গাইবান্ধায় সময় মেনে বন্ধ হচ্ছে দোকানপাট, সাশ্রয় উদ্যোগে ইতিবাচক সাড়া
মোঃ রিয়ায এলাহী রাজন : গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি:জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকারের গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে গাইবান্ধা জেলায় ইতিবাচক চিত্র লক্ষ্য করা যাচ্ছে। নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী রাত ৭টার মধ্যেই দোকানপাট, শপিং মল ও বিপণিবিতানগুলো বন্ধ রাখার নির্দেশনা কার্যকরভাবে মানা হচ্ছে।সরকারের এই উদ্যোগ মূলত ক্রমবর্ধমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলা এবং বিদ্যুৎ ব্যবহারে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার একটি সময়োপযোগী পদক্ষেপ।
সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের তদারকি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্রিয় উপস্থিতি এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।
গাইবান্ধা শহরের বিভিন্ন বাণিজ্যিক এলাকায় দেখা গেছে, অধিকাংশ ব্যবসায়ী নির্ধারিত সময় মেনে দোকান বন্ধ করছেন। যদিও সময়সীমা হ্রাস পাওয়ায় ব্যবসায়িক লেনদেনে কিছুটা প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে, তবুও বৃহত্তর স্বার্থে ব্যবসায়ী মহল সরকারের এ সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানাচ্ছেন।
সচেতন মহলের মতে, জ্বালানি সাশ্রয়ে এমন উদ্যোগ শুধু সাময়িক সমাধান নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদে দেশের অর্থনীতি ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
তবে এ কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা রক্ষায় নিয়মিত মনিটরিং ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছেন তারা।এদিকে, সন্ধ্যার পর দোকান বন্ধ হওয়ায় কিছু ব্যবসায়ী আর্থিক চাপে পড়লেও পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে বিকল্প পরিকল্পনার দিকে ঝুঁকছেন অনেকে। কেউ কেউ দিনের বেলায় বিক্রয় কার্যক্রম বাড়ানোর চেষ্টা করছেন, আবার কেউ অনলাইন বা অগ্রিম অর্ডারের মাধ্যমে ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নিচ্ছেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ ধরনের উদ্যোগের সফল বাস্তবায়নে প্রশাসনের পাশাপাশি ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণের সম্মিলিত সচেতনতা অপরিহার্য। নিয়ম মেনে চলার সংস্কৃতি গড়ে উঠলে জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্য অর্জন আরও সহজ হবে।
সামগ্রিকভাবে বলা যায়, সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে গাইবান্ধার এ অগ্রগতি জ্বালানি সাশ্রয় কর্মসূচিকে আরও বেগবান করবে—এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্ট সবার।

বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
গাইবান্ধায় সময় মেনে বন্ধ হচ্ছে দোকানপাট, সাশ্রয় উদ্যোগে ইতিবাচক সাড়া
মোঃ রিয়ায এলাহী রাজন : গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি:জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকারের গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে গাইবান্ধা জেলায় ইতিবাচক চিত্র লক্ষ্য করা যাচ্ছে। নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী রাত ৭টার মধ্যেই দোকানপাট, শপিং মল ও বিপণিবিতানগুলো বন্ধ রাখার নির্দেশনা কার্যকরভাবে মানা হচ্ছে।সরকারের এই উদ্যোগ মূলত ক্রমবর্ধমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলা এবং বিদ্যুৎ ব্যবহারে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার একটি সময়োপযোগী পদক্ষেপ।
সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের তদারকি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্রিয় উপস্থিতি এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।
গাইবান্ধা শহরের বিভিন্ন বাণিজ্যিক এলাকায় দেখা গেছে, অধিকাংশ ব্যবসায়ী নির্ধারিত সময় মেনে দোকান বন্ধ করছেন। যদিও সময়সীমা হ্রাস পাওয়ায় ব্যবসায়িক লেনদেনে কিছুটা প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে, তবুও বৃহত্তর স্বার্থে ব্যবসায়ী মহল সরকারের এ সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানাচ্ছেন।
সচেতন মহলের মতে, জ্বালানি সাশ্রয়ে এমন উদ্যোগ শুধু সাময়িক সমাধান নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদে দেশের অর্থনীতি ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
তবে এ কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা রক্ষায় নিয়মিত মনিটরিং ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছেন তারা।এদিকে, সন্ধ্যার পর দোকান বন্ধ হওয়ায় কিছু ব্যবসায়ী আর্থিক চাপে পড়লেও পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে বিকল্প পরিকল্পনার দিকে ঝুঁকছেন অনেকে। কেউ কেউ দিনের বেলায় বিক্রয় কার্যক্রম বাড়ানোর চেষ্টা করছেন, আবার কেউ অনলাইন বা অগ্রিম অর্ডারের মাধ্যমে ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নিচ্ছেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ ধরনের উদ্যোগের সফল বাস্তবায়নে প্রশাসনের পাশাপাশি ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণের সম্মিলিত সচেতনতা অপরিহার্য। নিয়ম মেনে চলার সংস্কৃতি গড়ে উঠলে জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্য অর্জন আরও সহজ হবে।
সামগ্রিকভাবে বলা যায়, সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে গাইবান্ধার এ অগ্রগতি জ্বালানি সাশ্রয় কর্মসূচিকে আরও বেগবান করবে—এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্ট সবার।

আপনার মতামত লিখুন