সংঘবদ্ধ হামলা, ইউপি সদস্য আব্দুল হাকিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ
জয়পুরহাট প্রতিনিধি:জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য ও বিএনপি নেতা আব্দুল হাকিমের নেতৃত্বে একটি বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার দুলালী-রত্নহার ভেনলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
রোববার বিকেলে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, বাড়ির উঠানে এলোমেলোভাবে ছড়িয়ে আছে গৃহস্থালি জিনিসপত্র। কাঠের খাট, রান্নার হাঁড়ি-পাতিল, কাপড়চোপড়, টিনের চালার অংশসহ বিভিন্ন সামগ্রী ভাঙচুর করে ফেলে রাখা হয়েছে। এতে বসতবাড়িটির স্বাভাবিক বসবাসের পরিবেশ পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে।
ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, পূর্বের জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সকালে আব্দুল হাকিমের নেতৃত্বে ২০ থেকে ৩০ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের বাড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা বাড়ির ঘরে ঢুকে আসবাবপত্র ভাঙচুর করে এবং বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এ সময় পরিবারের সদস্যরা প্রাণভয়ে বাড়ি ছেড়ে আশপাশে আশ্রয় নেন।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, প্রায় দুই বছর আগে এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরেই এ ঘটনা ঘটেছে বলে তাঁদের ধারণা।
ভুক্তভোগী গৃহকর্তা মোস্তফা বলেন, হাকিম মেম্বারের নেতৃত্বে ২০-৩০ জনের একটি দল হঠাৎ করে বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর শুরু করে। তাঁরা আমাদের কোনো কথা শোনেনি। আমাদের মারধর করে আলমারি ভেঙে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান জিনিস নিয়ে গেছে। প্রায় ২ থেকে ৩ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, বিগত ৫ আগস্টের পর ইউপি সদস্য আব্দুল হাকিম তাঁর কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছিলেন। এঘটনায় সেনাবাহিনীর ক্যাম্পে অভিযোগ দেওয়া হয়েছিল। এরপর থেকে আব্দুল হাকিম আমাদের ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন। এছাড়া হাকিমের সঙ্গে কোন বিরোধ নেই।
অভিযুক্ত ইউপি সদস্য আব্দুল হাকিম বলেন, আমার ভগ্নিপতি আনোয়ার হোসেনের জায়গা জোর করে দখল বাড়ি বানিয়ে দখল করা হয়েছিল। আমরা জায়গাটি দখলমুক্ত করেছি। সেখানে আমার ভগ্নিপতি বাড়ি বানাবেন।
আক্কেলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন রেজা বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এখনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬
সংঘবদ্ধ হামলা, ইউপি সদস্য আব্দুল হাকিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ
জয়পুরহাট প্রতিনিধি:জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য ও বিএনপি নেতা আব্দুল হাকিমের নেতৃত্বে একটি বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার দুলালী-রত্নহার ভেনলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
রোববার বিকেলে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, বাড়ির উঠানে এলোমেলোভাবে ছড়িয়ে আছে গৃহস্থালি জিনিসপত্র। কাঠের খাট, রান্নার হাঁড়ি-পাতিল, কাপড়চোপড়, টিনের চালার অংশসহ বিভিন্ন সামগ্রী ভাঙচুর করে ফেলে রাখা হয়েছে। এতে বসতবাড়িটির স্বাভাবিক বসবাসের পরিবেশ পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে।
ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, পূর্বের জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সকালে আব্দুল হাকিমের নেতৃত্বে ২০ থেকে ৩০ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের বাড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা বাড়ির ঘরে ঢুকে আসবাবপত্র ভাঙচুর করে এবং বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এ সময় পরিবারের সদস্যরা প্রাণভয়ে বাড়ি ছেড়ে আশপাশে আশ্রয় নেন।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, প্রায় দুই বছর আগে এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরেই এ ঘটনা ঘটেছে বলে তাঁদের ধারণা।
ভুক্তভোগী গৃহকর্তা মোস্তফা বলেন, হাকিম মেম্বারের নেতৃত্বে ২০-৩০ জনের একটি দল হঠাৎ করে বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর শুরু করে। তাঁরা আমাদের কোনো কথা শোনেনি। আমাদের মারধর করে আলমারি ভেঙে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান জিনিস নিয়ে গেছে। প্রায় ২ থেকে ৩ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, বিগত ৫ আগস্টের পর ইউপি সদস্য আব্দুল হাকিম তাঁর কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছিলেন। এঘটনায় সেনাবাহিনীর ক্যাম্পে অভিযোগ দেওয়া হয়েছিল। এরপর থেকে আব্দুল হাকিম আমাদের ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন। এছাড়া হাকিমের সঙ্গে কোন বিরোধ নেই।
অভিযুক্ত ইউপি সদস্য আব্দুল হাকিম বলেন, আমার ভগ্নিপতি আনোয়ার হোসেনের জায়গা জোর করে দখল বাড়ি বানিয়ে দখল করা হয়েছিল। আমরা জায়গাটি দখলমুক্ত করেছি। সেখানে আমার ভগ্নিপতি বাড়ি বানাবেন।
আক্কেলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন রেজা বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এখনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন