পঞ্চগড়ে রাতের আঁধারে আগাছানাশক স্প্রে: আড়াই বিঘা টমেটো ক্ষেত নষ্ট, নিঃস্ব কৃষক মঈনুল ইসলাম”
শাহিনুর রহমান পঞ্চগড় প্রতিনিধি :- মাত্র এক রাতেই শেষ হয়ে গেল তিন মাসের ঘামঝরা পরিশ্রম আর স্বপ্ন। চোখের সামনে সবুজে ভরা টমেটো ক্ষেত মুহূর্তেই পরিণত হয়েছে পুড়ে যাওয়া জমিতে। দুর্বৃত্তের দেওয়া আগাছানাশকে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের খালপাড়া গ্রামের দরিদ্র কৃষক ময়নুল ইসলাম।
গত সোমবার দিনগত রাতে কে বা কারা তার ক্ষেতে আগাছানাশক ছিটিয়ে দেয়। বিষয়টি তিনি বুঝতে পারেন পরদিন মঙ্গলবার বিকেলে, যখন হঠাৎ করে গাছগুলো ঝলসে যেতে দেখেন।
চলতি মৌসুমে ময়নুল ইসলাম আড়াই বিঘা জমি ভাড়া নিয়ে টমেটোর আবাদ করেন। দীর্ঘ তিন মাসের পরিচর্যায় গাছগুলো ফুলে-ফলে ভরে ওঠে এবং ফসল বিক্রির উপযোগী হয়ে ওঠে। হঠাৎ এমন ক্ষতির কারণে তিনি দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ময়নুল ইসলাম জানান, টমেটো চাষে তার প্রায় দেড় লাখ টাকা খরচ হয়েছে। যার বেশিরভাগই ঋণ ও সার-কীটনাশকের দোকান থেকে বাকিতে নেওয়া।
তিনি বলেন, আমার একমাত্র আশা ভরসা ছিল এই ফসলটি। দীর্ঘ ৩ মাস ধরে সন্তানের মত পরিচর্যা করে বিক্রি উপযোগী করেছি। ঋণ করে, দোকান থেকে সার-কীটনাশক বাকী নিয়ে জমিতে ঢেলেছি। এখন সব শেষ হয়ে গেল। এত টাকা ঋণ কিভাবে পরিশোধ করবো?
স্থানীয় কৃষক ছানারুল ও রুবেল জানান, এটি পরিকল্পিত নাশকতা হতে পারে। এ ধরনের ঘটনা কৃষকদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করছে। মানুষে মানুষে শত্রুতা থাকতে পারে, তাই বলে ফসলের সঙ্গে এ ধরনের শত্রুতা কখনোই কাম্য নয়।
স্থানীয় ইউপি সদস্য জুলহাস উদ্দীন বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। অপরাধী শনাক্ত হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
পঞ্চগড়ে রাতের আঁধারে আগাছানাশক স্প্রে: আড়াই বিঘা টমেটো ক্ষেত নষ্ট, নিঃস্ব কৃষক মঈনুল ইসলাম”
শাহিনুর রহমান পঞ্চগড় প্রতিনিধি :- মাত্র এক রাতেই শেষ হয়ে গেল তিন মাসের ঘামঝরা পরিশ্রম আর স্বপ্ন। চোখের সামনে সবুজে ভরা টমেটো ক্ষেত মুহূর্তেই পরিণত হয়েছে পুড়ে যাওয়া জমিতে। দুর্বৃত্তের দেওয়া আগাছানাশকে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের খালপাড়া গ্রামের দরিদ্র কৃষক ময়নুল ইসলাম।
গত সোমবার দিনগত রাতে কে বা কারা তার ক্ষেতে আগাছানাশক ছিটিয়ে দেয়। বিষয়টি তিনি বুঝতে পারেন পরদিন মঙ্গলবার বিকেলে, যখন হঠাৎ করে গাছগুলো ঝলসে যেতে দেখেন।
চলতি মৌসুমে ময়নুল ইসলাম আড়াই বিঘা জমি ভাড়া নিয়ে টমেটোর আবাদ করেন। দীর্ঘ তিন মাসের পরিচর্যায় গাছগুলো ফুলে-ফলে ভরে ওঠে এবং ফসল বিক্রির উপযোগী হয়ে ওঠে। হঠাৎ এমন ক্ষতির কারণে তিনি দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ময়নুল ইসলাম জানান, টমেটো চাষে তার প্রায় দেড় লাখ টাকা খরচ হয়েছে। যার বেশিরভাগই ঋণ ও সার-কীটনাশকের দোকান থেকে বাকিতে নেওয়া।
তিনি বলেন, আমার একমাত্র আশা ভরসা ছিল এই ফসলটি। দীর্ঘ ৩ মাস ধরে সন্তানের মত পরিচর্যা করে বিক্রি উপযোগী করেছি। ঋণ করে, দোকান থেকে সার-কীটনাশক বাকী নিয়ে জমিতে ঢেলেছি। এখন সব শেষ হয়ে গেল। এত টাকা ঋণ কিভাবে পরিশোধ করবো?
স্থানীয় কৃষক ছানারুল ও রুবেল জানান, এটি পরিকল্পিত নাশকতা হতে পারে। এ ধরনের ঘটনা কৃষকদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করছে। মানুষে মানুষে শত্রুতা থাকতে পারে, তাই বলে ফসলের সঙ্গে এ ধরনের শত্রুতা কখনোই কাম্য নয়।
স্থানীয় ইউপি সদস্য জুলহাস উদ্দীন বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। অপরাধী শনাক্ত হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন