ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়নে মন্ডল বাড়ির ভেতরে কোনো কবরস্থানের জমি নেই বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেছেন রফিকুল ইসলাম।

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়নে মন্ডল বাড়ির ভেতরে কোনো কবরস্থানের জমি নেই বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেছেন রফিকুল ইসলাম।

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়নে মন্ডল বাড়ির ভেতরে কোনো কবরস্থানের জমি নেই বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেছেন রফিকুল ইসলাম।

কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধি: শনিবার সকাল ১১টার দিকে নিজ বাড়িতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান। জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে সাম্প্রতিক আলোচনার প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, ৮৮৬৮ দাগে মোট ১৯ শতাংশ জমি থাকলেও সরেজমিনে মাপজোখে পাওয়া গেছে ১৮.৪৮ শতাংশ। এর মধ্যে কবরস্থানের জন্য ৩.৫২ শতাংশ জমি নির্ধারিত রয়েছে এবং বাকি অংশে মন্ডল বাড়ির সদস্যরা নিজ নিজ অবস্থানে বসবাস করছেন।

রফিকুল ইসলাম আরও জানান, কবলা অনুযায়ী কবরস্থানের জন্য ৪ শতাংশ জমি থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে তা সরেজমিনে চিহ্নিত করা যাচ্ছে না। তার ধারণা, দুই পাশের বড় রাস্তার ভেতরে ওই জমির অংশ পড়ে থাকতে পারে।

তিনি দাবি করেন, মন্ডল বাড়ির ওপর দোষারোপ করার কোনো সুযোগ নেই। আমরা কবলা অনুযায়ী যে জমি পেয়েছি, সেই অংশেই বসবাস করছি। সরকারি সার্ভেয়ার ও আমিনদের মাপজোখেও বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে।

এ সময় তিনি আরও জানান, মন্ডল বাড়ির পূর্ব পাশে মসজিদের লাগোয়া একটি পারিবারিক কবরস্থান রয়েছে, যেখানে ভবিষ্যতে পরিবারের সদস্যদের দাফন করা হবে। এছাড়া পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী আরও বড় কবরস্থানের জন্য পাশেই জমি দান করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তাই প্রতিপক্ষের দাবি ভিত্তিহীন বলে মন্তব্য করেন।

এ বিষয়ে ইউপি সদস্য আহাদ আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আধা শতক জমি মন্ডল বাড়ির ভেতরে থাকতে পারে। তবে পূর্বে গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে বাড়ির ভেতরে ২ শতক জমি থাকার কথা উল্লেখ করা হলেও এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি তিনি।

পরবর্তীতে তিনি বলেন, আমি নিশ্চিত নই, ৫২ পয়েন্ট জমি বাড়ির ভেতরে থাকতে পারে। এরপর তিনি আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬


নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়নে মন্ডল বাড়ির ভেতরে কোনো কবরস্থানের জমি নেই বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেছেন রফিকুল ইসলাম।

প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়নে মন্ডল বাড়ির ভেতরে কোনো কবরস্থানের জমি নেই বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেছেন রফিকুল ইসলাম।

কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধি: শনিবার সকাল ১১টার দিকে নিজ বাড়িতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান। জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে সাম্প্রতিক আলোচনার প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, ৮৮৬৮ দাগে মোট ১৯ শতাংশ জমি থাকলেও সরেজমিনে মাপজোখে পাওয়া গেছে ১৮.৪৮ শতাংশ। এর মধ্যে কবরস্থানের জন্য ৩.৫২ শতাংশ জমি নির্ধারিত রয়েছে এবং বাকি অংশে মন্ডল বাড়ির সদস্যরা নিজ নিজ অবস্থানে বসবাস করছেন।

রফিকুল ইসলাম আরও জানান, কবলা অনুযায়ী কবরস্থানের জন্য ৪ শতাংশ জমি থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে তা সরেজমিনে চিহ্নিত করা যাচ্ছে না। তার ধারণা, দুই পাশের বড় রাস্তার ভেতরে ওই জমির অংশ পড়ে থাকতে পারে।

তিনি দাবি করেন, মন্ডল বাড়ির ওপর দোষারোপ করার কোনো সুযোগ নেই। আমরা কবলা অনুযায়ী যে জমি পেয়েছি, সেই অংশেই বসবাস করছি। সরকারি সার্ভেয়ার ও আমিনদের মাপজোখেও বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে।

এ সময় তিনি আরও জানান, মন্ডল বাড়ির পূর্ব পাশে মসজিদের লাগোয়া একটি পারিবারিক কবরস্থান রয়েছে, যেখানে ভবিষ্যতে পরিবারের সদস্যদের দাফন করা হবে। এছাড়া পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী আরও বড় কবরস্থানের জন্য পাশেই জমি দান করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তাই প্রতিপক্ষের দাবি ভিত্তিহীন বলে মন্তব্য করেন।

এ বিষয়ে ইউপি সদস্য আহাদ আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আধা শতক জমি মন্ডল বাড়ির ভেতরে থাকতে পারে। তবে পূর্বে গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে বাড়ির ভেতরে ২ শতক জমি থাকার কথা উল্লেখ করা হলেও এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি তিনি।

পরবর্তীতে তিনি বলেন, আমি নিশ্চিত নই, ৫২ পয়েন্ট জমি বাড়ির ভেতরে থাকতে পারে। এরপর তিনি আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।



ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ