গ্রীন কিশোরগঞ্জ গড়তে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু সমাজকর্মী আব্দুল মালেক
কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী)প্রতিনিধিঃ নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে পরিবেশ রক্ষায় এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন সমাজকর্মী আব্দুল মালেক।
রোববার ( ১২ এপ্রিল) সকালে উপজেলার বাড়ীমধুপুর মজিদপাড়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে ১০০টি মেহগনি ও বিভিন্ন ফলজ গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে তিনি এই কার্যক্রমের সূচনা করেন।
স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে আব্দুল মালেক জানান, গ্রীন কিশোরগঞ্জ গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ বছর প্রায় ৫০ হাজার গাছ লাগানোর পরিকল্পনা নিয়েছি। আজকের এই কার্যক্রম সেই বৃহৎ উদ্যোগের প্রথম ধাপ।
তিনি আরও বলেন, প্রতিটি মানুষ যদি অন্তত একটি করে গাছ লাগায়, তাহলে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা অনেক সহজ হবে। তার এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
এ বিষয়ে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য আজিজুর রহমান বলেন, গাছ লাগানোই শেষ নয়, এগুলোর সঠিক পরিচর্যা নিশ্চিত করাও জরুরি। ইতোমধ্যে আমরা ঈদগাহ মাঠে নিয়মিত পানি দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি এবং গরু-ছাগল প্রবেশ ঠেকাতে প্রধান গেট নির্মাণের কাজ শুরু করেছি। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য আজিজুর রহমান, মোঃ আবু ইসলাম, আরিফুল ইসলাম, আলমগীর ইসলাম, আল-আমীন, রেজাউলসহ আরও অনেকে।

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬
গ্রীন কিশোরগঞ্জ গড়তে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু সমাজকর্মী আব্দুল মালেক
কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী)প্রতিনিধিঃ নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে পরিবেশ রক্ষায় এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন সমাজকর্মী আব্দুল মালেক।
রোববার ( ১২ এপ্রিল) সকালে উপজেলার বাড়ীমধুপুর মজিদপাড়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে ১০০টি মেহগনি ও বিভিন্ন ফলজ গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে তিনি এই কার্যক্রমের সূচনা করেন।
স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে আব্দুল মালেক জানান, গ্রীন কিশোরগঞ্জ গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ বছর প্রায় ৫০ হাজার গাছ লাগানোর পরিকল্পনা নিয়েছি। আজকের এই কার্যক্রম সেই বৃহৎ উদ্যোগের প্রথম ধাপ।
তিনি আরও বলেন, প্রতিটি মানুষ যদি অন্তত একটি করে গাছ লাগায়, তাহলে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা অনেক সহজ হবে। তার এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
এ বিষয়ে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য আজিজুর রহমান বলেন, গাছ লাগানোই শেষ নয়, এগুলোর সঠিক পরিচর্যা নিশ্চিত করাও জরুরি। ইতোমধ্যে আমরা ঈদগাহ মাঠে নিয়মিত পানি দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি এবং গরু-ছাগল প্রবেশ ঠেকাতে প্রধান গেট নির্মাণের কাজ শুরু করেছি। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য আজিজুর রহমান, মোঃ আবু ইসলাম, আরিফুল ইসলাম, আলমগীর ইসলাম, আল-আমীন, রেজাউলসহ আরও অনেকে।

আপনার মতামত লিখুন