প্রভাবশালীর হামলায় আশ্রয়ণ প্রকল্পে গর্ভবতী নারীসহ একই পরিবারের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ।
মোঃ দুলাল সরকার,গজারিয়া (মুন্সিগঞ্জ) প্রতিনিধি: মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার টেংগারচর ইউনিয়নের টেংগারচর সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পে এক গর্ভবতী নারীসহ একই পরিবারের ওপর হামলা ও নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী আব্দুল কাদির ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী রোকসানা (৪০), স্বামী মিজানুর রহমান (৪৫), জানান, তার ছেলে রোহান (২৪) প্রেম করে সোমাইয়া আক্তার (১৯) নামে এক মেয়েকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর মেয়ের পরিবারের লোকজন প্রথমে স্বাভাবিক আচরণ করলেও হঠাৎ করে। বৃহস্পতিবার(০৯ এপ্রিল)সন্ধ্যায় মেয়ের খালা ও খালুসহ কয়েকজন তাদের বাড়িতে এসে হামলা চালায়।
তিনি অভিযোগ করেন, সেদিন রাতে কাদির ও ইয়াসিন আমাদের মারধর করে। আমার গর্ভবতী মেয়ে রুহিনা (১৯)-কে রাস্তায় ফেলে পেটে লাথি মারলে তার রক্তক্ষরণ শুরু হয়। পরে স্থানীয়রা এসে তাকে উদ্ধার করে।
আহত রুহিনা জানান, কাদির আগে থেকেই আমাকে খারাপ প্রস্তাব দিত। আমি রাজি না হওয়ায় আমাকে কয়েকদিন ধরে মারধর করেছে। এখন আমার ও আমার পরিবারের প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শী মানসুরা জানায়,আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি কাদির ও ইয়াসিন রাস্তায় ওই পরিবারের সদস্যদের মারধর করছে। মেয়েটির অবস্থা খুব খারাপ ছিল। তারা গরিব বলেই এমন অত্যাচার করা হয়েছে।
আরেক স্থানীয় বাসিন্দা শরীফ বলেন, এই পরিবারটি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৫ নম্বর ঘরে থাকে। কাদির এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ তার বিরুদ্ধে কথা বলতে সাহস পায় না। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
অভিযুক্ত আব্দুল কাদির (৫০) ও ইয়াসিন (৪৫)-এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে কাদির জানায়,আমি মেয়ে কে মারধর করিনি,ছেলের মা রোকসানা আমাকে চুট্টা বলে গালি দেওয়ায় আমি তাকে গলায় ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেই।তবে ইয়াসিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।বাড়িতে গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী পরিবার প্রশাসনের কাছে নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু বিচারের দাবি।

শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ এপ্রিল ২০২৬
প্রভাবশালীর হামলায় আশ্রয়ণ প্রকল্পে গর্ভবতী নারীসহ একই পরিবারের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ।
মোঃ দুলাল সরকার,গজারিয়া (মুন্সিগঞ্জ) প্রতিনিধি: মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার টেংগারচর ইউনিয়নের টেংগারচর সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পে এক গর্ভবতী নারীসহ একই পরিবারের ওপর হামলা ও নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী আব্দুল কাদির ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী রোকসানা (৪০), স্বামী মিজানুর রহমান (৪৫), জানান, তার ছেলে রোহান (২৪) প্রেম করে সোমাইয়া আক্তার (১৯) নামে এক মেয়েকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর মেয়ের পরিবারের লোকজন প্রথমে স্বাভাবিক আচরণ করলেও হঠাৎ করে। বৃহস্পতিবার(০৯ এপ্রিল)সন্ধ্যায় মেয়ের খালা ও খালুসহ কয়েকজন তাদের বাড়িতে এসে হামলা চালায়।
তিনি অভিযোগ করেন, সেদিন রাতে কাদির ও ইয়াসিন আমাদের মারধর করে। আমার গর্ভবতী মেয়ে রুহিনা (১৯)-কে রাস্তায় ফেলে পেটে লাথি মারলে তার রক্তক্ষরণ শুরু হয়। পরে স্থানীয়রা এসে তাকে উদ্ধার করে।
আহত রুহিনা জানান, কাদির আগে থেকেই আমাকে খারাপ প্রস্তাব দিত। আমি রাজি না হওয়ায় আমাকে কয়েকদিন ধরে মারধর করেছে। এখন আমার ও আমার পরিবারের প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শী মানসুরা জানায়,আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি কাদির ও ইয়াসিন রাস্তায় ওই পরিবারের সদস্যদের মারধর করছে। মেয়েটির অবস্থা খুব খারাপ ছিল। তারা গরিব বলেই এমন অত্যাচার করা হয়েছে।
আরেক স্থানীয় বাসিন্দা শরীফ বলেন, এই পরিবারটি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৫ নম্বর ঘরে থাকে। কাদির এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ তার বিরুদ্ধে কথা বলতে সাহস পায় না। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
অভিযুক্ত আব্দুল কাদির (৫০) ও ইয়াসিন (৪৫)-এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে কাদির জানায়,আমি মেয়ে কে মারধর করিনি,ছেলের মা রোকসানা আমাকে চুট্টা বলে গালি দেওয়ায় আমি তাকে গলায় ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেই।তবে ইয়াসিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।বাড়িতে গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী পরিবার প্রশাসনের কাছে নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু বিচারের দাবি।

আপনার মতামত লিখুন