ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার, পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় ২৪৭তম বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে দাফন
পচাগলিত অবস্থায় মিলল মরদেহ, ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেওয়াও সম্ভব হয়নি—মানবিক উদ্যোগে দাফন সম্পন্ন।
জাহাঙ্গীর আলম, জেলা প্রতিনিধি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া:-ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অজ্ঞাত এক যুবকের পচাগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব না হওয়ায় বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে। মানবিক এই কার্যক্রমটি পরিচালনা করেছে Brahmanbaria Batighar - ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বিজয়নগর উপজেলার চান্দুরা ইউনিয়নের শ্যামলীঘাট সংলগ্ন একটি ডোবায় আনুমানিক ২৫ বছর বয়সী এক যুবকের মরদেহ ভেসে ওঠে। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে বিজয়নগর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
পুলিশ জানায়, মরদেহটির মুখমণ্ডল, শরীর এবং হাত-পা মারাত্মকভাবে পচে যাওয়ায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ করতে পারেনি। ফলে মরদেহটির পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, মৃত যু বকটি প্রায় তিন বছর ধরে চান্দুরা এলাকায় ভাসমানভাবে বসবাস করতেন। তিনি বাকপ্রতিবন্ধী ও শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন এবং মানুষের সহায়তায় জীবিকা নির্বাহ করতেন। মানসিক ও সামাজিক অসহায়ত্বের কারণে তাকে প্রায়ই রাস্তায় অসহায় অবস্থায় ঘুরে বেড়াতে দেখা যেত।
দীর্ঘ সময় পানিতে থাকার কারণে মরদেহটি অতিরিক্ত পচে ও ফুলে যাওয়ায় হাসপাতালের মর্গের ফ্রিজে সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়নি। এতে মর্গ এলাকায় তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এ অবস্থায় আত্মীয়-স্বজনের কোনো খোঁজ না মেলায় মানবিক দায়বদ্ধতা থেকে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে Brahmanbaria Batighar - ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর এর উদ্যোগে মরদেহটি বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হয়।
বিজয়নগর থানার জিডি নং-৫২৯, তারিখ ১২ মার্চ ২০২৬ অনুযায়ী এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. আজহার উদ্দিন জানান, “এখন পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের উদ্যোগে মোট ২৪৭টি বেওয়ারিশ লাশ দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।”
তিনি মানবিক এই কার্যক্রমে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার, পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় ২৪৭তম বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে দাফন
পচাগলিত অবস্থায় মিলল মরদেহ, ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেওয়াও সম্ভব হয়নি—মানবিক উদ্যোগে দাফন সম্পন্ন।
জাহাঙ্গীর আলম, জেলা প্রতিনিধি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া:-ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অজ্ঞাত এক যুবকের পচাগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব না হওয়ায় বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে। মানবিক এই কার্যক্রমটি পরিচালনা করেছে Brahmanbaria Batighar - ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বিজয়নগর উপজেলার চান্দুরা ইউনিয়নের শ্যামলীঘাট সংলগ্ন একটি ডোবায় আনুমানিক ২৫ বছর বয়সী এক যুবকের মরদেহ ভেসে ওঠে। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে বিজয়নগর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
পুলিশ জানায়, মরদেহটির মুখমণ্ডল, শরীর এবং হাত-পা মারাত্মকভাবে পচে যাওয়ায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ করতে পারেনি। ফলে মরদেহটির পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, মৃত যু বকটি প্রায় তিন বছর ধরে চান্দুরা এলাকায় ভাসমানভাবে বসবাস করতেন। তিনি বাকপ্রতিবন্ধী ও শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন এবং মানুষের সহায়তায় জীবিকা নির্বাহ করতেন। মানসিক ও সামাজিক অসহায়ত্বের কারণে তাকে প্রায়ই রাস্তায় অসহায় অবস্থায় ঘুরে বেড়াতে দেখা যেত।
দীর্ঘ সময় পানিতে থাকার কারণে মরদেহটি অতিরিক্ত পচে ও ফুলে যাওয়ায় হাসপাতালের মর্গের ফ্রিজে সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়নি। এতে মর্গ এলাকায় তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এ অবস্থায় আত্মীয়-স্বজনের কোনো খোঁজ না মেলায় মানবিক দায়বদ্ধতা থেকে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে Brahmanbaria Batighar - ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর এর উদ্যোগে মরদেহটি বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হয়।
বিজয়নগর থানার জিডি নং-৫২৯, তারিখ ১২ মার্চ ২০২৬ অনুযায়ী এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. আজহার উদ্দিন জানান, “এখন পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের উদ্যোগে মোট ২৪৭টি বেওয়ারিশ লাশ দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।”
তিনি মানবিক এই কার্যক্রমে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

আপনার মতামত লিখুন