ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬

বকশিগঞ্জ উপজেলার ৪ নং সাধুর পাড়ার কামালের বাত্তি বালুর গ্রামে শাকিলের বাড়িতে বিশাল বড় সাপ

বকশিগঞ্জ উপজেলার ৪ নং সাধুর পাড়ার কামালের বাত্তি বালুর গ্রামে শাকিলের বাড়িতে বিশাল বড় সাপ

বকশিগঞ্জ উপজেলার ৪ নং সাধুর পাড়ার কামালের বাত্তি বালুর গ্রামে শাকিলের বাড়িতে বিশাল বড় সাপ

 মোঃ মোখলেছুর রহমান, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি:বকশিগঞ্জ উপজেলার ৪ নং সাধুর পাড়ার কামালের বাত্তি বালুর গ্রামে শাকিলের বাড়িতে বিশাল বড় সাপ ময়মনসিংহ বিভাগের জামালপুর জেলার আমাদের বকশিগঞ্জ উপজেলার ৭ নং ওয়ার্ডের ৪ নং ইউনিয়ন এটি একটি আতঙ্কজনক ঘটনা: আজ রাত ৮:৩০ মিনিটে সাধুর পাড়া, কামালের বাত্তি এবং বালুর গ্রামে মোঃ শাকিল মিয়া, শাহিনুর রহমান এবং জহুরুল হকের বাড়ির সামনে একটি বিশাল গুমা সাপ টিউবওয়েলের ফ্লোরে শুয়ে ছিল। একটি ভদ্র মেয়ের চোখের সামনে সাপটি পড়লে সঙ্গে সঙ্গে সে আশেপাশের লোকজনকে ডাকতে শুরু করে এবং তার স্বামীকেও ডেকে আনে। তখন সবাই দেখেন, সাপটির উচ্চতা ৫ ফিট, ৩ ইঞ্চি, যা ওই ভদ্র মেয়ের প্রাণের জন্য একেবারে বিপদজনক ছিল।

সাবধানতার আহ্বান: এই ঘটনা থেকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। তাই, যে কোনো জায়গায় যাওয়ার সময় সাবধানে চলাচল করার জন্য অনুরোধ রইল।

নাম: খৈয়া গোখরা,ইংরেজি নাম: Spectacled cobra,বৈজ্ঞানিক নাম: Naja naja

আঞ্চলিক নাম: গোমা, দুধিয়া গোমা, দুধ গহমা, আলদ, খরিস গোখরা, খৈয়া গোখরা, জাত সাপ, জাতি সাপ, খৈয়া জাইত, ঝৌড়া সাপ, গুক্কু সাপ, খয়া গুক্কু।

চিহ্নিতকরণ: এদের ফণার পেছনে ইউ বা ভি আকৃতির একটি হুডমার্ক থাকে, যা সহজেই চেনা যায়। এটির নাম ডাটি ছাড়া চশমা।

বিষের প্রকার: সাপটির বিষে Synaptic Neurotoxin ও Cardiotoxin (সিনাপটিক নিউরোটক্সিন ও কার্ডিওটোক্সিন) রয়েছে। এই বিষে hyaluronidase এনজাইম থাকার কারণে দ্রুত ছড়ায় এবং স্নায়ুর সিনাপটিক ফাঁকে কাজ করে, ফলে পক্ষাঘাত এবং শ্বাসকষ্টের সৃষ্টি করে। তবে, অধিকাংশ সময় এরা ড্রাই বাইট করে।

খাদ্য তালিকা: প্রধান খাদ্য হিসেবে পাখি, ইদুর এবং ডিম খায়।আবাসস্থল: এরা সাধারণত খুপরি ও শুকনো জায়গায় বাস করে। গাছের কোটরে এবং বিভিন্ন ফাকফোকড়ে এদের দেখা যায়।

অঞ্চল: খৈয়া গোখরা সারা দেশে দেখা যায়, বিশেষ করে উত্তর বঙ্গে এদের বিচরণ বেশি। ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও নেপালেও এদের পাওয়া যায়।

প্রজনন: এপ্রিল/মে মাসে এরা যৌন মিলনে লিপ্ত হয় এবং জুন/জুলাই মাসে ডিম পাড়ে। এরা একসঙ্গে ৪০-৪৫টি পর্যন্ত ডিম দিতে পারে। ডিমের চামড়া অনেক পাতলা ও নরম এবং একসঙ্গে অনেকগুলো ডিম জট লাগানো অবস্থায় থাকে। ডিমের তা দেয় প্রায় ৫৫-৬৫ দিন পর্যন্ত, এবং বাচ্চা ফুটতে প্রায় দুই মাস সময় লাগে।

চিকিৎসা: খৈয়া গোখরা সাপের কামড়ে ১৫ থেকে ১২০ বা ১৮০ মিনিটের মধ্যে উপসর্গ দেখা দেয়। তাই, এই সময়ের মধ্যে যত দ্রুত সম্ভব নিকটস্থ হাসপাতালে গিয়ে এন্টিভেনম নিতে হবে।

নোট: অযথা সাপ মারা থেকে বিরত থাকুন। প্রয়োজনে ৯৯৯ এ ফোন দিন অথবা বনবিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করুন

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬


বকশিগঞ্জ উপজেলার ৪ নং সাধুর পাড়ার কামালের বাত্তি বালুর গ্রামে শাকিলের বাড়িতে বিশাল বড় সাপ

প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

বকশিগঞ্জ উপজেলার ৪ নং সাধুর পাড়ার কামালের বাত্তি বালুর গ্রামে শাকিলের বাড়িতে বিশাল বড় সাপ

 মোঃ মোখলেছুর রহমান, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি:বকশিগঞ্জ উপজেলার ৪ নং সাধুর পাড়ার কামালের বাত্তি বালুর গ্রামে শাকিলের বাড়িতে বিশাল বড় সাপ ময়মনসিংহ বিভাগের জামালপুর জেলার আমাদের বকশিগঞ্জ উপজেলার ৭ নং ওয়ার্ডের ৪ নং ইউনিয়ন এটি একটি আতঙ্কজনক ঘটনা: আজ রাত ৮:৩০ মিনিটে সাধুর পাড়া, কামালের বাত্তি এবং বালুর গ্রামে মোঃ শাকিল মিয়া, শাহিনুর রহমান এবং জহুরুল হকের বাড়ির সামনে একটি বিশাল গুমা সাপ টিউবওয়েলের ফ্লোরে শুয়ে ছিল। একটি ভদ্র মেয়ের চোখের সামনে সাপটি পড়লে সঙ্গে সঙ্গে সে আশেপাশের লোকজনকে ডাকতে শুরু করে এবং তার স্বামীকেও ডেকে আনে। তখন সবাই দেখেন, সাপটির উচ্চতা ৫ ফিট, ৩ ইঞ্চি, যা ওই ভদ্র মেয়ের প্রাণের জন্য একেবারে বিপদজনক ছিল।

সাবধানতার আহ্বান: এই ঘটনা থেকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। তাই, যে কোনো জায়গায় যাওয়ার সময় সাবধানে চলাচল করার জন্য অনুরোধ রইল।

নাম: খৈয়া গোখরা,ইংরেজি নাম: Spectacled cobra,বৈজ্ঞানিক নাম: Naja naja

আঞ্চলিক নাম: গোমা, দুধিয়া গোমা, দুধ গহমা, আলদ, খরিস গোখরা, খৈয়া গোখরা, জাত সাপ, জাতি সাপ, খৈয়া জাইত, ঝৌড়া সাপ, গুক্কু সাপ, খয়া গুক্কু।

চিহ্নিতকরণ: এদের ফণার পেছনে ইউ বা ভি আকৃতির একটি হুডমার্ক থাকে, যা সহজেই চেনা যায়। এটির নাম ডাটি ছাড়া চশমা।

বিষের প্রকার: সাপটির বিষে Synaptic Neurotoxin ও Cardiotoxin (সিনাপটিক নিউরোটক্সিন ও কার্ডিওটোক্সিন) রয়েছে। এই বিষে hyaluronidase এনজাইম থাকার কারণে দ্রুত ছড়ায় এবং স্নায়ুর সিনাপটিক ফাঁকে কাজ করে, ফলে পক্ষাঘাত এবং শ্বাসকষ্টের সৃষ্টি করে। তবে, অধিকাংশ সময় এরা ড্রাই বাইট করে।

খাদ্য তালিকা: প্রধান খাদ্য হিসেবে পাখি, ইদুর এবং ডিম খায়।আবাসস্থল: এরা সাধারণত খুপরি ও শুকনো জায়গায় বাস করে। গাছের কোটরে এবং বিভিন্ন ফাকফোকড়ে এদের দেখা যায়।

অঞ্চল: খৈয়া গোখরা সারা দেশে দেখা যায়, বিশেষ করে উত্তর বঙ্গে এদের বিচরণ বেশি। ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও নেপালেও এদের পাওয়া যায়।

প্রজনন: এপ্রিল/মে মাসে এরা যৌন মিলনে লিপ্ত হয় এবং জুন/জুলাই মাসে ডিম পাড়ে। এরা একসঙ্গে ৪০-৪৫টি পর্যন্ত ডিম দিতে পারে। ডিমের চামড়া অনেক পাতলা ও নরম এবং একসঙ্গে অনেকগুলো ডিম জট লাগানো অবস্থায় থাকে। ডিমের তা দেয় প্রায় ৫৫-৬৫ দিন পর্যন্ত, এবং বাচ্চা ফুটতে প্রায় দুই মাস সময় লাগে।

চিকিৎসা: খৈয়া গোখরা সাপের কামড়ে ১৫ থেকে ১২০ বা ১৮০ মিনিটের মধ্যে উপসর্গ দেখা দেয়। তাই, এই সময়ের মধ্যে যত দ্রুত সম্ভব নিকটস্থ হাসপাতালে গিয়ে এন্টিভেনম নিতে হবে।

নোট: অযথা সাপ মারা থেকে বিরত থাকুন। প্রয়োজনে ৯৯৯ এ ফোন দিন অথবা বনবিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করুন


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ