ভাঙ্গচুরা জিনিসপত্র পড়ে আছে।
জানা যায়, উপজেলার লাউর ফতেহপুর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের লাউর ফতেহপুর গ্রামের শফিকুল ইসলামের স্ত্রী গর্ভবতী রাকিব আক্তার (১৮) কে সিজার করতে নিয়ে আসলে ডা. সৈয়দ কামরুজ্জামানের অধিনে তার সিজার সম্পন্ন হলেও রাকিবা আক্তারের অবস্থার অবনতি দেখে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রাকিবার স্বজনদের না জানিয়ে এ্যাম্বুলেন্স ডেকে দ্রুত অন্যত্র পাঠানোর চেষ্টা কালে স্বজনরা তাকে মৃত বলে শনাক্ত করে। পরে উত্তেজিত স্বজনরা হাসপাতালে ভাঙ্গচুর চালায়।
এ ঘটনায় আহমেদ হাসপাতাল প্রাইভেট লিমিটেডের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাদের কারো কাছ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম জানান, নবীনগর উপজেলা স্ব্যাস্থ কমপ্লেক্স রোডে ও থানা গেইট লাগায়ো হওয়ায় পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব হয়েছে। আমরা এ ঘটনায় দ্রুততার সাথে তদন্তের চেষ্টা করছি।
উপজেলার নেটিজেনদের মাঝে এতে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, টিকটক ও ইউটিউবে উপজেলার একাধিক সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিকের চিকিৎসা সেবার মান ও চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি নিয়ে তুলেছেন প্রশ্ন। এছাড়া হাসপাতাল গুলোতে স্থানিয় প্রশাসনের মনিটরিং-এর অভাবকে দায়ী করছেন কেউ কেউ। অবহেলা আর ডাক্তারদের সনদের বিষয়ে বিশেষ মনোযোগ দেয়ার ও দায়িত্বে অবহেলাকারিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবিও তুলছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন