পহেলা বৈশাখে পাহাড়িদের বিজু ফুল উৎসব ২০২৬
মিলন বৈদ্য শুভ, চট্টগ্রাম (প্রতিনিধি): বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে পার্বত্য অঞ্চলে ঐতিহ্যবাহী ‘বিজু ফুল উৎসব ২০২৬’ ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও বর্ণিল আয়োজনে উদযাপিত হচ্ছে। পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর অন্যতম প্রধান এই উৎসবকে কেন্দ্র করে গোটা অঞ্চলজুড়ে বিরাজ করে উৎসবমুখর পরিবেশ।
পহেলা বৈশাখের ভোর থেকেই শুরু হয় উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা। তরুণ-তরুণীরা নদী ও ঝর্ণা থেকে সংগ্রহ করা নানা রঙের ফুল দিয়ে ঘরবাড়ি, আঙিনা ও আশপাশের পরিবেশ সাজিয়ে তোলে। ‘বিজু ফুল’ ছড়িয়ে দিয়ে তারা পুরনো বছরের সব দুঃখ-গ্লানি দূর করে নতুন বছরের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে। সকাল গড়াতেই পাহাড়ি পল্লীগুলোতে রঙিন ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সজ্জিত নারী-পুরুষের উপস্থিতিতে প্রাণচাঞ্চল্য বৃদ্ধি পায়।
উৎসব উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে আয়োজন করা হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে ছিল ঐতিহ্যবাহী নৃত্য, লোকগান, আবৃত্তি এবং নানা ধরনের গ্রামীণ খেলাধুলা। শিশু থেকে শুরু করে প্রবীণ পর্যন্ত সকল বয়সী মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ উৎসবকে করে তোলে আরও প্রাণবন্ত ও আনন্দঘন।
স্থানীয় প্রবীণ ও বিশিষ্টজনরা জানান, বিজু উৎসব কেবল আনন্দের নয়, এটি পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সামাজিক বন্ধনের গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। এই উৎসবের মাধ্যমে প্রজন্মের পর প্রজন্ম তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি ও জীবনধারাকে লালন করে আসছে।
উৎসবকে ঘিরে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেয়া হয় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করা হয়। ফলে শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে দিনব্যাপী উৎসব সফলভাবে সম্পন্ন হয়।
সব মিলিয়ে, পহেলা বৈশাখে অনুষ্ঠিত বিজু ফুল উৎসব ২০২৬ পার্বত্য অঞ্চলের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বৈচিত্র্যের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে আবারও সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬
পহেলা বৈশাখে পাহাড়িদের বিজু ফুল উৎসব ২০২৬
মিলন বৈদ্য শুভ, চট্টগ্রাম (প্রতিনিধি): বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে পার্বত্য অঞ্চলে ঐতিহ্যবাহী ‘বিজু ফুল উৎসব ২০২৬’ ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও বর্ণিল আয়োজনে উদযাপিত হচ্ছে। পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর অন্যতম প্রধান এই উৎসবকে কেন্দ্র করে গোটা অঞ্চলজুড়ে বিরাজ করে উৎসবমুখর পরিবেশ।
পহেলা বৈশাখের ভোর থেকেই শুরু হয় উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা। তরুণ-তরুণীরা নদী ও ঝর্ণা থেকে সংগ্রহ করা নানা রঙের ফুল দিয়ে ঘরবাড়ি, আঙিনা ও আশপাশের পরিবেশ সাজিয়ে তোলে। ‘বিজু ফুল’ ছড়িয়ে দিয়ে তারা পুরনো বছরের সব দুঃখ-গ্লানি দূর করে নতুন বছরের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে। সকাল গড়াতেই পাহাড়ি পল্লীগুলোতে রঙিন ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সজ্জিত নারী-পুরুষের উপস্থিতিতে প্রাণচাঞ্চল্য বৃদ্ধি পায়।
উৎসব উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে আয়োজন করা হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে ছিল ঐতিহ্যবাহী নৃত্য, লোকগান, আবৃত্তি এবং নানা ধরনের গ্রামীণ খেলাধুলা। শিশু থেকে শুরু করে প্রবীণ পর্যন্ত সকল বয়সী মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ উৎসবকে করে তোলে আরও প্রাণবন্ত ও আনন্দঘন।
স্থানীয় প্রবীণ ও বিশিষ্টজনরা জানান, বিজু উৎসব কেবল আনন্দের নয়, এটি পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সামাজিক বন্ধনের গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। এই উৎসবের মাধ্যমে প্রজন্মের পর প্রজন্ম তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি ও জীবনধারাকে লালন করে আসছে।
উৎসবকে ঘিরে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেয়া হয় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করা হয়। ফলে শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে দিনব্যাপী উৎসব সফলভাবে সম্পন্ন হয়।
সব মিলিয়ে, পহেলা বৈশাখে অনুষ্ঠিত বিজু ফুল উৎসব ২০২৬ পার্বত্য অঞ্চলের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বৈচিত্র্যের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে আবারও সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

আপনার মতামত লিখুন