কুমিল্লায় অভিনব কায়দায় ইয়াবা পাচারকালে হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক-১
এ.কে পলাশ কুমিল্লা প্রতিনিধি।কুমিল্লা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের আলেখারচর চক্ষু হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় অভিনব কায়দায় পেটের ভেতর ইয়াবা পাচারকালে ময়নামতি হাইওয়ে পুলিশের হাতে একজন আটক হয়েছেন।
শনিবার (১১ এপ্রিল) ভোর আনুমানিক ৪টা ১০ মিনিটের দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের আলেখারচর চক্ষু হাসপাতাল সংলগ্ন ঢাকামুখী লেনে অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়।আটককৃত আসামি আব্দুল হাকিম (৪০) কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানার ২৪ নম্বর ক্যাম্পের (রুম-৩৫৫) মৃত আলী আকবরের ছেলে।
হাইওয়ে পুলিশ সুত্রে জানা যায়, শনিবার দিবাগত ভোর রাতে ময়নামতি হাইওয়ে থানার রাত্রিকালীন টহল দল ডিউটি করার সময় আলেখারচর এলাকায় এক ব্যক্তিকে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখে।
জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে আব্দুল হাকিম স্বীকার করেন, তাঁর দেহের অভ্যন্তরে ইয়াবা লুকানো আছে। পরে তাকে নিকটস্থ একটি টয়লেটে নিয়ে যাওয়া হলে তিনি নিজ হাতে পলিথিন ও কসটেপ দিয়ে মোড়ানো ২৪টি প্যাকেট বের করে দেন। প্রতিটি প্যাকেটে ৫০টি করে মোট ১২০০ পিছ ইয়াবা পাওয়া যায়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আব্দুল হাকিম জানান, তিনি টেকনাফ থেকে ইয়াবা ক্রয় করে মলদ্বার দিয়ে পেটে ঢুকিয়ে নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন। বিভিন্ন বাসে করে এসে আলেখারচরে নেমে ঢাকার অন্য বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬
কুমিল্লায় অভিনব কায়দায় ইয়াবা পাচারকালে হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক-১
এ.কে পলাশ কুমিল্লা প্রতিনিধি।কুমিল্লা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের আলেখারচর চক্ষু হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় অভিনব কায়দায় পেটের ভেতর ইয়াবা পাচারকালে ময়নামতি হাইওয়ে পুলিশের হাতে একজন আটক হয়েছেন।
শনিবার (১১ এপ্রিল) ভোর আনুমানিক ৪টা ১০ মিনিটের দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের আলেখারচর চক্ষু হাসপাতাল সংলগ্ন ঢাকামুখী লেনে অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়।আটককৃত আসামি আব্দুল হাকিম (৪০) কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানার ২৪ নম্বর ক্যাম্পের (রুম-৩৫৫) মৃত আলী আকবরের ছেলে।
হাইওয়ে পুলিশ সুত্রে জানা যায়, শনিবার দিবাগত ভোর রাতে ময়নামতি হাইওয়ে থানার রাত্রিকালীন টহল দল ডিউটি করার সময় আলেখারচর এলাকায় এক ব্যক্তিকে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখে।
জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে আব্দুল হাকিম স্বীকার করেন, তাঁর দেহের অভ্যন্তরে ইয়াবা লুকানো আছে। পরে তাকে নিকটস্থ একটি টয়লেটে নিয়ে যাওয়া হলে তিনি নিজ হাতে পলিথিন ও কসটেপ দিয়ে মোড়ানো ২৪টি প্যাকেট বের করে দেন। প্রতিটি প্যাকেটে ৫০টি করে মোট ১২০০ পিছ ইয়াবা পাওয়া যায়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আব্দুল হাকিম জানান, তিনি টেকনাফ থেকে ইয়াবা ক্রয় করে মলদ্বার দিয়ে পেটে ঢুকিয়ে নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন। বিভিন্ন বাসে করে এসে আলেখারচরে নেমে ঢাকার অন্য বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন