ওসমানীনগরে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে নানা অনিয়মের অভিযোগ, গ্রাহক ভোগান্তি চরমে
ওসমানীনগর (সিলেট) প্রতিনিধি: সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সিলেট-১ এর জোনাল অফিসের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও গ্রাহক হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। নতুন মিটার ও তার (ওয়ার) সংকটের অজুহাত দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গ্রাহকদের সংযোগ না দেওয়ার অভিযোগ করছেন ভুক্তভোগীরা।
অভিযোগে জানা যায়, আবেদন করার পর মাসের পর মাস পার হলেও অনেক গ্রাহক নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ পাচ্ছেন না। এতে করে নতুন নির্মাণাধীন বাসাবাড়ির মালিক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ গ্রাহকেরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
এদিকে পুরোনো মিটারে অতিরিক্ত বা ‘ভূতুড়ে বিল’ আসার অভিযোগ দিলেও তা পরিবর্তন করা হচ্ছে না বলে জানান গ্রাহকেরা। অভিযোগ রয়েছে, অফিসের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বাড়তি উৎকোচ দিলে অনেক কাজ দ্রুত সম্পন্ন হলেও সাধারণ গ্রাহকদের ক্ষেত্রে তা হচ্ছে না।
স্থানীয় পাচপাড়া গ্রামের শাহ আনহার মিয়া ও বোয়ালজোড় এলাকার সৈয়দ হুমায়ুন কবিরসহ একাধিক গ্রাহক বলেন, সব ধরনের কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরও শুধু মিটার না থাকার অজুহাতে আমাদের ঘুরতে হচ্ছে। বারবার অফিসে গেলেও নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা জানানো হয় না।”
মিটার সংকটের কারণে অনেক ক্ষেত্রে পুরোনো বা ত্রুটিপূর্ণ মিটার পরিবর্তনও সম্ভব হচ্ছে না। ফলে বিদ্যুৎ বিল সংক্রান্ত জটিলতা ও অতিরিক্ত বিলের অভিযোগ বাড়ছে বলে জানান ভুক্তভোগীরা।
এ বিষয়ে ওসমানীনগর পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) নাইমুল হাসানের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
তবে অফিস সূত্রে জানা গেছে, কেন্দ্রীয়ভাবে মিটার সরবরাহ কম থাকায় এ সংকট তৈরি হয়েছে। নতুন মিটার সরবরাহ পাওয়া গেলে দ্রুত গ্রাহকদের সমস্যার সমাধান করা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
এদিকে ভুক্তভোগী গ্রাহকরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যাতে করে মিটার সংকট নিরসন করে গ্রাহকদের ভোগান্তি লাঘব করা যায়।

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬
ওসমানীনগরে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে নানা অনিয়মের অভিযোগ, গ্রাহক ভোগান্তি চরমে
ওসমানীনগর (সিলেট) প্রতিনিধি: সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সিলেট-১ এর জোনাল অফিসের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও গ্রাহক হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। নতুন মিটার ও তার (ওয়ার) সংকটের অজুহাত দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গ্রাহকদের সংযোগ না দেওয়ার অভিযোগ করছেন ভুক্তভোগীরা।
অভিযোগে জানা যায়, আবেদন করার পর মাসের পর মাস পার হলেও অনেক গ্রাহক নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ পাচ্ছেন না। এতে করে নতুন নির্মাণাধীন বাসাবাড়ির মালিক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ গ্রাহকেরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
এদিকে পুরোনো মিটারে অতিরিক্ত বা ‘ভূতুড়ে বিল’ আসার অভিযোগ দিলেও তা পরিবর্তন করা হচ্ছে না বলে জানান গ্রাহকেরা। অভিযোগ রয়েছে, অফিসের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বাড়তি উৎকোচ দিলে অনেক কাজ দ্রুত সম্পন্ন হলেও সাধারণ গ্রাহকদের ক্ষেত্রে তা হচ্ছে না।
স্থানীয় পাচপাড়া গ্রামের শাহ আনহার মিয়া ও বোয়ালজোড় এলাকার সৈয়দ হুমায়ুন কবিরসহ একাধিক গ্রাহক বলেন, সব ধরনের কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরও শুধু মিটার না থাকার অজুহাতে আমাদের ঘুরতে হচ্ছে। বারবার অফিসে গেলেও নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা জানানো হয় না।”
মিটার সংকটের কারণে অনেক ক্ষেত্রে পুরোনো বা ত্রুটিপূর্ণ মিটার পরিবর্তনও সম্ভব হচ্ছে না। ফলে বিদ্যুৎ বিল সংক্রান্ত জটিলতা ও অতিরিক্ত বিলের অভিযোগ বাড়ছে বলে জানান ভুক্তভোগীরা।
এ বিষয়ে ওসমানীনগর পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) নাইমুল হাসানের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
তবে অফিস সূত্রে জানা গেছে, কেন্দ্রীয়ভাবে মিটার সরবরাহ কম থাকায় এ সংকট তৈরি হয়েছে। নতুন মিটার সরবরাহ পাওয়া গেলে দ্রুত গ্রাহকদের সমস্যার সমাধান করা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
এদিকে ভুক্তভোগী গ্রাহকরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যাতে করে মিটার সংকট নিরসন করে গ্রাহকদের ভোগান্তি লাঘব করা যায়।

আপনার মতামত লিখুন